Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

গ্লোবাল পার্টনারশিপকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ইন্ডিয়া আইএনসি ঘোষণা করেছে 'যুক্তরাজ্য-ভারত সপ্তাহ'

প্রথম যুক্তরাজ্য-ভারত সপ্তাহ (১৮-২২ জুন) উদযাপন করবে দুই দেশের অভূতপূর্ব সম্পর্ককে। যার সঙ্গে রয়েছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট।

প্রথম যুক্তরাজ্য-ভারত সপ্তাহ (১৮-২২ জুন) উদযাপন করবে দুই দেশের অভূতপূর্ব সম্পর্ককে। যার সঙ্গে রয়েছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট।

গ্লোবাল পার্টনারশিপকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ইন্ডিয়া আইএনসি ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য-ভারত সপ্তাহ

১০০জন প্রভাবশালী যুক্তরাজ্য-ভারত সম্মেলনে (১৮ জুন) : এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধনীর মুহূর্তে সম্মাননা জানানো হবে সেই ব্যক্তিত্বদের যাঁরা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে মজবুত করতে অনেক সাহায্য করেছেন।

পঞ্চম যুক্তরাজ্য-ভারত লিডারশিপ কনক্লেভ (২০-২১ জুন ২০১৮) : এই ল্যান্ডমার্ক ইভেন্ট সাক্ষী হবে ভারত-যুক্তরাজ্য কৌশলগত সম্পর্কের। এই বছর ব্রেক্সিট পরবর্তী ব্রিটেনের সকাশে থাকবে গ্লোবাল ইন্ডিয়া।

যুক্তরাজ্য-ভারত অ্যাওয়ার্ডস ২০১৮ (২২ জুন) : এই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের লক্ষ্য ভারত-যুক্তরাজ্যের শক্তিশালী ও অভূতপূর্ব সম্পর্ক উদযাপন। এখানে যুক্তরাজ্য ও ভারতের সেই ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা জানানো হবে যাঁরা গ্লোবাল পার্টনারশিপ তৈরিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।

মে, ২০১৮, লন্ডন : ভারত-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের উদযাপনের উদ্বোধনী সপ্তাহ শুরু হয়ে গেল। এতে থাকছে একাধিক অনুষ্ঠান যা ভারত-যুক্তরাজ্য সম্পর্কে অনুঘটকের কাজ করে একে এগিয়ে নিয়ে যাবে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে নানা সুযোগও তৈরি করবে পারষ্পরিক ভিত্তিতে।

ইন্ডিয়া আইএনসি-র উদ্যোগে একাধিক অনুষ্ঠান হবে পঞ্চম যুক্তরাজ্য-ভারত লিডারশিপ কনক্লেভে। এটি একটি স্মরণীয় ইভেন্ট যা ব্রেক্সিট ব্রিটেন ও গ্লোবাল ইন্ডিয়ার চলার পথকে সুগম করবে, বদলে দেবে। ডেইলিহান্ট, ভারতের #১ নম্বর খবর ও স্থানীয় ভাষার কনটেন্ট অ্যাপ্লিকেশন প্ল্যাটফর্ম এই ইভেন্টের সরকারি মিডিয়া পার্টনার।

যুক্তরাজ্য-ভারত সপ্তাহ শুরু হবে 'দ্য হান্ড্রেড মোস্ট ইনফ্লুয়েন্সিয়াল ইন ইউকে ইন্ডিয়া রিলেশনস' এর দ্বিতীয় সংষ্করণের প্রকাশ দিয়ে। এতে যুক্তরাজ্য ও ভারতের সেই ব্যক্তিকে সম্মাননা জানানো হবে যাঁরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।

যুক্তরাজ্য-ভারত সপ্তাহ শেষ হবে যুক্তরাজ্য-ভারত অ্যাওয়ার্ডস দিয়ে। ২২ জুন ভারত-যুক্তরাজ্যের শক্তিশালী ও অভূতপূর্ব সম্পর্ক উদযাপিত হবে। সম্মাননা জানানো হবে যুক্তরাজ্য ও ভারতের সেই ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে যাঁরা গ্লোবাল পার্টনারশিপ তৈরিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। ব্যবসা, রাজনীতি, কূটনীতি, কলা ও সংষ্কৃতির চারশো বরিষ্ঠ নেতাদের এক ছাতার তলায় এনে ২২ জুন ঝকঝকে সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাজ্য-ভারত অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের বিচারক হবেন ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদদের প্যানেল। যাঁদের মধ্যে থাকছেন :

