আরজি করের নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ করবেন না, সহ নাগরিকদের কাছে কী অনুরোধ হাইকোর্টের?
আরজি কর হাসপাতালে নারকীয় ঘটনা ঘটেছে। তরুণী জুনিয়র চিকিৎসকের উপর নির্মম অত্যাচার হয়। তাকে খুন করা হয়। খুনের পর ধর্ষণ করা হয়েছে। এমন মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। রয়েছে শরীরে একাধিক ক্ষত। সেই ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। প্রতিবাদে বাংলার মানুষ সোচ্চার। রাত দখলে মেয়েরা পথে নেমেছে।
কিন্তু কোথাও গিয়ে তাল কেটেছে। কারণ নির্যাতিতার নাম ও ছবি প্রকাশিত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ও নাম ঘুরে বেড়াচ্ছে। শেয়ার হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। এই বিষয় নিয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টে কথা উঠল। শুনানি চলাকালীন বিশেষ বার্তা দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম।

প্রধান বিচারপতি বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন। মৃতার ছবি ও নাম যাতে প্রকাশ করা না হয়। সেই কথা বলা হয়েছে৷ এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা অনুরোধ করছি, যারা মৃতাকে চেনেন তাঁরা তার নাম ও ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেবেন না।" সংবাদ মাধ্যমও এই কাজ করতে পারবে না। এই কথা জানানো হয়েছে।
ধর্ষণ, নির্যাতনের ক্ষেত্রে আক্রান্তের পরিচয় প্রকাশ করা যায় না। ইন্ডিয়ান পিনাল কোর্টের ধারায় বিশেষ ভাবে এই নির্দেশ ছিল। ন্যায়সংহিতাতেও এই নির্দেশকে একই ভাবে রাখা হয়েছে। নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ করা গর্হিত কাজ। শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। আইনে সেই কথাও বলা আছে। নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না। এই বিষয়ে নির্দিষ্ট আইন রয়েছে। সেই কথা জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্যাতিতার ছবি ঘুরছে। প্রতিদিন শেয়ার হচ্ছে সেই ছবি। একাধিক লেখা প্রকাশিত হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে নির্যাতিতার পরিচয় থাকছে। এই কাজ কখনওই করা যায় না। তবুও সহ নাগরিকদের একটা অংশ এই কাজ করে চলেছেন অজান্তে। তাদের জানানো ও সচেতন করার জন্য এবার বিশেষ অনুরোধ রাখলেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।












Click it and Unblock the Notifications