ভোট প্রচারে নেতাদের টার্গেট করে 'অশালীন ভাষা'! মমতার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ বিজেপির
নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে নেতানেত্রীদের মুখে যেন ভাষা লাগামহীন হয়ে পড়ছে। যেখানে অভিযুক্ত হচ্ছে শাসক-বিরোধী সকলেই। আর নির্বাচনে কমিশনে অভিযোগের বহরও তত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তৃণমূল যেমন নির্বাচন কমিশনে বড় দল নিয়ে যাচ্ছে, বিজেপিও কম যাচ্ছে না।
বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্বাচন কমিশনে। বিজেপির অভিযোগ, গত ছয় মার্চ বালুরঘাটের জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে অশালীন ভাষা প্রয়োগ করেছিলেন।

কমিশনের কাছে দেওয়া অভিযোগপত্রে বিজেপির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই সমাবেশ থেকে সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীদের নিশানা করে গদ্দার, কুলাঙ্গারের মতো শব্দ ব্যবহার করেছিলেন। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া দাবি করেছেন, এব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। যে কারণে তিনি নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
শিশির বাজোরিয়া নির্বাচন কমিশনে দেওয়া চিঠিতে বলেছেন, ৬ এপ্রিল বালুরঘাটের জনসভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে গালাগালি করেছেন। গদ্দার ও কুলাঙ্গারের মতো শব্দ ব্যবহার করেছেন। বিজেপির নেতার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইচ্ছাকৃতভাবে জনসাধারণের সামনে অপমানজনক ভাষা ব্যবহার করেছেন।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে এব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছেন শিশির বাজোরিয়া। তৃণমূল সুপ্রিমো এবং ওই দলের অন্য কোনও সদস্য ও কর্মীরা বিজেপি নেতা ও কর্মীদের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা উচ্চারণ ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকে, তার জন্য অনুরোধ করেছেন বাজোরিয়া।
প্রসঙ্গত গত ১৬ মার্চ নির্বাচন ঘোষণার দিন থেকে সারা দেসে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়েছে। সারা দেশে সাতটি দফায় নির্বাচন। রাজ্যের ৪২ টি আসনেও নির্বাচন হতে চলেছে সাত দফায়। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে ৪২ টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছিল ১৮ টি আসনে আর তৃণমূল পেয়েছিল ২২ টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছিল ২ টি।












Click it and Unblock the Notifications