Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

চাঁদ থেকে মঙ্গল, বছর শেষে ফিরে দেখা যাক ২০২১ সালে নাসার সফলতম মিশনগুলি

২০২১ সালে নাসার সফলতম মিশন

২০২১ সাল নাসার জন্য অন্যতম ব্যস্ত বছর ছিল। মার্কিন এই মহাকাশ সংস্থার কাছে এই বছর চাঁদের জন্য আর্টেমিস পরিকল্পনার উন্নয়ন, মহাকাশকে আরও ব্যাপকভাবে অন্বেষণ করা, পৃথিবী নিয়ে অধ্যায়ন ও পরবর্তী–প্রজন্মের বিমানের প্রযুক্তি টেস্টিং সহ একটি সক্রিয় বছরের সাক্ষী থেকেছে নাসা। বড়দিনের দিন মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী একটি দূরবীক্ষণ যন্ত্র মহাশূন্যে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে, জেমস ওয়েব নামে এক মহাশূন্য টেলিস্কোপটি শনিবার গ্রেনিচ মান সময় দুপুর ১২টা বেজে ২০ মিনিটে ফ্রেঞ্চ গায়ানার কোউরু মহাকাশ কেন্দ্র থেকে যাত্রা শুরু করে। এটা নিয়ে এ বছরে নাসা এমন অনেক সফলতাকে সঙ্গে নিয়ে নতুন বছরে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে পা দিতে চলেছে। ২০২১ সালটি মহাকাশ অনুসন্ধানে নাসার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য বছর ছিল।

মঙ্গলগ্রহে ল্যান্ড

মঙ্গলগ্রহে ল্যান্ড

মঙ্গলগ্রহে প্রাণের এবং জলের অস্তিত্বের খোঁজে এই রোভার পারসিভের‍্যান্স পাঠিয়েছে মার্কিন স্পেস এজেন্সি নাসা। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নাসা এবং জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির যৌথ উদ্যোগে এই রোভার পাঠানো হয়েছে লালগ্রহে। প্রাণের এবং জলের অস্তিত্ব খোঁজার পাশাপাশি মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডল ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করাও এই রোভার পারসিভের‍্যান্সের কাজ। মঙ্গলগ্রহের সবচেয়ে বিখ্যাত এলাকা জ্যাজেরো ক্রেটারে প্রাণের অস্তিত্বের সন্ধান করছে এই রোভার। এর পাশাপাশি মঙ্গলগ্রহ থেকে পাথুরে নমুনাও সংগ্রহ করেছে পারসিভের‍্যান্স। সেইসব নমুনা (মার্সিয়ান রক অ্যান্ড সয়েল) পৃথিবীতে ফিরিয়ে এনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।

 টেস পারফর্মস ওয়ান্ডারস

টেস পারফর্মস ওয়ান্ডারস

ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট (‌টেস)‌ ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়ী গরম বিশ্ব খুঁজতে সহায়তা করেছে। এই তিন গ্রহ, যারা হল টিওআই৪৫ওয়ানবি, টিওআই৪৫ওয়ানসি ও টিওআই৪৫ওয়ানডি, পৃথিবীর থেকেও বড় এবং আমাদের সূর্যের অনেক ছোট সংস্করণকে প্রদক্ষিণ করছে।

মঙ্গলে প্রথম বিমান

মঙ্গলে প্রথম বিমান

মার্স হেলিকপ্টার ইনজেনিউনিটি এই প্রথম কোনও হেলিকপ্টার পৃথিবীর বাইরে অন্য গ্রহেও উড়েছে। রোভার পারসিভের‍্যান্সের ভিতরেই ছিল মার্স হেলিকপ্টার ইনজেনিউনিটি। এপ্রিল মাসে প্রথমবার উড়ান হয়েছিল এই কপ্টারের। মার্সিয়ান এয়ার অর্থাৎ মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডলে ইতিমধ্যেই ১৮টি উড়ান হয়ে গিয়েছে এই ইনজেনিউনিটি হেলিকপ্টারের। লালগ্রহের চমকে দেওয়ার মতো বিভিন্ন ছবি তুলে পৃথিবীতেই পাঠিয়েছে এই কপ্টার। মঙ্গলগ্রহের অত্যন্ত উষ্ণ দিনের বেলা এবং অতি শীতল রাতের আবহাওয়ায় এই হেলিকপ্টারের টিকে থাকা মোটেই সহজ ছিল না। কিন্তু নিজের অভিযানে সফল হয়েছে নাসার পাঠানো মার্স হেলিকপ্টার ইনজেনিউনিটি। শেষ বিমান ওড়ে ১৫ ডিসেম্বর।

অন্য গ্রহে অক্সিজেন তৈরি করা

অন্য গ্রহে অক্সিজেন তৈরি করা

সৌরজগতের লোহিত গ্রহ মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলের ৯৫ শতাংশই কার্বন ডাই-অক্সাইড। তারওপর এই গ্রহের বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব অনেক কম। সব মিলিয়ে রুক্ষ-শীতল গ্রহটি মানুষের বসবাসের জন্য মোটেই উপযুক্ত নয়। তবে সেই বৈরী পরিবেশকে অনুকূল করার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তারা মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল থেকে কিছু কার্বন ডাই-অক্সাইড সংগ্রহ করে তা শ্বাসযোগ্য বিশুদ্ধ অক্সিজেনে পরিণত করেছে। এই এপ্রিল মাসেই অসাধ্য সাধন করেছে নাসা।

লুসি মিশন

লুসি মিশন

মহাকাশ সংস্থাটি বৃহস্পতি গ্রহের ট্রোজান গ্রহাণু দেখার জন্য প্রথম মহাকাশযান লুসিকে পাঠিয়েছিল।

মিল্কিওয়ের বাইরে প্রথম গ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে

মিল্কিওয়ের বাইরে প্রথম গ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে

মিল্কিওয়ে ছায়াপথের বাইরে প্রথমবারের মতো কোন গ্রহের লক্ষণ দেখতে পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। সূর্যের চারদিকে যেমন গ্রহগুলো ঘোরে, সেভাবে বিভিন্ন নক্ষত্র ঘিরে ঘুরতে থাকা প্রায় পাঁচ হাজার গ্রহ এর আগে সনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু সেগুলোর সবই মিল্কিওয়ে ছায়াপথে দেখা গেছে। এই প্রথমবারের মতো ছায়াপথের বাইরে কোন গ্রহের লক্ষণ সনাক্ত করা হলো। মেসিয়ের ৫১ গ্যালাক্সিতে থাকা এই সম্ভাব্য গ্রহটিকে আবিষ্কার করেছে নাসার চন্দ্র এক্স-রে টেলিস্কোপ। মেসিয়ার ৫১ নক্ষত্রপুঞ্জকে এর প্যাচানো আকৃতির জন্য ওয়ার্লপুল বা ঘূর্ণি ছায়াপথ বলেও বর্ণনা করা হয়।

 ডার্ট মিশন

ডার্ট মিশন

নভেম্বরে লঞ্চ হল নাসার ডার্ট মিশন। ২৪ নভেম্বর বুধবার ভারতীয় সময় সকাল ১১টা ৫০মিনিটে এই মিশন লঞ্চ করেছে মার্কিন স্পেস এজেন্সি নাসা। এক বছর ধরে চলবে এই অভিযান। নাসার এই 'ডার্ট' মিশনের মূল লক্ষ্য হল পৃথিবীরে দিকে ধাবমান গ্রহাণুকে ভেঙে দেওয়া এবং তার গতিপথ পরিবর্তন করা। এই ডার্ট শব্দের পুরো কথা হল ডবল অ্যাসটেরয়েড রিডিরেক্সন টেস্ট। এই ডার্ট মিশন আসলে একটি প্রমাণ সাপেক্ষ ধারণা এবং পরীক্ষামূলক বিষয়, যার মাধ্যমে গ্রহের প্রতিরক্ষা পদ্ধতি বর্ণনা করা হবে। একে বলা হবে কিনেটিক প্রভাব।

 আইএক্সপিই মিশন

আইএক্সপিই মিশন

নাসা মহাকাশে বিস্তৃত বিজ্ঞান মিশন পাঠিয়েছে, যার মধ্যে এক্স-রেগুলির মেরুকরণ অধ্যয়ন করার প্রথম মিশন রয়েছে, যাকে ইমেজিং এক্স-রে পোলারিমেট্রি এক্সপ্লোরার (আইএক্সপিই) মিশন বলা হয়।

