রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের মুম্বই সফরের দিন FATF থেকে বাদ পাকিস্তান! সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে কালো দাগ
সন্ত্রাসে অর্থ সাহায্য থেকে শুরু করে মানি লন্ডারিং-সহ আরও নানা অভিযোগে ২০১৮-র জুন থেকে FATF-এর ধূসর তালিকাভুক্ত ছিল পাকিস্তান। কিন্তু এদিনই তারা সেই তালিকার বাইরে এসেছে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের মুম্বই হামলায় মৃতদের প্র
সন্ত্রাসে অর্থ সাহায্য থেকে শুরু করে মানি লন্ডারিং-সহ আরও নানা অভিযোগে ২০১৮-র জুন থেকে FATF-এর ধূসর তালিকাভুক্ত ছিল পাকিস্তান। কিন্তু এদিনই তারা সেই তালিকার বাইরে এসেছে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের মুম্বই হামলায় মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো দিনে হওয়া এই ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ভারত। বিষয়টিকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কালো দাগ বলেও মন্তব্য করা হয়েছে ভারতের তরফে।

ধৃসর তালিকা কী?
FATF-এর ধূসর তালিকাভুক্ত হওয়ার অর্থ হল, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক ব্যবস্থা প্রবেশের ওপরে বাধ্যবাধকতা। এই তালিকায় থাকলে আইএমএৎ এব বিশ্বব্যাঙ্কের মতো সংস্থা থেকে ঋণ পেতে অসুবিধা হতে পারে। তালিকায় থাকা ২৩ টি দেশের মধ্যে রয়েছে সিরিয়া, তুরস্ক, মায়ানমার, ফিলিপিন্স, দক্ষিণ সুদান, উগান্ডা এবং ইয়েমেন।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়ে সরকারি প্রতিক্রিয়া
এফএটিএফ-এর তালিকা থেকে বেরিয়ে গিয়েছে পাকিস্তান। এব্যাপারে জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছএন, ভারতে থাকা শান্তিতে খুশি নয় আমাদের প্রতিবেশী। তিনি আরও বলেছেন, গোটা বিশ্ব দেখছে কোন দেশ সন্ত্রাসবাদে সাহায্য করছে। তিনি জানিয়েছেন, আমাদের বিদেশমন্ত্রক সজাগ রয়েছে। তারাই যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে।

প্রস্তুতি নিয়েছিল পাকিস্তান
পাকিস্তান অবশ্য FATF-এর তালিকা থেকে বেরিয়ে যেতে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিল। এশিয়া-প্যাসেফিক গ্রুপের ১১ টি শর্ত মেনে চলার ব্যাপারে প্রতিবাদপত্র জমা দেয় তারা। পাশাপাশি পাকিস্তানের পদক্ষেপকে আইওয়াস বলেও বর্ণনা করেছেন ভারতীয় আধিকারিকরা। কেননা পাক অধিকৃত কাশ্মীরে এখনও জঙ্গিদের ক্যাম্প রয়েছে। অন্যদিকে সেখানকার মাদ্রাসাগুলিও জেহাদি মডেলে চলছে।

হতাশ ভারত
এদিনের সিদ্ধান্তের জেরে হকাশ ভারত। প্রতিবেশী পাকিস্তানের থেকে বারে বারে সন্ত্রাসবাদের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে ভারত। যেসব দেশ দাবি করে ভারতের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, তারাই ইসলামাবাদের প্রতি ইঙ্গিত করছে, সন্ত্রাসবাদীদের অর্থসাহায্য করা কাজের মুখোমুখি হচ্ছে তারাও।
ভারতের তরফে বারে বারে প্রমাণ দিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে, লস্কর-ই-তৈবি, জইশ-ই-মহম্মদ, আল-বদর এবং হরকত-উল-মুজাহিদিন মানশেরা, মুজফ্ফরাবাদ এবং কোটলি ক্যাম্প চালাচ্ছে। এছাড়াও পাক সেনাবাহিনীর 3POK ব্রিগেড কোটলি ক্লাস্টারের জঙ্গি শিবিরগুলির মধ্যে সমন্বয় রক্ষা করছে।












Click it and Unblock the Notifications