নিরাপত্তার ঝুঁকি! পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সিইও অফিসের ঠিকানা বদল
নির্বাচন কমিশন এদিন শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের প্রধান নির্বাচনী আধিকারিককে কলকাতার নির্বাচনী কার্যালয়টি আরও সুরক্ষিত স্থানে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছে। কয়েকদিন আগে একদল বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও) সিইও এবং তার দলকে "ঘেরাও" করার পর "গুরুতর নিরাপত্তা লঙ্ঘনের" ঘটনা ঘটেছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নির্দেশ বলে খবর।
কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নিরাপত্তা লঙ্ঘনের সাম্প্রতিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কমিশন কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে সিইও-এর বর্তমান এবং নতুন উভয় অফিসের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও নির্দেশ দিয়েছে।

নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে কলকাতার সিইও অফিসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কোনও রাজনৈতিক দল যাতে বুথ-স্তরের কর্মীদের হুমকি না দেয়, তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছে।
এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের দশ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল শুক্রবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ করেছে যে, পশ্চিমবঙ্গে চলমান এসআইআর প্রক্রিয়ার ভয় এবং কাজের চাপে অন্তত ৪০ জন, যার মধ্যে কিছু বুথ লেভেল অফিসারও রয়েছেন, মারা গিয়েছেন। তৃণমূল জ্ঞানেশ কুমারের কাছে একটি তালিকাও জমা দিয়েছে।
দিল্লিতে বৈঠকের পর রাজ্যসভায় টিএমসি সংসদীয় দলের নেতা ডেরেক ও'ব্রায়েন বলেন, "এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে মৃত প্রায় ৪০ জনের একটি তালিকা আমরা সিইসি-এর হাতে তুলে দিয়েছি এবং সমস্ত বিবরণ শেয়ার করেছি। আমরা তাকে এটা বলে মিটিং শুরু করেছি যে সিইসি এবং ইসিআই-এর হাতে রক্ত লেগে রয়েছে।" এই প্রতিনিধি দলে টিএমসি-এর পাঁচজন লোকসভা এমপি এবং পাঁচজন রাজ্যসভা এমপি ছিলেন। বৈঠকটি প্রায় দুই ঘণ্টা হয়েছে।
ও'ব্রায়েন আরও বলেন, "আমরা পাঁচটি প্রশ্ন তুলেছিলাম। আমরা আমাদের পাঁচটি প্রশ্নের কোনো উত্তর পাইনি।" তবে, কমিশনের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন যে নির্বাচন কমিশন তৃণমূল দ্বারা উত্থাপিত সমস্ত আশঙ্কা এবং প্রতিটি "ভিত্তিহীন" অভিযোগের পয়েন্ট ধরে জবাব দিয়েছে।
নির্বাচন কমিশন টিএমসিকে তাদের কাজের সময় বিএলওদের প্রভাবিত বা হুমকি না দিতেও অনুরোধ করেছে। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক বলেন, "৯ ডিসেম্বরের পর যখন খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে, তখন টিএমসিকে দাবি ও আপত্তি জানাতে কমিশন অনুরোধ করেছে। ততদিন পর্যন্ত টিএমসি বিএলও, ইআরও এবং ডিইও-দের স্বাধীন কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করবে না, যারা নির্বাচনের কাজে নিযুক্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারী।"
বৈঠকে ইসিআই টিএমসিকে আরও জানিয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখনও বিএলওদের জন্য বর্ধিত সাম্মানিক ভাতা প্রদান করেনি, যা কমিশন দ্বারা অনুমোদিত হয়েছিল।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মাসের শুরুতে সিইসি-কে একের পর এক চিঠি লেখার কয়েকদিন পর এই ঘটনা ঘটল। প্রথম চিঠিতে, তিনি রাজ্যে এসআইআর বন্ধ করার জন্য সিইসি-কে অনুরোধ করেছিলেন, এটিকে একটি অপরিকল্পিত এবং জোরপূর্বক অভিযান হিসেবে আখ্যায়িত করে। দ্বিতীয় চিঠিতে, মুখ্যমন্ত্রী বেসরকারি ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ এবং বেসরকারি আবাসন কমপ্লেক্সে ভোট কেন্দ্র স্থাপনের নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।
পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "টিএমসি-এর উচিত প্রথমে গত কয়েক বছরে নিহতদের তালিকা প্রকাশ করা এবং বলা যে কার হাতে রক্ত লেগে আছে। এমন হতে পারে না যে সিইসি দিল্লি থেকে কিছু বিবৃতি দেবেন এবং পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হবে। সিইসি-কে পশ্চিমবঙ্গে আসতে হবে। তাকে এখানকার বাস্তব পরিস্থিতি দেখতে হবে। তিনি কেবল কিছু প্রতিনিধি পাঠিয়ে দিল্লিতে বসে বৈঠক করতে পারেন না।"
-
৬৩ লক্ষ নাম বাদ নিয়ে তোলপাড় রাজনীতি! SIR তালিকার বিতর্কের মাঝে আজই বাংলায় আসছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ -
এক লাফে ৬০ টাকা বৃদ্ধি! মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম -
সপ্তাহান্তে আবহাওয়ার বড় পালাবদল! ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে বাংলায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা -
এপ্রিলের অপেক্ষা নয়, আজ থেকেই মিলবে ‘যুবসাথী'!খেতমজুর প্রকল্পেও নতুন ঘোষণা মমতার -
স্বপ্ন, সংগ্রাম আর সমাজের গল্প, তরুণদের স্বপ্নে তৈরি ‘সিস্টেম অফ টেনেট' -
রাষ্ট্রপতির শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা, তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ দ্রৌপদী মুর্মুর -
নতুন রাজ্যপালকে তুমুল আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর, আনন্দ বোসকে ভয় দেখিয়ে সরানোর অভিযোগ মমতার -
পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের ছায়া হেঁশেলে! এলপিজি ঘাটতির আশঙ্কায় উৎপাদন বাড়াতে তেল সংস্থাগুলিকে নির্দেশ কেন্দ্রের -
ইরানের সঙ্গে কোনও চুক্তি নয়, চাই নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মাঝেই ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি -
ভোটার তালিকা সংশোধনে ধীর গতি, ৬০ লক্ষের মধ্যে নিষ্পত্তি মাত্র সাড়ে ৭ লক্ষ! আরও বিচারক আসছেন রাজ্যে -
ভোটার তালিকা ঘিরে নতুন বিতর্ক, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি অভিযোগে কমিশনকে অভিষেকের চিঠি -
Aahar 2026: নিছক এক খাদ্য বাণিজ্য মেলা নয়, আহার ২০২৬ হতে চলেছে এক বৃহত্তর ব্যবসার মঞ্চ












Click it and Unblock the Notifications