Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

হাদি হত্যা কাণ্ডে গ্রেফতার আরও দুই! কোথায় থেকে? কীভাবে? কী দাবি ঢাকা পুলিশের? জানুন

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের অন্যতম মুখপাত্র এবং প্রধান মুখ ওসমান হাদি খুনের মামলায় বড় সাফল্যের দাবি করল ঢাকা মহানগর পুলিশ। মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম ওরফে দাউদ খান এখনও অধরা। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ দুই সহযোগীকে ভারতের মেঘালয় থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ ঢাকায় সাংবাদিক বৈঠক করে এই তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এন এন মহম্মদ নজরুল ইসলাম।

মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, ওসমান হাদির হত্যা মামলার তদন্ত প্রায় শেষের পথে। সমস্ত কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, মূল অভিযুক্ত এখনও গ্রেফতার না হওয়ার কারণে খুনের আসল উদ্দেশ্য নিয়ে এই মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, খুনের ঘটনার পর ফয়সাল করিম ও তাঁর প্রধান সহযোগী আলমগীর শেখ বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। তাঁরা ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। তারপর সোজা মেঘালয়ের দিকে চলে যান। সীমান্ত পেরোনোর পর প্রথমে তাঁরা পূর্তি নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করেন। তারপরে সামি নামে এক ট্যাক্সিচালকের সহায়তায় তাঁরা মেঘালয়ের তুরা শহরে পৌঁছে যান। তদন্তে এই তথ্য উঠে আসার পরই পূর্তি এবং সামিকে গ্রেফতার করে মেঘালয় পুলিশ।

এর আগে ঢাকা পুলিশ জানিয়েছিল যে, হাদি খুনের ঘটনায় হত্যার পর যাঁরা অভিযুক্তদের পালাতে সাহায্য করেছিল তাদের মধ্যে অন্তত দু'জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন হলেন আমিনুল ইসলাম। তাঁকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে যে, তিনি যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধরীর ভগ্নিপতি। এই গ্রেফতারির পর তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন শরীফ ওসমান হাদি। তিনি হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হওয়া গণ আন্দোলনের এবং বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের অন্যতম মুখপাত্র ও প্রধান মুখ। ১২ই ফেব্রিয়ারি ঢাকা-8 কেন্দ্র থেকে তিনি বাংলাদেশ নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসাবেও লড়তেন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঠিক ৬ দিন পরই সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে তিনি মৃত্যু বরণ করলেন। জানা গিয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে যে বিদ্রোহ হয়েছিল, তাতে শরীফ ওসমান হাদির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। সেই আন্দোলন হওয়ার পরই শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটেছিল। আসন্ন নতুন বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে রয়েছে সাধারণ নির্বাচন। হাদি আসন্ন সেই নির্বাচনে লড়াইয়ের প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই বিক্ষোভ শুরু হয় বাংলাদেশে। রেহাই পাননি সেখানকার সাংবাদিকেরাও। বাংলাদেশের দুই সংবাদপত্র অফিসে ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন। 'প্রথম আলো' এবং 'দ্য ডেলি স্টার'-এর দফতরে প্রথমে ভাঙচুর হয় তারপরেই ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন।

হাদির মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশ ইতিমধ্যেই একাধিক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ আলমগীর শেখ কবে ধরা পড়বেন। পুলিশের দাবি যে, সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালানোর বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে। তদন্তকারীরা আশা করছেন যে, খুব শিগগিরই এই মামলার মূল চক্রীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+