সিবিআই-ইডির ভাত খেলে সব বেরোবে! সুকন্যা-অর্পিতা-কুন্তলের নাম দিলীপ ঘোষের মুখে
বহুদিন পরে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা। বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদিন ইকোপার্কে গিয়ে এমনটাই প্রতিক্রিয়া বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের। রাজ্য সরকারের অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, খড়গপুর থেকে বিজেপিও অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়েছে। তিনি এদিন নিয়োগ দুর্নীতি নিয়েও তৃণমূলকে নিশানা করেছেন।
দিলীপ ঘোষ জানান, মেদিনীপুরের বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি এদিন ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। এছাড়াও বিরোধী দলনেতাও অনেক অ্যাম্বুলেন্স সেখানে পাঠিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, যাঁদের আত্মীয় পরিজনরা ট্রেনে ছিলেন, তাঁরাও উৎকণ্ঠায় ছিলেন।

তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় রেলমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন। এব্যাপারে দিলীপ ঘোষ বলেন, উনিও তো একটা সময় কেন্দ্রে মন্ত্রী ছিলেন। কী হয়েছিল সবাই জানেন। দিলীপ ঘোষ বলেন, এই ধরনের ঘটনা মানুষের হাতে থাকে না। তিনি দাবি করেন, আধুনিক প্রযুক্তিতে দুর্ঘটনা অনেকটাই কমেছে।
তিহাড় জেলে তৃণমূলের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, তিনি (অনুব্রত) তৃণমূলের বড় সম্পদ। কেউ তাঁকে বীর, আবার কেউ তাঁকে বাঘ বলেছেন। দিলীপ ঘোষ বলেন, এতদিন ধরে লোকটা দলের জন্য টাকা তুলে দিয়েছে, সেই জন্যই সাক্ষাত। তবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কেন কেউ দেখা করেন না, সে নিয়ে প্রশ্ন করেছেন তিনি।

তমলুকে তৃণমূল প্রধানের পদত্যাগ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, প্রধান থেকে জেলাপরিষদ সদস্য সবাই দুর্নীতিতে যুক্ত। ফলে দুর্নীতিতে ছেয়ে যাওয়া সবাইকে কি পদত্যাগ করতে বলবে তৃণমূল। যে কারণে প্রার্থী বাছাই করতে গেলেই মারামারি বচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাজ্যপালের অস্থায়ী উপচার্য নিয়োগ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, এই সরকার প্রথম থেকেই সমস্ত অনৈতিক কাজ করছে, স্বেচ্ছাচারিতা করছে সেটা বাধা দিলেই গণ্ডগোল। সিস্টেম অনুযায়ী কাজ করতে চেয়েছেন রাজ্যপাল। তিনটে নাম পাঠাতে ফোন করতে হয় বারবার। কেন এরকম মানসিকতা? তিনি সংবিধানিক প্রধান সংবিধান মেনেই কাজ করছেন।

কুন্তল ঘোষের মুখে রাখাল বেরার নাম প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বিজেপি তো প্রথম থেকেই বলেছে বহু লোক হ্যান্ডলার হিসেবে কাজ করেছে। সেইসব নাম ধীরে ধীরে আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ১০ দিন, ২০ দিন নাম বলছে না তারপর জেলের গরমে সব নাম বেরিয়ে আসছে, বলেছেন দিলীপ ঘোষ।
বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি বলেন, অনুব্রত মণ্ডলের মেয়েও বলেছে বাবা সব টাকা তুলেছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী বলেছেন, টাকাগুলো সব পার্থবাবুর। কুন্তল বলতে আরম্ভ করেছেন অনেক নাম। সময় বলবে সিবিআই ইডির ভাত খেলে সব বেরিয়ে আসবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications