Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়ছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন স্থগিত করতে চলেছে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি

গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূরাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এখন ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কেও ছায়া ফেলেছে। ইউরোপীয় পার্লামেন্ট (ইপি) বুধবার স্ট্রাসবুর্গে জুলাই মাসে চুক্তিবদ্ধ ইউরোপ মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির অনুমোদন স্থগিত করতে পারে, এমনটাই দাবি করেছে একটি সূত্র।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যেকার বাণিজ্য সমীকরণে এটি বড়সড় ধাক্কা। নতুন করে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুকে কেন্দ্র করে ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্ক চাপানোর ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। আর এর ফলেই যেন আরও গরম হয়েছে দুই মেরুর সম্পর্কের হিমশীতল বাতাস।

ইউরোপ ও আমেরিকার শেয়ারবাজারে মঙ্গলবার সকাল থেকেই অস্থিরতার ছাপ। সম্ভাব্য বাণিজ্য যুদ্ধের ভয়ে উভয় বাজারেই সূচক নেমে আসে।

স্কটল্যান্ডে জুলাই মাসে আলোচিত এই বাণিজ্য চুক্তিটি দুই মহাশক্তির মধ্যে উত্তেজনা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হয়েছিল। চুক্তিতে আমেরিকা ইউরোপীয় পণ্যের ওপর শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামাতে সম্মত হয়। বিনিময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ বাড়ানো ও মার্কিন রপ্তানি উৎসাহিত করার অঙ্গীকার করে।

কিন্তু সেই চুক্তির বাস্তব রূপ পেতে প্রয়োজন ছিল ইউরোপীয় পার্লামেন্টের চূড়ান্ত অনুমোদন। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে রাজনৈতিক তাপমাত্রা বাড়তেই সেই সম্ভাবনা কার্যত শূন্যে ঠেকেছে।

ইপি এর প্রভাবশালী জার্মান সদস্য ম্যানফ্রেড ওয়েবার স্পষ্ট ভাষায় বলেন "এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্য চুক্তির অনুমোদন সম্ভব নয়।" ট্রাম্পের পদক্ষেপকে "সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ" বলেও দাবি করেছেন তিনি।

আরও এক ধাপ এগিয়ে ইপি এর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কমিটির প্রধান বের্ন্ড ল্যাঙে বলেন বাধ্য হয়েই চুক্তি স্থগিত করতে হচ্ছে। তাঁর কথায় "একটি ইইউ সদস্য রাষ্ট্রের সীমান্ত ও সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলে ও শুল্ককে চাপ হিসেবে ব্যবহার করে আমেরিকা অপ্রত্যাশিত অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।"

চুক্তি স্থগিতের সঙ্গে সঙ্গে ইউরোপীয় পক্ষের পাল্টা শুল্কের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

২০২৫ সালে ট্রাম্পের 'লিবারেশন ডে ট্যারিফ' ইস্যুতে ইইউ ১০৯ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্য ও পরিষেবায় শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। পরে আলোচনার স্বার্থে তা স্থগিত রাখা হয়। কিন্তু সেই 'ছাড়' শেষ হচ্ছে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। আর চুক্তি বাতিল হলে ৭ ফেব্রুয়ারিতেই মার্কিন পণ্যে নতুন শুল্ক জারি হতে পারে।

ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য সহযোগী; ২০২৪ সালে দুই পক্ষের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১.৯ ট্রিলিয়ন ডলার। সেই অর্থনৈতিক আন্তঃনির্ভরতার মাঝেই এখন তৈরি হয়েছে অস্বস্তিকর সঙ্কট।

গ্রিনল্যান্ডের ভূরাজনীতি থেকে শুরু করে আটলান্টিক পাড়ের বাজার সবই এখন তাকিয়ে আছে স্ট্রাসবুর্গের বুধবারের ঘোষণার দিকে। সেখানে হয়তো ঠিক হয়ে যাবে বাণিজ্যের দপ্তরেই থাকছে কি না কূটনীতি ও ভূরাজনীতির পরের অধ্যায়।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+