নিয়োগ দুর্নীতিতে নিম্ন আদালতের তোপে সিবিআই! সম্পত্তির হলফনামা চাইলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়
শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক কেলেঙ্কারি সামনে আসছে। ইতিমধ্যে সিবিআই একাধিক ব্যক্তিকে জেরা করেছে। কিন্তু এরপরেও খুশি নয় আদালত। কিন্তু কেন? কি বলছে হাইকোর্ট
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করছে সিবিআই! কিন্তু সেই তদন্তের মাসের পর মাস কেটে গেলেও এখন তেমন ফল সামনে আসিনি। এই অবস্থায় বারবার হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে। এমনকি আজ বৃহস্পতিবারও বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের তোপের মুখে পড়ে সিবিআই।
স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সিবিআই কল্পনাও করতে পারবে না তাদের সামনে কতটা খারাপ দিন আসতে চলেছে। শুধু তাই নয়, তদন্তকারীদের সম্পত্তি নিয়েও কড়া হাইকোর্ট।

আলিপুর কোর্টেও তোপের মুখে পড়ল সিবিআই
আর এই বিতর্কের মধ্যেই আলিপুর কোর্টেও তোপের মুখে পড়ল সিবিআই। তদন্তের গতি নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায়। আজ বৃহস্পতিবার পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ সুবীরেশ ভট্টাচার্য, প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা সহ একাধিক প্রাক্তন কর্তাকে এদিন আলিপুর আদালতে তোলা হয়। আর সেই মামলার শুনানিতেই বিচারকের প্রশ্ন, হাই কোর্টের নির্দেশে যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের নিয়ে কেন তদন্ত করা হচ্ছে না। এমনকি যে সমস্ত অযোগ্য প্রার্থীরা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছে তাঁদের কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারক।

তদন্তে গতি বাড়ানোর নির্দেশ
এছাড়াও এভাবে চললে সিবিআইয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে বলেও মন্তব্য করেছেন বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, কেন মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়নি তা নিয়েও বিচারকের প্রশ্নের মুখে পড়ে সিবিআই। যদিও কে এই মণ্ডল তা স্পষ্ট করেনি নিম্ন আদালত। যদিও এই প্রসঙ্গে সিবিআই জানায়, মণ্ডল টাইটেলে নাকি অনেককে পাওয়া গিয়েছে। আর পুরোটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর এরপরেই ভতসনার সুরে সিবিআইকে আদালত গতি বাড়ানোর কথা বলে। শুধু তাই নয়, ব্যাখ্যা করে আদালত বলছে, কারেন্টের মাধ্যমেই লিফট উপরে যায়। আর তা যদি না থাকে তাহলে তা উপরে যাবে কি করে? কিন্তু তা যেতে হবে বলে মন্তব্য বিচারকের। পাশাপাশি আদালতের পরামর্শ, একটা চেন কমপ্লিট করুন।

'বাংলার মানুষ তাকিয়ে আছে'
অন্যদিকে এদিন হাইকোর্টের তোপের মুখে পড়তে হয় সিবিআইকে। রীতিমত তদন্তকারীদের সম্পত্তির হলফনামা তলব করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কিছুটা ধমক দিয়েই তিনি বলেন, গোটা বাংলার মানুষ তাকিয়ে বসে আছে। আর আপনার কি করছেন। পাশাপাশি সোমনাথ বিশ্বাসের বিভাগীয় পদক্ষেপের কথাও এদিন বলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আর এরপরেই তাঁর সম্পত্তির তথ্য হলফনামা আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ। শুধু তাই নয়, সম্পত্তির হিসাব দিতে হবে বাকি তদন্তকারীদেরও।












Click it and Unblock the Notifications