• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মহাবিশ্বের প্রাণের মুহূর্ত দর্শন! যুগান্তকারী আবিষ্কারের পথে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ

Google Oneindia Bengali News

এক যুগান্তকারী আবিষ্কারের দুয়ার খুলে গেল মহাবিশ্বের। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ লঞ্চ হল। এই টাইম মেশিনে আমাদের মহাবিশ্বের প্রাণের মুহূর্তটি দেখতে পাওয়া যাবে। এই টেলিসকোপর পরিচালক যখন উৎক্ষেপণের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করেছিলেন, তখন সারা বিশ্বের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তাকিয়ে ছিলেন আরিয়ান-৫ রকেটের যাত্রার দিকে।

প্রাণের উৎসের উত্তর খুঁজে আনবে টেলিস্কোপ

প্রাণের উৎসের উত্তর খুঁজে আনবে টেলিস্কোপ

মহাকাশে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ নিক্ষেপ করতে রকেট উৎক্ষেপণের সঙ্গে সঙ্গে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মহাকাশে একটি টেলিস্কোপ পাঠানোর ২৫ বছরের দীর্ঘ স্বপ্নপূরণ হল, যা আমাদের প্রাণের উৎসের উত্তর খুঁজে এনে দিতে পারে। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ হল কিংবদন্তি হাবল স্পেস টেলিস্কোপের উত্তরসূরি।

টেলিস্কোপটি মহাবিশ্বকে পর্যবেক্ষণ করবে

টেলিস্কোপটি মহাবিশ্বকে পর্যবেক্ষণ করবে

ইউরোপের ফ্রেঞ্চ গায়ানা স্পেসপোর্ট থেকে শক্তিশালী আরিয়ান-৫ রকেটে তার নিজ গ্রহ থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে একটি গন্তব্যে যাত্রা করা হয়েছিল। সূর্য থেকে দূরে পৃথিবীর অন্ধকার দিকে মুখ করে টেলিস্কোপটি মহাবিশ্বকে পর্যবেক্ষণ করবে। দূরবীনটির বসানো হয়েছে একটি ছোট জানালার মধ্যে।

আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পৌঁছবে পয়েন্ট

আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পৌঁছবে পয়েন্ট

ক্রিসমাসের দিনে উৎক্ষেপণ হল আরিয়ান রকেটে করে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের। উচ্চ বাতাসের কারণে লিফট-অফ এক দিন আগে স্থগিত রাখা হয়েছিল। যাইহোক একদিন পরে হলেও আরিয়ান টেলিস্কোপটিকে দ্বিতীয় ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্টে যাওয়ার পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। যেখানে এটি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পৌঁছবে।

টেলিস্কোপ প্রথম মহাবিশ্বে ফেরানোর পরিকল্পনা

টেলিস্কোপ প্রথম মহাবিশ্বে ফেরানোর পরিকল্পনা

পুনের ইন্টার-ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স-এর সিনিয়র প্রফেসর তরুণ সৌরদীপ বলেছেন, "আমরা আশা করব ভারত জ্যোতির্বিদ্যায় অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে। এটি লিগো ইন্ডিয়া-কেও দারুণ সমর্থন দেবে৷ টেলিস্কোপ প্রথম মহাবিশ্বে ফিরে আসার পরিকল্পনা করে এবং লিগো ইন্ডিয়া সেই সময়কাল থেকে আসা মহাকর্ষীয় তরঙ্গের দিকে নজর দেয়। বিজ্ঞান সহযোগিতামূলক এবং টেলিস্কোপটি বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রের সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে।"

ছয় মাস দীর্ঘ কমিশনিং

ছয় মাস দীর্ঘ কমিশনিং

একবার টেলিস্কোপটি জানুয়ারির শেষের দিকে তার কাঙ্ক্ষিত কক্ষপথে পৌঁছে গেলে, এটি ছ'মাস কমিশনিং সময়ের মধ্য দিয়ে যাবে। ওয়েবের উন্মোচন প্রক্রিয়াটি তার অপারেশনাল কক্ষপথে এক মাসব্যাপী চলবে। ওই টাইম মেশিন তখন শীতল হয়ে যাবে আগে, নিরাপদে -২২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাওয়া তাপমাত্রায় যন্ত্রগুলিকে পরিচালনা করতে হবে।

একটি মানুষের তৈরি টাইম মেশিন

একটি মানুষের তৈরি টাইম মেশিন

বিশ্বের ১৪টি দেশের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী দ্বারা আবিষ্কৃত এই টেলিস্কোপটি রকেটের উপরে লক করতে ৪০মিলিয়ন ঘন্টা লেগেছিল। টেলিস্কোপটি এতই সংবেদনশীল যে এটি তাত্ত্বিকভাবে পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্বে অবস্থিত বস্তুকে শনাক্ত করতে পারে। টেলিস্কোপটি আমাদের মহাবিশ্বের ইতিহাসের প্রতিটি পর্যায় অধ্যয়ন করবে- বিগ ব্যাং-এর পরে প্রথম আলোকিত দীপ্তি থেকে শুরু করে পৃথিবীর মতো গ্রহগুলিতে প্রাণের মুহূর্ত দর্শন, সৌরজগতের গঠন, মহাবিশ্বের অন্যান্য গ্রহ ব্যবস্থার বিবর্তন পর্যন্ত।

English summary
James Webb Space Telescope will see the moment our universe came to life
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X