প্রাণঘাতী করোনাকে পরাস্ত করতে এবার আণুবীক্ষণিক মলিকিউলের খোঁজ বিজ্ঞানীদের
প্রাণঘাতী করোনাকে পরাস্ত করতে এবার আণুবীক্ষণিক মলিকিউলের খোঁজ বিজ্ঞানীদের
খোঁজ মিলল করোনা প্রতিরোধী আণুবীক্ষণিক মলিকিউল বা অণু কণার। আমেরিকার জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়(ইউজিএ)-এর গবেষক দলের তরফে জানা গেছে, একাধিক গবেষণার পর একগুচ্ছ ক্ষুদ্র আকারের অণুর খোঁজ মিলেছে যারা কোভিড-১৯ ভাইরাসের একটি মূল প্রোটিনের কার্যক্ষমতাকে হ্রাস করতে পারে। এই প্রোটিনই মূলত করোনা ভাইরাসকে শরীরের কোষে বাসা বাঁধতে সাহায্য করে।

প্রোটিনের কার্যক্ষমতা হ্রাসের লক্ষ্যে বিজ্ঞানীরা
গবেষক দলের তরফে জানা গেছে, এসএআরএস-সিওভি-২-এর প্রোটিন পিএলপ্রো ভাইরাসকে প্রতিলিপি তৈরিতে ও আক্রান্ত কোষের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা কমাতে সাহায্য করে। এই পিএলপ্রো প্রোটিন নিরোধক ন্যাপথলিন বেসড যৌগের অণুগুলি ভাইরাসকে প্ৰতিলিপি গঠনে বাধা দেয় বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

কিভাবে খোঁজ পাওয়া গেল এই অণুদের?
গবেষক দলের তরফে জানান হয়েছে, প্রায় ১২ বছর আগে এসএআরএস সংক্রান্ত গবেষণায় এই যৌগগুলির খোঁজ মিললেও এসএআরএসের পুনরাবির্ভাব না ঘটায় গবেষণা বন্ধ করা হয়। গবেষক দলের তরফে ইউজিএর অধ্যাপক স্কট পেগান জানিয়েছেন, "উক্ত যৌগগুলির মধ্যে যেসকল গুণাবলী আছে, তা করোনা প্রতিষেধক তৈরির জন্য আদর্শ। তাছাড়া যৌগগুলির সংক্রমিত হওয়ার কোনোরকম প্রমাণ মেলেনি।"

পিএলপ্রোর বিরুদ্ধে প্রতিষেধক তৈরিতে পথ দেখাবে এই যৌগসমূহ
কোভিড ১৯-কে ঘায়েল করার লক্ষ্যে পিএলপ্রো বিনাশকারী প্রতিষেধক তৈরি করতে গেলে এই যৌগগুলিই পথ দেখাবে বলে মত বিজ্ঞানীদের। স্কট জানান, "যে ক্ষুদ্র অণুগুলি আমরা তৈরি করেছি, সেগুলি হয়তো করোনা গবেষণার ইতিহাসে প্রথম।" বর্তমানে এই গবেষণায় আশাব্যঞ্জক ফল মেলায় সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীদের নজর এখন জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকেই।

ভিন্ন উপায়ে এগিয়েই সাফল্য, জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা
গবেষক দলের তরফে প্রকাশিত জার্নাল মারফত জানা গেছে, "এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের সিথ্রিএলপ্রো প্রোটিনকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্যেই গবেষণা চালানো হয়েছে। তাই অন্য পথে এগিয়ে এটা খুব বড় সাফল্য।" গবেষকেরা আরও জানিয়েছেন, "এটা সবে শুরু। গবেষণার মাধ্যমে আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে। আশা রাখি, প্রতিষেধক তৈরির জন্য খাদ্য ও ওষুধ বিভাগের কাছে আমরা যথেষ্ট রসদ জোগাতে পারব।"












Click it and Unblock the Notifications