Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

চোরবাগানের চ্যাটার্জী বাড়ির ঐতিহ্যের পুজো, পাঁচদিন ভোগ রান্নার দায়িত্বে পুরুষ সদস্যরা

হাতে আর মাত্র একদিন, বনেদি বাড়ির অন্দরমহলে এখন চূড়ান্ত ব্যস্ততা। উত্তর কলকাতার বনেদি বাড়ির পুজোগুলোর ভিতরের নানা ইতিহাস, ঐতিহ্যের এই সব পুজোর শুরুর কাহিনি উঠে আসছে আমাদের প্রতিবেদনে।

হাতে আর মাত্র একদিন, বনেদি বাড়ির অন্দরমহলে এখন চূড়ান্ত ব্যস্ততা। উত্তর কলকাতার বনেদি বাড়ির পুজোগুলোর ভিতরের নানা ইতিহাস, ঐতিহ্যের এই সব পুজোর শুরুর কাহিনি উঠে আসছে আমাদের প্রতিবেদনে। এবার ঘুরে আসা যাক মধ্য কলকাতার চোর বাগান অঞ্চলের চ্যাটার্জী বাড়ির পুজোয়।

কীভাবে যাবেন

কীভাবে যাবেন

উত্তর কলকাতায় যারা থাকেন তাদের চিনে নিতে অসুবিধে হবে না। যারা একটু দূর থেকে আসবেন তাদের জানার জন্যই বলে রাখা ভাল চিত্তরঞ্জন অ্যাভেনিউয়ের রামমন্দির বাসস্টপে থেকে এসপ্ল্যানেডের মুখ করে সামান্য এগোলেই মুক্তারাম বাবু স্ট্রিট। সেখানে বাঁ-হাতের রাস্তা ধরে সামান্য হেঁটে কয়েক পা গেলেই ডানদিকে লাল রঙা বাড়ি রামচন্দ্র ভবন। সবুজ দরজার উপরে পাথরে খোদাই করে লেখা রয়েছে রামচন্দ্র ভবন। ১২০ নম্বর মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটের এই বাড়িতেই হয় চ্যাটার্জী বাড়ির ঐতিহ্যের বনেদি পুজো।

পুজো শুরুর ইতিহাস

পুজো শুরুর ইতিহাস

এ বাড়িতে দুর্গা পুজো শুরু হয় ১৮৬০ সালে। দেড়শো বছরেরও বেশি আগে পরিবারের কর্তা রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রামচন্দ্র ভবনে এই পুজো শুরু করেন। ইংরেজ আমলে ব্যবসা করে বিশাল প্রতিপত্তি তৈরি করেছিলেন তিনি। এরপর বিশাল প্রাসাদ সমান রামচন্দ্র ভবন তৈরি করেন। শ্রী দুর্গাদাসের পরামর্শে বিশাল বাড়ির দুর্গাদালানে দুর্গা পুজো শুরু হয়। এ বছর এই পুজো পা দিল ১৬০ বছরে।

আগে ঠাকুর দালানেই মূর্তি তৈরি হত

আগে ঠাকুর দালানেই মূর্তি তৈরি হত

আগে এই বাড়িতেই ঠাকুর দালানেই মূর্তি তৈরি হত। আজ অবশ্য কুমারটুলি থেকে মূর্তি আসে। এ বাড়িতে উমা আসে দ্বিতীয়াতে।এরপর ষষ্ঠীর দিন বেলবরণ অনুষ্ঠান। পরিবারের সদস্যদের থেকেই জানা গেল, ষষ্ঠীতে বাড়ির বউরা উমাকে বেলতলা থেকে বরণ করে ঠাকুর দালানে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করেন।

 বাড়িতেই কলাবউ স্নান করানো হয়

বাড়িতেই কলাবউ স্নান করানো হয়

আগে এই বাড়িতে ডাকের সাজের প্রতিমা ছিল। পরে পরিবর্তন হয়েছে। উমাকে এবাড়িতে বেনারসী পরানো হয়, দেব-দেবীদের হাতের অস্ত্র রুপোর, গহনা সোনার। এ বাড়িতে একচালার প্রতিমা। বাড়িতেই কলাবউ স্নানের নিয়ম রয়েছে।

পুজোর পাঁচদিন ভোগ রান্নার দায়িত্বে বাড়ির পুরুষ সদস্যরা

পুজোর পাঁচদিন ভোগ রান্নার দায়িত্বে বাড়ির পুরুষ সদস্যরা

পরম্পরায় এই নিয়ম মেনে আসা হচ্ছে। এবাড়িতে পুজোর পাঁচদিন বাড়ির পুরুষ সদস্যরা ভোগের রান্না করেন।

নবমী রাতের রান্নাই খাওয়া হয় দশমীতে

নবমী রাতের রান্নাই খাওয়া হয় দশমীতে

এ বাড়িতে পুজোর দিনে আরও একটা নিয়ম রয়েছে। নবমীর রাতে রান্না করা পান্তা ভাত, মুসুর ডাল, ছাচি কুমড়ো, চালতার টকই দশমীর দিন পরিবারের সদস্যরা খেয়ে থাকেন।

 পারিবারিক গানে উমাকে বিদায়

পারিবারিক গানে উমাকে বিদায়

আগে এ বাড়ির রীতি অনুযায়ী উমাকে কাঁধে করে বিসর্জন দেওয়া হত। এখন অবশ্য কাঁধে বিসর্জন হয় না। বিসর্জনে অবশ্য বিশেষ একটি রীতি রয়েছে। বাড়ির সব ছেলে-মেয়েরা পারিবারিক গানের মাধ্যমে উমাকে বিদায় জানান। ঠাকুরদালানে সিঁদুর খেলার পর বাড়ির বড়রা পারিবারিক গান ধরেন। প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় ঘাট পর্যন্ত এই গান গাইতে গাইতে যাওয়া হয়।

[বিদ্বেষ ভুলে নতুন পৃথিবীর বার্তা দিয়ে ৫০ বছরে পা রাখল দক্ষিণ কলকাতার এই মণ্ডপ ]

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+