প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দফতরেই বড়সড় কেলেঙ্কারি ফাঁস! ভুয়ো চাকরি প্রার্থী সহ তিনজন গ্রেফতার
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সদর দফতরেই বড়সড় কেলেঙ্কারি ফাঁস! শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতি সামনে এসেছে। আর এর মধ্যেই ভুয়ো কললেটার নিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে গেলেন এক যুবক। প্রাথমিকের ইন্টারভিউ চলছে। আর সেই ইন্টারভিউ দেওয়া
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সদর দফতরেই বড়সড় কেলেঙ্কারি ফাঁস! শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতি সামনে এসেছে। আর এর মধ্যেই ভুয়ো কললেটার নিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে গেলেন এক যুবক। প্রাথমিকের ইন্টারভিউ চলছে। আর সেই ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্যে আসে ওই যুবক। কিন্তু পর্ষদের সদর দফতরের গেটে থাকা এক কর্মীর সন্দেহ হয় পুরো বিষয়টিতে। সঙ্গে সঙ্গে ওই যুবকের কাছ থেকে সমস্ত নথি এবং কল লেটার চেয়ে নেওয়া হয়।
আর তা পরীক্ষা করে দেখতেই দেখা যায় সমস্থ কিছুই ভুয়ো। সঙ্গে সঙ্গে যুবককে প্রথমে আটক করা হয়। পরে পুলিশ গ্রেফতার করে বলে জানা যাচ্ছে। একই সঙ্গে আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে পর্ষদের তরফে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এই ঘটনা সামনে আসার পরেই আরও একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে খবর।

বড়সড় কোনও প্রতারনার চক্র কাজ করছে
ধৃত দুজন নিজেদের ওই যুবকের আত্মীয় বলে পরিচয় দেয়। যদিও পর্ষদ মনে করছে, এর পিছনে বড়সড় কোনও প্রতারনার চক্র কাজ করছে। এমনকি আত্মীয় পরিচয় দেওয়া দুজন মধ্যস্থতাকারী বলেই মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ধৃত দুজনকে জেরা করা হচ্ছে বলে খবর। শুধু তাই নয়, ভুয়ো চাকরি প্রার্থীকেও জেরা করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। কীভাবে এই প্রতারণা চক্র কাজ করছে তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে বিধাননগর পুলিশের তরফে। তবে একেবারে পর্ষদের অফিসের সামনে এমন কেলেঙ্কারি ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

ধৃত তিনজনেই দিনাজপুরের বাসিন্দা।
জানা যাচ্ছে, ধৃত তিনজনেই দিনাজপুরের বাসিন্দা। ভুয়ো চাকরি প্রার্থীর নাম প্রতীম ঘোষ বলে জানা যাচ্ছে। আজ শনিবার সকাল থেকে পর্ষদের অফিসে ইন্টারভিউয়ের কাজ চলছিল। সেখানে সকালে পৌঁছে যান প্রতীম। পর্ষদের সূত্রে খবর, এবার অনেক বেশি পর্ষদের তরফে কড়াকড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ভুয়ো প্রতীম তাঁর কললেটার দেওয়া মাত্র সর্বস্তরে তা পরীক্ষা করা হয়। এমনকি অ্যাডমিট কার্ডের প্রতিলিপি ঘিরেই সন্দেহ হয়। এরপর অ্যাডমিট কার্ডের হার্ডকপি চাওয়া হয়। এরপরেই ধৃত প্রতীম জানান, সেটি তাঁর এক আত্মীয়ের কাছে রয়েছে। কার্যত এরপরেই পুরো কেলেংকারি ফাঁস হয়ে যায়।

সতর্ক পর্ষদ
পরে পুলিশ জানতে পারেন প্রতীমের আত্মীয় হিসাবে দাবি করা ওই ব্যক্তি আরও এক জালিয়াত। মোটা টাকার বিনিময়েই প্রতীমের আত্মীয় আসল অ্যাডমিট কার্ড দেওয়ার কথা সে জানায় বলেও পুলিশ জানতে পারে। আর তা জানতে পারার পরেও ওই ব্যক্তিকেও আটক করফা হয় বলে জানা যাচ্ছে। খোদ পর্ষদের সামনে এমন ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি নিয়োগ নিয়ে একের পর এক কেলেঙ্কারি সামনে এসেছে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী সহ একাধিক বড় প্রভাবশালীকে ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করেছে। সেখানে দাঁড়িয়ে এখনই যে প্রতারনা চক্র যে সক্রিয় তা সামনে আসার পরেই সতর্ক পর্ষদ।












Click it and Unblock the Notifications