রাশিয়া ৯ মে মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে চায়, কিন্তু কেন ওই দিনটিকেই বেছে নেওয়া হল?
রাশিয়া ৯ মে মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে চায়, কিন্তু কেন ওই দিনটিকেই বেছে নেওয়া হল?
রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধ এখনও অব্যাহত। আর এই সংঘাতের মধ্যে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী দাবি করে জানাচ্ছেন ৯ই মের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে চায়। কিন্তু প্রশ্ন হল কেন ৯ ই মে আর অন্য দিন নয় কেন? কারণ ওইদিন নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে বিজয় দিবস রাশিয়ায় বড় করে পালন করা হয়। তাই ওই দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। কিয়েভ ইন্ডিপেন্ডেন্টের একটি প্রতিবেদন অনুসারে এটি জানা গিয়েছে। ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের গোয়েন্দা সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, রুশ সেনাদের বলা হয়েছে ৯ ই মের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে হবে।

কী নিয়ে অভিযোগ উঠল রুশ সেনার বিরুদ্ধে
এই যুদ্ধের জেরে ইউক্রেনের অনেক মানুষকে মারা গেছেন। কয়েক হাজার অসামরিক নাগরিককে জোর করে রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। সেই সঙ্গে কয়েক জনকে বন্দি করে রাখা হয়েছে।

লিউডমিলা ডেনিসোভা কী জানালেন
ইউক্রেনের ন্যায়পাল লিউডমিলা ডেনিসোভা জানিয়েছেন, ৮৪ হাজার শিশু সহ ৪ লক্ষ ২ হাজার জনকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে, ক্রেমলিনের সূত্রে জানানো হয়েছে তারা নিজেরাই, স্বেচ্ছায় রাশিয়ায় যেতে চেয়েছিল।

জেলেনস্কির পশ্চিম দেশগুলির কাছে সাহায্যের অনুরোধ
অপরদিকে, রাশিয়ার উপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরিকল্পনা করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পশ্চিমে মিত্রশক্তিরা। তাঁরা কিন্তু যুদ্ধবিধস্ত ইউক্রেনকে মানবিক সাহায্যেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি পশ্চিমের দেশগুলির কাছে আরও শক্তিশালী সামরিক সাহায্যের অনুরোধ জানিয়েছেন।

কেন ৯ ই মে বিশেষদিন
৯ই মে কিন্তু রাশিয়ার কাছে বিশেষ দিন। সেদিন কিন্তু একটি বড় ছুটির দিন। বিশেষ দিনে অনেক স্কুল ও ব্যবসা বন্ধ থাকে। দেশে সামরিক কুচকাওয়াজ আয়োজন করা হয়। ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত বাহিনীর কাছে নাৎসি জার্মানির আত্মসমর্পণ করেছিল। রাশিয়া দাবি করে বলছে, ইউক্রেনের বন্দর থেকে বিদেশী জাহাজগুলিকে ছেড়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার জন্য একটি করিডোর খোলা হবে। অনুমিত করিডোরটি ৩ মাইল চওড়া হবে। ২৫ মার্চ সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘ কী জানাল অর্ধেকের বেশি শিশু বাস্তুহারা হয়ে পড়েছে, এমনটাই বৃহস্পতিবার জানিয়েছে জাতিসংঘ। তাঁদের থেকে জানা গিয়েছে, প্রায় একমাস যাবত যুদ্ধ অব্যাহত। যার ফলে ইউক্রেনে আনুমানিক শিশুর সংখ্যা ৭.৫ মিলিয়ন। তারমধ্যে ৪.৩ মিলিয়ন শিশু বাস্তুহারা। ১০ মিলিয়নের বেশি মানুষ-সহ শিশু ইউক্রেনের যুদ্ধের ফলে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে প্রাণের তাগিদে অন্য দেশে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications