• search

বিয়েই করেননি, ডেথ সার্টিফিকেটে বাবা হলেন স্বামী! ভুল মানতে নারাজ হাসপাতাল

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    কলকাতা, ৩ এপ্রিল : ডেথ সার্টিফিকেটে স্বামীর নামের জায়গায় লেখা বাবার নাম। অথচ মৃত ব্যক্তি কোনওদিন বিয়েই করেননি। অদ্ভুত এই ভুলের পরও তা স্বীকার করতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। উল্টে স্বামীর নামের জায়গায় যংআর নাম লেখা আচে, তিনি যে মৃতার বাবা, তাঁর প্রমাণ চাওয়া হয়। উপযুক্ত প্রমাণ দেখানো সত্ত্বেও সমাধান সবত্র মিলল না।

    যাদবপুরের বাসিন্দা নিভা রায়। অবিবাহিতা এই মহিলা দাদা-বৌদির সংসারেই থাকতেন। গত ২৮ মার্চ গুরুতর অসুস্থ হয়ে কলকাতার এক সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। পরদিন তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর হাসপাতালে থেকে ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে যান নিভাদেবীর পরিবারের সদস্যরা।

    বিয়েই করেননি, ডেথ সার্টিফিকেটে বাবা হলেন স্বামী! ভুল মানতে নারাজ হাসপাতাল

    শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার পর যে যেথ সার্টিফিকেট দেওয়া হয় শ্মশানের পুরকর্মীদের তরফে, তাতে স্বামীর নামের জায়গায় বাবার নাম লক্ষ্য করেন পরিবারের সদস্যরা। সঙ্গে সঙ্গে তা জানানো হয় পুরকর্মীদের। পুরকর্মীরা জানান, হাসপাতালের দেওয়া সার্টিফিকেটেই এই ভুল রয়েছে, এটা তাঁরা সংশোধন করতে পারবেন না।

    এরপরই তাঁরা হাসপাতালের দ্বারস্থ হন। হাসপাতালের পক্ষ থেকে এই ভুল অস্বীকার করা হয়। উপযুক্ত প্রমাণ দাখিল করতে বলা হয় মৃতার পরিবারকে। সেইমতো মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড দেখানো হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। তবু এই সমস্যার সমাধান হয়নি।

    সরকারি হাসপাতালের এই গাফিলতিতে সরব নিভাদেবীর পরিবারের সদস্যরা। কী করে এই ভুল হল, তা তাঁদের বোধগম্য হচ্ছে না। তথ্য সংশোধন করতেও অযথা বিলম্ব করছে হাসপাতাল। নিজেরা ভুল করে রোগীর আত্মীয়দের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ।

    English summary
    Father's name has been written in place of husband's name on death certificate!

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more