'বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য জেল খেটেছি', ৫০ বছর আগের ঘটনার স্মৃতিচারণায় মোদী
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে দু'দিনের সফরে বাংলাদেশ সফরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শেখ মুজিবর রহমানকে মরণোত্তর গান্ধি-শান্তি সম্মানে ভূষিত করলেন মোদী৷ বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানার হাতে তুলে দেন গান্ধী শান্তি সম্মান৷ বললেন, 'আজকের দিনটি আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, স্মরণীয়৷ এই বছরেই ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীর ৫০ বছর পূর্তি হচ্ছে৷'

'বাংলাদেশে স্বাধীনতার জন্য সত্যাগ্রহ করায় জেলেও গিয়েছেলাম'
এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদী ৫ বছর পুরোনো ঘটনার স্মৃতিচারণায় বুঁদ হয়ে বলেন, 'আমার রাজনৈতিক যাত্রার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল বাংলাদেশের স্বাধঈনতা সংগ্রাম। আমরা ভারতে বসেই বাংলাদেশের জন্য সত্যাগ্রহ করেছিলাম। আমার বয়স তখন ২০র কাছাকাছি। আমি বাংলাদেশে স্বাধীনতার জন্য সত্যাগ্রহ করায় জেলেও গিয়েছেলাম।'

মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানান মোদী
মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পার হয়েছে৷ মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নিবিড়তা তৈরি হয়েছে৷ আজ সেই প্রসঙ্গ বার বার উঠে এল নরেন্দ্র মোদীর গলায়। মুক্তিযুদ্ধের সময় যে ভারতীয় জওয়ানরা আত্মবলিদান দিয়েছেন, তাঁদের সম্মান জানান মোদী৷ সম্মান জানান মুক্তিযোদ্ধাদেরও৷

'আমরা তোমাদের ভুলব না'
এদিন মোদী বলেন, 'যেসকল সৈনিকরা নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দিয়ে এই স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন, তাঁদের সেই বলিদান আমরা কখনও ভুলব না। সেই সময় ভারতীয় সেনা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল। আমরা সেই সেনাদের অবদানও কোনওদিন ভুলব না। আজকের দিনটা আমার জন্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।'

বাংলাদেশের উন্নয়নে সামিল ভারত
বাংলাদেশের উন্নয়নে সামিল হয়ে ভাল লাগছে বলে জানান নরেন্দ্র মোদী৷ আগামী দিনে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে আশাবাদী তিনি৷ বললেন, 'কোনও শক্তিই বাংলাদেশকে আটকে রাখতে পারবে না৷' কূটনৈতিক দিক থেকে বাংলাদেশকে আরও কাছে টানার প্রয়াস আজ বারবার উঠে এসেছে মোদির কথায়৷ এমনকি তাঁর পোষাকেও সেই বার্তা৷ পরনে ছিলেন, কালো রঙের মুজিব কোট৷ আর তাতেই জিতে নিলেন বাংলাদেশের মন৷ পাশাপাশি বাংলাদেশের ৫০ জন শিল্পপতিকে দেশে আমন্ত্রণ জানালেন মোদী৷
বাঁকুড়ায় দলীয় প্রার্থী সায়ন্তিকার প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়












Click it and Unblock the Notifications