এসএসকেএমের অগ্নিকাণ্ডে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন স্বাস্থ্য দফতরের, তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ
এসএসকেএমের অগ্নিকাণ্ডে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন স্বাস্থ্য দফতরের, তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ
এসএসকেএমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করল স্বাস্থ্য দফতর। ৫ সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন হাসপাতাল সুপার এবং পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারীকরা। তিন দিনের মধ্যে তাঁদের রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়েছে। কমিটির রিপোর্টের পরেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিেয়ছে স্বাস্থ্য দফতর। এদিকে আজই দুপুর ১২টার পর হাসপাতালে ফরেন্সিক টিম পর্যবেক্ষণে আসবে। কীভাবে আগুন লাগল তা জানতে নমুনা সংগ্রহ করবে তারা।

৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি
এসএসকেএমের জরুরি বিভাগে সিটিস্ক্যান দফতরে গতকাল রাতে ভয়াবহ আগুন লাগে। দমকলের তৎপরতায় এড়ানো গিয়েছে বড় দুর্ঘটনা। এই ঘটনার পর ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করল স্বাস্থ্য দফতর। সেই তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন হাসপাতালের সুপার এবং উচ্চ পদস্থ পুলিশ আধিকারীক। কীভাবে আগুন লাগল। কোথায় গাফিলতি ছিল তার রিপোর্ট তিন দিনের মধ্যে দেওয়ার জন্য তদন্ত কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এসএসকেএমে
রাজ্যের এক নম্বর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এসএসকেএম। গতকাল রাত ১০টা নাগাদ হঠাৎই হাসপাতালের জরুরি বিভাগের উপরে সিটি স্ক্যান বিভাগের ঘরে আগুন লাগে। দ্রুত সেটি ছড়িয়ে পড়ে। দমকলের ১০টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগন নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকাণ্ডের জেরে রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জরুরি বিভাগের কাছাকাছি যেসব রোগীরা ছিলেন তাঁরা তড়িঘড়ি সেখান থেকে রোগীদের সরিয়ে নিয়ে যান। হাসপাতালের কোনও কর্মী সেসময় সেখানে ছিলেন না বলে অভিযোগ করেছেন রোগীর পরিবারের লোকেরা।

ক্ষতিগ্রস্ত সিটি স্ক্যান মেশিন
অগ্নিকাণ্ডের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এসএলসকেএম হাসপাতালের সিটিস্ক্যান মেশিন। অগ্নিকাণ্ডের পর জরুরি বিভাগের উপরে সিটিস্ক্যানের ঘর কালো ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছি। সকালে সেখানে গিয়ে দেখা যায় একাধিক সিটি স্ক্যান মেশিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার জেরে সকাল থেকেই ব্যহত হয়েছে হাসপাতালের সিটিস্ক্যান পরিষেবা। সমস্যায় পড়েছেন রোগীর পরীবারের লোকেরা। অনেক মুমুর্ষু রুগির সিটিস্ক্যান করানো হয় এখানে। সেই কাজ বন্ধ থাকায় তাঁরা অত্যন্ত সংকটে পড়েছেন।

কোথায় গাফিলতি
এসএসকেএম হাসপাতালের মত সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রীতিমত উদ্বেগ বেড়েছে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এরকম একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতােলর অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা নিয়ে। হাসপাতালের কর্মীদের অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র চালানোর কোনও প্রশিক্ষণ ছিল কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বড় বিপর্যয় ঘটে যেতে পারত। দমকল না তৎপর হলে হাসপাতালের অন্যান্য ওয়ার্ডে আগুন ছড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। আজই ফরেন্সির বিশেষজ্ঞরা সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications