গুজরাত সীমান্তে চিনা সংস্থার হাতে প্রায় ৫৫ বর্গকিলোমিটার জমি তুলে দিল পাকিস্তান
আন্তর্জাতিক সমুদ্র-সীমা থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে গুজরাতের হারামি নালার প্রান্তে প্রায় ৫৫ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত জমি একটি চিনা সংস্থার হাতে তুলে দিল পাকিস্তান।
আন্তর্জাতিক সমুদ্র-সীমা থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে গুজরাতের হারামি নালার প্রান্তে প্রায় ৫৫ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত জমি একটি চিনা সংস্থার হাতে তুলে দিল পাকিস্তান। ইতিমধ্যেই ওই চিনা সংস্থাটি সেখানে নির্মাণ কাজ শুরু করে ফেলেছে বলে সূত্রের খবর।

প্রায় ২২কিলোমিটার এলাকা বিস্তৃত এই হারামি নালাটি গুজরাতের কচ্ছের কাছে স্যার ক্রিক প্রণালি দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভারত-পাক সীমান্তে স্যার ক্রিক প্রণালী সংলগ্ন এলাকায় ভারতের নিরাপত্তা বলয়ের উপর চাপ বাড়াতেই মূলত পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। চলতি মাসেই চিনা প্রেসিডেন্টের ভারত সফরের পর পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের এই 'বোঝাপড়াকে' বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করেছে ভারতের কূটনৈতিক মহল।
আঞ্চলিক স্তরে ভারতকে চাপে রাখতে এর আগেও চিনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এরকম একাধিক পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে পাকিস্তানকে। ইতিমধ্যেই পাকিস্তানকে বালোচিস্তান প্রদেশে গওয়াদার বন্দরটিতেও চিনকে জমি ছাড়তে দেখা গেছে। অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক বোঝাপড়ার রাস্তায় হেঁটে চাবাহার বন্দরেও নিজেদের আধিপত্য বাড়িয়েছে ভারত।
দীর্ঘদিন থেকেই ভারতে নিজেদের গতিবিধি বাড়াতে গুজরাতের কচ্ছ প্রদেশের বিভিন্ন এলাকাকে বেছে নিতে দেখা গেছে পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি সংগঠনকে। হারামি প্রণালীর অনুপ্রবেশ সমস্যা দীর্ঘদিনের, তাই বর্তমানে এই রাস্তার মাধ্যমেই ভারতে নিজেদের ঘাঁটি শক্ত করতে চাইছে পাকিস্তানের ওই জঙ্গি সংগঠনগুলি।
ইতিমধ্যেই ওই অঞ্চল দিয়ে কিছু বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত পাকিস্তানি জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর। এই খবর পাওয়া মাত্রই কচ্ছ প্রদেশে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে ভারত সরকারের তরফে। বর্তমানে জঙ্গি মোকাবিলায় ওই অঞ্চলে বিএসএফের তরফে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত 'ক্রিক ক্রোকোডাইল কম্যান্ডোদেরও' মোতায়েন করা হয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর।












Click it and Unblock the Notifications