ছাত্ররা চাওয়ায় বাতিল হয়েছে, কোটা নিয়ে আর যা বললেন শেখ হাসিনা
ছাত্ররা কোটা ব্যবস্থা বাতিল চেয়েছে, বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। সেটা নিয়ে এখন প্রশ্ন তোলার কোনও দরকার আছে কি? এমনটাই বললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ছাত্ররা কোটা ব্যবস্থা বাতিল চেয়েছে, বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। সেটা নিয়ে এখন প্রশ্ন তোলার কোনও দরকার আছে কি? এমনটাই বললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক একথা বলেছেন শেখ হাসিনা ।

কোটা প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্ররা দাবি করেছিল, সেটি মেনে নেওয়া হয়েছে। এখন হা-হুতাশের কী আছে? প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কোটা সংস্কার ছাত্রদের বিষয় না। এটা সরকারের নীতিনির্ধারণী বিষয়।
কোটা সংস্কার প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে শেখ হাসিনা বলেছেন, যে ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করছে বা হস্টেলে থাকছে, তারা কি বিভিন্ন জেলা থেকে আসেনি? তারা মেধাবী, তা তিনি জানেন বলেও মন্তব্য করেছেন শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা বলেছেন, আন্দোলনে যারা ছিল, তাদের ছবিটবি সংরক্ষণ করা আছে। তখন দেখা যাবে। ওই জেলার কারা কারা আন্দোলনে ছিল, সেটিও তারা দেখবেন। তারপর যদি এসে কান্নাকাটি করে, তাহলে তাদের কিছু করার থাকবে না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ছাত্ররা কোটা চায় না। তিনি দাবি মেনে নিয়েছেন। এখানে ক্ষুব্ধ হওয়ার কিছু নেই। সেটি নিয়ে আলোচনা কিংবা প্রশ্ন তোলার দরকার কী? তিনি আরও বলেছেন, একজন মুক্তিযোদ্ধাকে অসম্মান এবং অসম্মানজনক কথা বলা, এটা তার পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।
কোটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় অনেকে এর ভেতর ঢুকে পড়ে। এ বিষয়ে কাউকে সোচ্চার হতে দেখা যায়নি। স্বাধীনতার পরপর একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে যাঁরা অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাঁদের জন্য জাতির পিতা প্রতিটি ক্ষেত্রে কোটার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এটা খুবই বাস্তবসম্মত। অথচ কথা নেই, বার্তা নেই এই আন্দোলন শুরু হল। এই আন্দোলন শুধু আন্দোলন নয়, রাস্তা-ঘাট বন্ধ করে দিয়ে...সেখানে তিনটি হাসপাতাল। রোগী যেতে পারছে না। এমন একটি অবস্থার সৃষ্টি হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে যারা পড়ালেখা করে, তারা নামকাওয়াস্তে পয়সা দিয়ে পড়ে। তাদের সরকার সম্পূর্ণ বিনা পয়সায় পড়ায়। তারা যে হলে থাকে, যে টাকা তারা ভাড়া দেয়, খাবার পায়, ক্লাস করে সেটা টাকা দিয়ে সম্ভব কিনা সেই প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসিত হলেও সরকারের পক্ষ থেকে খরচ চালানো হয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications