নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে অভিষেক ঘনিষ্ঠ কুন্তলের বিলাসবহুল একাধিক ফ্ল্যাটে তল্লাশি ইডির
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নয়া মোড়। কয়েক দফায় হুগলির তৃণমূল যুব নেতা কুন্তলের ঘোষকে জেরা করেছে সিবিআই। এমনকি একাধিক নথিও তাঁর খতিয়ে দেখেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার যুব নেতার ফ্ল্যাটে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরে
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নয়া মোড়। কয়েক দফায় হুগলির তৃণমূল যুব নেতা কুন্তলের ঘোষকে জেরা করেছে সিবিআই। এমনকি একাধিক নথিও তাঁর খতিয়ে দেখেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার যুব নেতার ফ্ল্যাটে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আজ শুক্রবার সকালে ইডির আধিকারিকরা দুটি ভাগে বেরিয়ে যান। আর সোজা চলে যান কুন্তলের দুটি ফ্ল্যাটে।
জানা যাচ্ছে, নিউ টাউনের একটি বিলাসবহুল আবাসনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ কুন্তলের দুটি ফ্ল্যাট আছে বলে জানা যাচ্ছে। ওই দুটি ফ্ল্যাটেই আজ সকালে পৌঁছে যান ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, দুটি দলে ভাগ হয়ে চলছে তল্লাশি অভিযান।

১৯ কোটি টাকা তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে হুগলির এই যুবনেতার নাম উঠে আসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে। মানিক ঘনিষ্ঠ তাপসকে কয়েক দফাতে জেরা করে কুন্তলের নাম পান সিবিআই আধিকারিকরা। তাপসবাবু জানান, শিক্ষক পদে চাকরি করিয়ে দেওয়ার নামে অন্তত ১৯ কোটি টাকা কুন্তল বাজার থেকে তোলে। এমনকি ২৬০০ চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সে তোলে বলেও অভিযোগ করেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতির ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল। আর এহেন দাবি ঘিরেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে রাজ্য-রাজনীতি।

ফাঁসানোর অভিযোগ
আর এরপরেই কুন্তলকে তলব করে সিবিআই। কয়েক দফাতে তাঁকে জেরা করেন তদন্তকারীরা। এমনকি তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু নথিও সংগ্রহ করেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা। দীর্ঘক্ষণ তাঁকে জেরা করেন আধিকারিকরা। এরপর বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কুন্তল। শুদু তাই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে সে। এমনকি বাজার থেকে ১৯ কোটি টাকা তোলা নিয়েও অভিযোগ অস্বীকার করে সে। কুন্তল বলে, যদি আমি টাকা নিয়ে থাকি তাহলে কি সিবিআই আমাকে ছেড়ে দিল। এমনকি এই বিষয়ে কে কি বলছেন সেটা বড় কথা নয় বলেও মন্তব্য করেন তৃণমূল যুবনেতার। তাঁর কথা মতো সিবিআই এবং আইন কি বলছে সেটাই বড় কথা। তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে বলেও অভিযোগ।

চলছে তল্লাশি
আর এর মধ্যেই আজ শুক্রবার হঠাত করেই কুন্তলের বাড়িতে পৌঁছে যান ইডির আধিকারিকরা। সকাল থেকে প্রায় কয়েক ঘন্টা হয়ে গিয়েছে এখনও তল্লাশি চলছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও সেখানে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কোনও সুত্র পাওয়া গিয়েছে কিনা তা স্পষ্ট নয়। জানা যাচ্ছে, কুন্তল নিউ টাউনের ওই আবাসনের ফ্ল্যাটে রয়েছেন বলেই খবর।

নতুন নামও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর এই তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে তাল তাল টাকার সন্ধান পেয়েছেন আধিকারিকরা। এমনকি একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্যও উঠে এসেছে। শুধু তাই নয়, বেশ কিছু নতুন নামও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications