বড় পরিকল্পনা চিন-পাকিস্তানের! পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমের আধিপত্য খর্ব করতে একযোগে মাঠে নামছে দুই দেশ
বড় পরিকল্পনা চিন-পাকিস্তানের! পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমের আধিপত্য খর্ব করতে একযোগে মাঠে নামছে দুই দেশ
বর্তমান দুনিয়ায় তথ্যই আসল শক্তি। এদিকে বহু যুগ আগে প্রত্যক্ষ সাম্রাজ্যবাদ শেষ হলেও পশ্চিমা দেশহগুলি এক নতুন সাম্রাজ্য সৃষ্টি করেছে। সাম্রাজ্যবাদ এখনও টিকে আছে এক প্রবলতর সংস্কৃতির ভিতর দিয়ে। এর প্রকাশ পুরোপুরি পশ্চিমা সংস্কৃতির ভিতর দিয়েই। যার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার মিডিয়া। বর্তমানে বিশ্বের তাবড় তাবড় নিউজ এজেন্সি গুলিও পশ্চিমা দেশগুলির হাতেই।

পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমে টক্কর দিতেই মাঠে নামছে চিন-পাকিস্তান
এবার সেই পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে টক্কর দিতেই একযোগে মাঠে নামতে চলেছে চিন-পাকিস্তান। সূত্রের খবর, দুই দেশের নিয়ন্ত্রণাধীনে খুব দ্রুত একটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া হাউস তৈরি হতে চলেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পশ্চিমাসংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি বিকল্প সংবাদমাধ্যম হিসাবে কাজ করবে এই দুই হাউস। জোর দেওয়া হবে এশিয়ার রাজ্য-রাজনীতির খুঁটিনাটির উপর।

অর্থের জোগান চিন থেকেই
সূত্রের খবর, দুই দেশ কাতারের আল-জাজিরা ও রাশিয়ার আরটি নেটওয়ার্কের আদলে একটি সংবাদসংস্থা গঠনের সম্ভাবনার বিষয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে। এই কাজের জন্য আন্তর্জাতিক মানের সাংবাদিকদের একছাতার তলায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে খবর। মূল অর্থের জোগান আসবে চিন থেকেই। এদিকে এই খবর সামনে আসতেই প্রবল চাপনৌতর শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক আঙিনায়।

কী ভাবছে আন্তর্জাতিক মহল ?
অনেকই বলছেন চিনের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক কাঠামো বর্তমানে এমন পর্যায়ে রয়েছে সেখানে মিডিয়া হাউজগুলির হাতে অর্থ থাকলেও বাক স্বাধীনতা নেই। পাকিস্তানে পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে অনুকূল হলেও তাদের হাতে অর্থ নেই। এমতাবস্থায় শুধু দুই দেশের সাংবাদিক দিয়ে কাজ চলবে না। তাই আন্তর্জাতিক মানের নিউজ এজেন্সি তৈরি করলে তাতে বৈশ্বিক রাজনীতির পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ পারাপাতনগুলিও নিজেদের আঙ্গিকে আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক সহজেই নিয়ে এসে ফেলা যাবে।

একাধিকবার ব্যর্থ হয় পাকিস্তানের পরিকল্পনা
এদিকে তুরস্ক ও মালয়েশিয়ার পাশাপাশি একটি ইংরাজী টেলিভিশন চ্যানেল শুরু করার বিষয়ে দীর্ঘদিন তেকে ভাবনা চিন্তা করছিল পাকিস্তান। এমনকী ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রেসেপ তাইয়িপ এরদোগান এবং মালয়েশিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মহম্মদের সাথে এই বিষয়ে বৈঠকও করেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। কিন্তু বারংবার তাদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

চাপ বাড়বে ভারতের উপর
ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা পাকিস্তানের প্রতি থাকা বৈশ্বিক ইসলামফোবিয়ার কারণেই পরিস্থিতি কখনওই ইসলামাবাদের বিশেষ অনুকূলে আসেনি। এদিকে আরব দুনিয়ায় দাপিয়ে কাজ করা আল-জাজিরার মতো একটি সংস্থার প্রয়োজন যে সেদেশেও রয়েছে তা দীর্ঘদিন থেকেই অনুভব করছিল চিন। এমতাবস্থায় তাদের এই যৌথ ভাবনার জল এখন কতদূর গড়ায় সেটাই দেখার। যদিও এই কাজে তারা সফল হলে ভারতের উপর যে কূটনৈতিক স্তরে চাপ বাড়বে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।












Click it and Unblock the Notifications