লর্ড মারল্যান্ড, চেয়ারম্যান অব দ্য কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিল।

ব্যারি গার্ডিনার, এমপি, শ্যাডো সেক্রেটারি অব স্টেট ফর ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড

প্রীতি প্যাটেল, এমপি, প্রাক্তন সেক্রেটারি অব স্টেট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট

সুনীল ভারতী মিত্তল, ফাউন্ডার অ্যান্ড চেয়ারম্যান অব ভারতী এন্টারপ্রাইজ

বরখা দত্ত, লেখিকা ও ব্রডকাস্টার

এডউইনা ডুন, সিইও, স্টারকাউন্ট

প্রথম যুক্তরাজ্য-ভারত সপ্তাহের উদ্যোক্তারা চান বিশ্বজনীন ব্যবসা, সম্পর্ক ও উদ্ভাবনায় দুই দেশের উল্লেখযোগ্য অবদানের সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে।

মনোজ লাডওয়া, ব্রিটিশ উদ্যোগপতি ও রাজনৈতিক কৌশলী, যুক্তরাজ্য-ভারত সপ্তাহের প্রতিষ্ঠাতা এবং উইনিং পার্টনারশিপ : ভারত-যুক্তরাজ্য রিলেশনস বিয়ন্ড ব্রেক্সিটের সম্পাদক বলেছেন :

'বিশ্বজুড়ে হাওয়া বদলের মাঝে যুক্তরাজ্য ও ভারত একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। যুক্তরাজ্য-ভারত সপ্তাহ অনুঘটক হবে দুই দেশের ব্যবসা, সাংষ্কৃতিক আদানপ্রদানের এবং যা বিশ্বজনীন সমস্যার একসঙ্গে মোকাবিলা করবে।

বিশ্বজনীন বৃদ্ধি ও অগ্রগতিতে ভারত এখন বিশ্বের অন্যতম শক্তি ও যুক্তরাজ্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন করে শানিয়ে নিতে চাইছে। কৌশলগতভাবে একসঙ্গে কাজ করা, দুই দেশের শিল্প ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কে বদল আনবে। যুক্তরাজ্যের এখন কাজ ইউরোপে যাতে ভারত ব্যবসা করতে পারে সেজন্য গেটওয়ের কাজ করা ও ভারতের সঙ্গে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে একজোট হয়ে কাজ করা।

অর্থনৈতিক সঙ্গী হিসাবে ভারত ও যুক্তরাজ্য আরও এগোতে পারে। সম্পর্ক আরও গভীর হতে পারে গবেষণা, শিক্ষার মতো ক্ষেত্রে। নতুন প্রজন্মকে কাজে লাগিয়ে নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে বৃদ্ধিকে তরান্বিত করা যেতে পারে। যাঁরা এই আলোচনা সভার অংশ হতে চান, তাঁদের জন্য যুক্তরাজ্য-ভারত সপ্তাহ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।

আরও তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন

সিন ক্যান্টি

+৪৪ ২০ ৭১৯৯ ২২০০
[email protected]

যুক্তরাজ্য-ভারত সপ্তাহ সম্পর্কে

যুক্তরাজ্য-ভারত সপ্তাহ (১৮-২২ জুন) উদযাপন করছে দুই দেশের মজবুত সম্পর্ককে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতের সুযোগ গুলিকেও ঝালিয়ে নিতে চাইছে। পঞ্চম যুক্তরাজ্য-ভারত বার্ষিক লিডারশিপ কনক্লেভ (২০-২১ জুন) একটি ল্যান্ডমার্ক ইভেন্ট। বেক্সিট পরবর্তী ব্রিটেন ও গ্লোবাল ভারতের কৌশলগত পার্টনারশিপে এটি সাহায্য করবে।

ইন্ডিয়া আইএনসি সম্পর্কে

ইন্ডিয়া আইএনসি একটি লন্ডনস্থিত মিডিয়া হাউস যাঁরা ভারতের বিনিয়োগ, বানিজ্য, নীতিগত সিদ্ধান্ত কৌশলগত অ্যাজেন্ডা নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করে। এঁদের পাবলিকেশন ইন্ডিয়া গ্লোবাল বিজনেস একটি পাক্ষিক প্রকাশনা যার পাঠকসংখ্যা সারা বিশ্বে লক্ষাধিক।

