• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    হিন্দু সংহতির ধর্মান্ধ রাজনীতির সমালোচনায় মিললেন ফিরহাদ-সুজনরা, বার্তা গেরুয়া শিবিরকে

    হিন্দু সংহতির ধর্মান্ধ রাজনীতির কঠোর সমালোচনায় মিলে গেল ডান থেকে বাম। কবি, সাহিত্যিক থেকে শুরু করে গোটা বুদ্ধিজীবী মহল গর্জে উঠল কলকাতার বুকে হিন্দু সংহতির ধর্মান্তকরণের নোংরা রাজনীতির বিরুদ্ধে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার বিরুদ্ধেও নিন্দায় মুখর হলেন ফিরহাদ হাকিম থেকে শুরু করে সুজন চক্রবর্তী, অর্পিতা ঘোষ, সুবোধ সরকার-রা।

    হিন্দু সংহতির ধর্মান্ধ রাজনীতির সমালোচনায় মিললেন ফিরহাদ-সুজনরা, বার্তা গেরুয়া শিবিরকে

    [আরও পড়ুন: প্রকাশ্য সভায় ধর্মান্তকরণ ধর্মতলায়! হিন্দু সংহতির উসকানিতে আক্রান্ত সংবাদমাধ্যমও]

    বুধবার ধর্মতলায় রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে হিন্দু সংহতি মঞ্চের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই প্রকাশ্য মঞ্চে এক পরিবারের ১৪ জন সদস্যকে ধর্মান্তরিত করা হয়। তাঁরা কারা, কী তাঁদের পরিচয় জানতে গেলেই বিপত্তি বাধে। গর্জে ওঠেন হিন্দু সংহতি মঞ্চের সভ্যরা। তাঁরা সাংবাদিকদের উপর চড়াও হন, হামলা করেন ওই ধর্মান্তরিত পরিবারকে আড়াল করতে।

    আর এই ঘটনার পরই নিন্দার ঝড় ওঠে সমস্ত মহলে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ফিরহাদ হাকিম বলেন, 'হিন্দু সংহতির নামে যা করা হচ্ছে তা নোংরা রাজনীতি। ধর্মান্ধ হয়ে ওঁরা এইসব করে বেড়াচ্ছে। বাংলার মানুষ এসব ভালো ভাবে নেবেন না। আসলে ওঁদের হিন্দুত্ব নেই, আর সংহতিও নেই।'

    ফিরহাদের কথায়, 'জামাত যেমন মুসলিম বিদ্বেষী ঘটনা ঘটায়, এই হিন্দু সংহতিও হিন্দুত্বের অসম্মান করে। যাঁরা এইসব ঘটনা ঘটাচ্ছে তাঁরা অশিক্ষিত, অসভ্য, বর্বর। তাই এরা বর্বরোচিত কাজ করেছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উপর হামলা চালিয়ে। তিনি বলেন, ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে কে কোন ধর্ম মানবেন, সেটা তাঁর ব্যাপার। এখানে সেটা মুখ্য নয়।'

    তিনি বলেন, 'এইসব সংগঠন ধর্মান্ধ হয়ে যে সমস্ত কাজ করছে, তা সাংঘাতিক। বাংলার মানুষ সেই জবাব দেবে। বিজেপি ও তার সহযোগী দলগুলি যা করছে বেড়াচ্ছে এই বাংলায় এসব চলে না।' এই ঘটনার কঠোর নিন্দা করেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, যাঁরা এই ঘটনায় জড়িত তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে।' পুলিশ প্রশাসন হিন্দু সংহতি মঞ্চের সভাপতি তপন ঘোষ-সহ চার নেতাকে গ্রেফতার করেছে।

    সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী বলেন, ''ধর্ম নিয়ে অন্ধ রাজনীতি করা হচ্ছে। নিশ্চয় অন্যায় কোনও কাজ করা হয়েছিল, নইলে সাংবাদিকদের উপর হামলা চালানো হবে কেন? তাঁরা তো সংবাদসংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। কেন তাঁদের কাজে বাধ সাধা হল? আসলে এটাই হল সংঘ রাজনীতি!' তিনি বলেন, 'অন্যায় নীতিহীন এই কাজের জবাব দেবে বাংলার মানুষ। গণতন্ত্রের উপর হামলা মানুষ মেনে নেবে না।'

    তৃণমূল সাংসদ অর্পিতা ঘোষ বলেন, 'যে ঘটনা ঘটাল হিন্দু সংহতি, তা নিন্দাজনক। ছিঃ বললেও কম বলা হয়। এই ঘটনা দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা।' কবি সুবোধ সরকার প্রশ্ন তোলেন, 'কিছু লুকনোর জন্যই সাংবাদিকদের উপর হামলা। কী লুকোতে এই হামলা চালাল হিন্দু সংহতি। তার জবাব দিতে হবে।'

    বিজেপির রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বসু সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনার নিন্দা করলেও, ধর্মান্তকরণের ঘটনাকে প্রকারান্তরে সমর্থনই করেন। তিনি বলেন, 'আমরা কখনও সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করার পক্ষপাতী নই। তবে আইন মেনে ধর্মান্তকরণ হচ্ছিল কি না, তা দেখতে হবে। যদি আইন মেনে হয়, তাতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।'

    English summary
    Firhad Hakim and Sujan Chakraborty have criticized the fanatic politics of Hindu Sanghati
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more