ক্ষমতা ধরে রাখার শেষ চেষ্টা, দলের বিদ্রোহী সাংসদদের বহিস্কারের আবেদন ইমরান
ক্ষমতা ধরে রাখার শেষ চেষ্টা, দলের বিদ্রোহী সাংসদদের বহিস্কারের আবেদন ইমরান
ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া ইমরান খান। অপসারণের আগে সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। দলের বিদ্রোহী নেতারা যাতে তাঁর বিরুদ্ধে ভোট দিতে না পারেন সেকারণে বিদ্রোহী সাংসদদে বহিষ্কারের আবেদন জানিয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। এদিকে গতকাল থেকেই বিরোধীরা ইমরান খানকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলতে শুরু করে দিয়েছেন।

ইমরান খানকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের বিরোধীরা। তাঁকে পদত্যােগর আল্টিমেটাম বেঁধে দিয়েছে বিরোধীরা। তিনি নিয়ে পদত্যাগ না করলে তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা আনবেন তাঁরা। এদিকে চাপের মধ্যেও নিজের পদ ছাড়তে নারাদ ইমরান খান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যাই হয়ে যাক তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়বেন না। বুধবার রাতেই প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, কুচক্রীদের চাপে পড়ে তিনি পদ ছাড়বেন না।
সূত্রের খরব আজই বিরোধীরা পাক সাংসদে ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করবেন। সেই প্রস্তাবে যাতে কোনও ভাবেই বিরোধীরা জিততে না পারেন সেকারণে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন ইমরান খান। দলের বিদ্রোহী সাংসদদের অপসারণের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। ইমরান খান বিদ্রোহী দলের নেতাদের সংসদ থেকে বহিষ্কারের আবেদন জানিয়েছেন। সেটা হলে ইমরান খানের বিরুদ্ধে ভোটাভুটিতে অংশ নিতে পারবেন না তাঁরা। কারণ সেসময় তাঁরা বহিষ্কৃত সাংসদ হিসেবে বিবেচিত হবেন। ইতিমধ্যেই দলের ৩০ জন সাংসদ ইমরান খানের বিরোধিতায় বিরোধীদের সঙ্গে গিয়ে হাত মিলিয়েছেন।
ইমরান খানের অপসারণের তোরজোর যখন একদিকে চলছে অন্যদিকে তেমনউ পাকিস্তানের ফের সেনা শাসনের জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর বিরোধীরা তাঁকে পদত্যাগ করতে বলার ২ দিন আগেই নাকি পাক সেনা প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ইমরান খান। সেই বৈঠকে তাঁর পদত্যাগের প্রসঙ্গটিই বড় হয়ে উঠেছিল। তার থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল ইমরান খানকে সরিয়ে ফের পাকিস্তানে সেনা শাসক কায়েম হবে। পারভেজ মুশারফের আমলে শেষবার পাকিস্তানে সেনা শাসন জারি হয়েছিল।
পাকিস্তানের ইতিহাসে নির্বাচিত সরকার কখনোই পুরো কার্যকালের মেয়াদ শেষ করতে পারেনি। নির্ধারিত সময়ের আগেই হয় তাঁদের অপসারিত হতে হয়েছে নাহলে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একমাত্র নওয়াজ শরিফ এবং ইউসুফ রাজা গিলানী দুর্নীতির অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরেছেন। বাকিদের ক্ষেত্রে অপরণের নেপথ্যে থেকেছে সেনা। ইমরান খানকে যদি অনাস্থা প্রস্তাব এনে সরাতে হয় তাহলে তিনিই হবেন পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী যাঁকে গণতান্ত্রিক পদ্ধিতেই ক্ষমতা থেকে সরানো হবে।












Click it and Unblock the Notifications