এর পাশাপাশি ইন্ডিয়া আইএনসি যুক্তরাজ্য-ভারত লিডারশিপ কনক্লেভ, যুক্তরাজ্য-ভারত পুরস্কার এবং 'গো গ্লোবাল' ট্রেড ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের উপরে ইভেন্ট আয়োজন করে।

২০১১ সালে www.indiaincgroup.com গ্রুপটি তৈরি করেন উদ্যোগপতি মনোজ লাডওয়া।

ইন্ডিয়া আইএনসি বিচারক প্যানেল

লর্ড মারল্যান্ড হলেন কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিল অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান। প্রধানমন্ত্রীর ট্রেড এনভয় ও বিজনেস অ্যাম্বাসেডর নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান হিসাবে তিনি অবসর নেন ২০১৪ সালে। ২০১০-১২ ডিপার্টমেন্ট অব এনার্জি অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জের মন্ত্রী হিসাবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। পরে বিজনেস, ইনোভেশন ও স্কিলের চেয়ারম্যানও হন।

প্রীতি প্যাটেল ২০১০ সালের মে মাসে উইথাম কেন্দ্র থেকে প্রথম মেম্বার অব পার্লামেন্ট হন। পরে ২০১৫ সালে ফের পুনর্নিবার্চিত হন। ২০১৪ সালে প্রীতি ট্রেজারির এক্সচেকার সেক্রেটারি হন। ২০১৫ সালের নির্বাচন থেকে ২০১৬ পর্যন্ত তিনি এমপ্লয়মেন্ট অ্যাট দ্য ডিপার্টমেন্ট ফর ওয়ার্ক অ্যান্ড পেনশনের মন্ত্রী ছিলেন। ২০১৬ জুলাই থেকে ২০১৭ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি আন্তর্জাতিক ডেভেলপমেন্টের সেক্রেটারি অব স্টেট ছিলেন।

ব্যারি গার্ডনার হলেন ইন্টারন্যাশনার ট্রেডের শ্যাডো সেক্রেটারি। ২১ বছর তিনি সংসদে কাজ করেছেন। বহু মন্ত্রিত্বের পদ সামলেছেন তিনি। ১৯৯৯ সাল থেকে শুরু করে ভারতে বহু বানিজ্য প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থেকেছেন ব্যারি।

সুনীল ভারতী মিত্তল হলে ভারতী এন্টারপ্রাইজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। ভারতে মোবাইল বিপ্লবের তিনি পুরোধা। ভারতীয় শিল্পকে বিশ্বজনীন ছড়িয়ে দিতে সুনীলের হাত রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী শিল্প ও বানিজ্য মন্ত্রকের হয়ে তিনি কাজ করেছেন। সুনীল ভারত সরকারের কাছ থেকে বানিজ্য অসাধারণ কাজের জন্য পদ্মভূষণ পুরস্কার পেয়েছেন।

বরখা দত্ত একজন লেখিকা, টেলিভিশন সাংবাদিক ও ব্রডকাস্টার। এনডিটিভি দলের সঙ্গে ২১ বছর তিনি জড়িয়ে রয়েছেন। উই দ্য পিপল, দ্য বাক স্টপস হিয়ার-এর মতো শো তিনি সঞ্চালনা করেছেন। বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতেছেন বরখা দত্ত। তার মধ্যে পদ্মশ্রী অন্যতম।

এনউইনা ডুন হলেন ডুনহাম্বি-র সহ-প্রতিষ্ঠাতা। টেসকো'স ক্লাকার্ড, মাই ক্রোগার প্লাস এবং অন্য লয়্যালটি প্রোগ্রাম যা সারা বিশ্বে হয় তার পিছনে রয়েছেন ডুন। ২০১১ সালে টেসকোকে ব্যবসা বেচে দেন তিনি। তখন ২৫টি দেশে ৩৫০ মিলিয়ন গ্রাহক ছিল তাঁর। অবসর নিয়ে তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। তিনি এখন স্টারকাউন্টের সিইও। যেটি একটি কনজিউমার ইনসাইট কোম্পানি। যা গ্রাহকের কণ্ঠকে বোর্ডরুমে পৌঁছে দেয়।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+