Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ট্রাম্পের গলায় চিনের জন্যে নরম সুর, শুল্ক বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে চান না, তাহলে কী চান ট্রাম্প?

প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক আলোচনায় বলেন, তিনি চিনের ওপর আরও শুল্ক আরোপে অনিচ্ছুক, কারণ এটি দুই দেশের বাণিজ্য কার্যকলাপে বড় ধাক্কা দিতে পারে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, চিনের পক্ষ থেকে বহুবার যোগাযোগ করা হয়েছে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে।

ট্রাম্প বলেন, "রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং-এর সঙ্গে আমার খুবই ভালো সম্পর্ক রয়েছে এবং আমি মনে করি সেটি বজায় থাকবে। আমি বলব, তারা বেশ কয়েকবার আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে"। যদিও সরাসরি শি'র সঙ্গে তাঁর কথোপকথন হয়েছে কিনা, সেই প্রশ্ন এড়িয়ে যান তিনি।

donald Trump and xi jingping

মার্কিন-চিন বাণিজ্য দ্বন্দ্বের আবহে ট্রাম্প প্রশাসন চিনের পণ্যের উপর সম্মিলিতভাবে ১৪৫% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছে, যার জবাবে বেজিংও ১২৫% শুল্ক চাপিয়েছে মার্কিন পণ্যের উপর। কিন্তু এবার ট্রাম্প বলেন, "আমি চাই না শুল্ক আর উপরে উঠুক। কারণ একসময় এমন জায়গায় পৌঁছবে, যেখানে মানুষ আর কিছু কিনবেই না। বরং আমি কমাতে চাই, যাতে মানুষ কেনাকাটা চালিয়ে যেতে পারে"।

ট্রাম্প জানান, টিকটকের মার্কিন অংশ বিক্রির বিষয়ে একটি চুক্তি প্রস্তুত আছে, কিন্তু সেটি এখন চিনের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল। তিনি বলেন, "আমরা চুক্তি স্থগিত করেছি যতক্ষণ না তারা এটি কার্যকর করে। আমি মনে করি এটি চিনের জন্য ভালো একটি চুক্তি"।

চিনভিত্তিক বাইটড্যান্স লিমিটেড যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় না আসে এবং টিকটককে মার্কিন বাজার থেকে সরিয়ে দেয়, তবে তা ভবিষ্যতে শুল্ক আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

যদিও দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত দ্বন্দ্ব কিন্তু এখনও গভীর রয়েছে। ট্রাম্প আশাবাদী যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তিনি বলেন, "টিকটকের বিষয়ে আমরা পাঁচ মিনিটের মধ্যে আলোচনা শেষ করতে পারব। খুব বেশি সময় লাগবে না"।

দু'দিন আগেই ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, এবার থেকে চিনকে আমদানি শুল্ক দিতে হবে ২৪৫%। যা নিয়ে তোলপাড় হয়ে ওঠে বিশ্ব রাজনীতি। কেননা, ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতি নিয়ে প্রথম থেকে সুর চড়িয়েছিল চিন, আর তারপর এই শুল্ক বৃদ্ধি পেতেই তার প্রভাব পড়ে গোটা বিশ্বেই। আর এবার ট্রাম্পের গলায় শোনা গেল অন্য সুর।

Take a Poll

ট্রাম্পের এই মন্তব্য মার্কিন-চিন সম্পর্কে নতুন মোড়ের সম্ভাবনা তৈরি করছে, যেখানে প্রযুক্তি, শুল্ক এবং কৌশলগত স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করার চেষ্টায় রয়েছেন উভয় পক্ষ। এখন দেখার, চিনের পক্ষ থেকে কেমন প্রতিক্রিয়া আসে এবং আলোচনার দরজা সত্যিই কতটা খোলা থাকে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+