এই দেশে জনসংখ্যা মাত্র ৩৩ হাজার, কিন্তু করোনায় মৃতের হার ছাপিয়ে গেল বাকি সব দেশকেই
এই দেশে জনসংখ্যা মাত্র ৩৩ হাজার, কিন্তু করোনায় মৃতের হার ছাপিয়ে গেল বাকি সব দেশকেই
ইউরোপের দক্ষিণে অবস্থিত সান মারিনো আসলে একটি ছিটমহল অধ্যুষিত ক্ষুদ্র দেশ। সান মারিনো অ্যাপেনাইন পর্বতমালার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত ও ইতালি এর সীমানা ঘিরে আছে।

দেশের জনসংখ্যা মাত্র ৩৩ হাজার
মাত্র ৬১ স্কোয়ার কিমি বিস্তৃত দেশটিতে জনসংখ্যা মাত্র ৩৩,৫৬২। সান মারিনোয় সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হল সেররাভ্যাল্লে মিউনিসিপ্যালিটির অন্তর্গত ডোগানা। ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের অন্তর্গত দেশগুলির মধ্যে সান মারিনোর জনসংখ্যাই সবচেয়ে কম। দেশটির জাতীয় ভাষা ইতালিয়ান। দেশের আর্থ-সামাজিক থেকে সাংস্কৃতিক, সব ক্ষেত্রেই ইতালির প্রভাব রয়েছে।

জনসংখ্যার অনুপাতে সান মারিনোয় সর্বাধিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা
৩০শে মার্চ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, সান মারিনোয় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২৩০। হিসাব অনুযায়ী, দেশের প্রতি ১৪৫জন পিছু করোনায় আক্রান্ত ১জন করে। তাছাড়া দেশে মৃতের সংখ্যা ২৫। হিসাব বলছে, দেশের জনসংখ্যার প্রায় ০.০৭৫% মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন অর্থাৎ, প্রতি ১৩৩৪জন পিছু মৃত্যু হয়েছে ১জনের।

সান মারিনোর অধিকাংশই নির্ভরশীল ইতালির উপর
বিশ্বে এখনও পর্যন্ত করোনায় সর্বাধিক বিপর্যস্ত ইতালি। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে তাই সান মারিনো অনেক ক্ষেত্রেই ইতালির উপর নির্ভরশীল, ফলে ভেঙে পড়েছে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো। দেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ হলেও সান মারিনোয় এখন জনসংখ্যার অনুপাতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা সর্বাধিক। ইউরোপের ক্ষুদ্র এই দেশটির দিকে তাই তাকিয়ে রয়েছেন সকলেই। আশার কথা এই যে, সান মারিনো করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির গতি কিছুটা হলেও কমিয়ে এনেছে।












Click it and Unblock the Notifications