পার্কার সোলার প্রোব মার্বেল

পার্কার সোলার প্রোব মার্বেল

পার্কার সোলার প্রোব খুব কাছ থেকে শুক্র গ্রহের দৃশ্য তুলে ধরেছে। এই প্রথম কোনও মহাকাশযান সূর্যকে ছুঁতে সফল হয়েছে এবং সূর্যের উপরের বায়ুমণ্ডলে পরিবেশের নমুনা নিয়েছে।

জেমস ওয়েব স্পেস দূরবীণ

জেমস ওয়েব স্পেস দূরবীণ


অবশেষ সফল ভাবে উৎক্ষেপণ হল জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের। একদিন আগেই এই টেলিস্কোপ লঞ্চের কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে একদিন পিছিয়ে দেওয়া হয় উৎক্ষেপণ। তাই বড়দিনেই যাত্রা শুরু করেছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। সফলভাবেই উৎক্ষেপণ হয়েছে এই স্পেস টেলিস্কোপের। নাসার তরফে জানানো হয়েছে মহাকাশে নিরাপদেই রয়েছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। গ্রাউন্ড কন্ট্রোলারের সঙ্গে সঠিকভাবে যোগাযোগও করেছে। পৃথিবী থেকে ১.৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে গন্তব্যে পৌঁছতে হবে এই জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপকে। এ যাবৎ যত স্পেস টেলিস্কোপ তৈরি করা হয়েছে, তার মধ্যে এই জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপই বৃহত্তম অর্থাৎ সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী। এটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৭৫,৩৩০ কোটি টাকা। মহাকাশের যেসমস্ত রহস্য এখনও উন্মোচিত হয়নি, সেইসব গভীর এবং দূরবর্তী অঞ্চল সম্পর্কে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের আগ্রহ বরাবরই বেশি। মহাকাশ নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন, এমন আম-আদমির মনেও কিন্তু রয়েছে অনেক প্রশ্ন। আর এইসব কৌতূহল নিবারণের জন্যই মহাকাশে পাঠানো হয়েছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।

আর্থ সায়েন্স

আর্থ সায়েন্স

২০২১ সালে নাসা অনবরত জলবায়ু ও ভূ বিজ্ঞানের ওপর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে, এই গবেষণায় দেখা হচ্ছে কীভাবে পৃথিবীর পরিবর্তন ঘটছে।

 আর্থ সিস্টেম অবজারভেটরি

আর্থ সিস্টেম অবজারভেটরি

নাসা তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, স্পেস এজেন্সি একটি নতুন আর্থ সিস্টেম অবজারভেটরি ঘোষণা করেছে যা জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ প্রশমন, দাবানলের বিরুদ্ধে লড়াই এবং রিয়েল-টাইম কৃষি প্রক্রিয়ার উন্নতি সম্পর্কিত প্রচেষ্টাকে গাইড করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করবে।

 ল্যান্ডস্যাট ৯

ল্যান্ডস্যাট ৯

মার্কিন স্পেস এজেন্সি নাসা তার অন্যতম শক্তিশালী এবং উন্নত স্যাটেলাইট লঞ্চ করল। এই স্যটেলাইটের নাম ল্যান্ডস্যাট-৯। পৃথিবীকে মহাকাশ থেকে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করাই এই স্যাটেলাইটের প্রধান কাজ। ইউনাইটেড লঞ্চ অ্যালায়েন্সের রকেটে করে উৎক্ষেপণ করা হয় নাসার এই স্যাটেলাইটকে। ২৭ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সময় রাত ১১টা ৪২ মিনিটে ভ্যান্ডেনবার্গ স্পেস ফোর্স বেস থেকে ল্যান্ডস্যাট-৯ উৎক্ষেপণ করা হয়। অরবিটে পৌঁছেই নিজের সিস্টার স্যাটেলাইট ল্যান্ডস্যাট-৮ এর সঙ্গে মিলিত হবে নাসার নতুন স্যাটেলাইট ল্যান্ডস্যাট-৯। এরপর দুটো স্যাটেলাইটি একত্রিত হয়ে পৃথিবীকে পর্যবেক্ষণ করবে। প্রতি আট দিন অন্তর ধরিত্রীর ছবি তুলবে এই দুই স্যাটেলাইট।

 মহাকাশে মানুষ

মহাকাশে মানুষ

২০২১ সাল ছিল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে মানুষের উপস্থিতির ২১ তম অবিচ্ছিন্ন বছর এবং এক দশকের মধ্যে আইএসএস-এ মানব মহাকাশযানের জন্য সবচেয়ে ব্যস্ততম বছর।

ক্রু–১ মিশন

ক্রু–১ মিশন

নাসা স্পেসএক্স ক্রু-১ মিশনের স্প্ল্যাশডাউনটি স্টেশনে প্রথম অপারেশনাল বাণিজ্যিক ক্রু ফ্লাইটের সমাপ্তি চিহ্নিত করেছে। ১৯৬৮ সালে অ্যাপোলো ৮ এর পর এটি ছিল মার্কিন ক্রু মহাকাশযানের প্রথম রাতের সফর।

ক্রু–২ মিশন

ক্রু–২ মিশন

নাসা স্পেসএক্স ক্রু-২ মিশন হল প্রথম বাণিজ্যিক ক্রু মিশন যা দু'‌জন আন্তর্জাতিক সঙ্গীকে নিয়ে উড়েছিল। মহাকাশচারীরা মহাকাশে রেকর্ড ১৯৯ দিন কাটিয়েছেন।

স্পেস এক্স 'ইনস্পিরেশন ৪'

স্পেস এক্স 'ইনস্পিরেশন ৪'

সেপ্টেম্বরে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে চার মহাকাশ পর্যটক নিয়ে রওনা দেয় স্পেস এক্সের 'ইনস্পিরেশন ৪'। পৃথিবীর কক্ষপথে এটি বিশ্বের প্রথম নাগরিক মহাকাশ অভিযান। একঘেয়েমি কাটাতে ভবিষ্যতে কোনওদিন ঘুরেই আসতে পারেন মহাকাশে। পর্যটক হিসেবে চড়ে বসতে পারেন স্পেস এক্সের রকেট ক্যাপসুলে। এদিন মধ্যরাতে ফ্লোরিডার কেপ কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে চার নাগরিককে নিয়ে রওনা দেয় স্পেস এক্সের 'ফ্যালকন ৯' রকেট। টিকিট কিনে ব্যবসায়ী ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেস এক্সের 'ড্রাগন' মহাকাশযানে সওয়ার হয়েছেন আমেরিকান ধনকুবের জ্যারেড আইজ্যাকম্যান, হ্যালে আরসেনক্স, ভূ-বিজ্ঞানী সিয়ন প্রোক্টর ও মার্কিন বিমান বাহিনীর প্রাক্তন সদস্য ক্রিস সেমব্রোস্কি। তাঁরা মহাকাশে তিনদিন কাটিয়েছেন।

ক্রু ৩ মিশন

ক্রু ৩ মিশন

নভেম্বরে, নাসা স্পেসএক্স ক্রু ৩ মিশনের অংশ হিসেবে চারজন মহাকাশচারী আইএসএস-এ আসেন। ছয় মাসের দীর্ঘ মিশনের সময়, মহাকাশচারীরা, যারা অভিযান ৬৬-এর অংশ, তারা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন।

 রেকর্ড স্পেসওয়াক সম্পন্ন

রেকর্ড স্পেসওয়াক সম্পন্ন

মহাকাশচারী এবং জ্যোর্তিবিজ্ঞানীরা স্পেস স্টেশনের বাইরে ১৩টি স্পেসওয়াক সম্পন্ন করেছেন - যা ২০১০ সাল থেকে এক বছরে সবচেয়ে বেশি।

আইএসএস-এ ব্যক্তিগত মহাকাশচারী মিশন

আইএসএস-এ ব্যক্তিগত মহাকাশচারী মিশন

নাসা আইএসএস-এ প্রথম দুটি ব্যক্তিগত মহাকাশচারী মিশন ঘোষণা করেছে। মিশনগুলোর নাম অ্যাক্সিয়ম ১ এবং অ্যাক্সিয়ম ২।

প্রতীকী ছবি

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+