• search

১৩৭ বছরে এই প্রথম মেয়ে জন্ম নিল পরিবারে, কোথায় ঘটল এমন ঘটনা

  • By Ritesh Ghosh
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যারোলিনায় এক পরিবারে মেয়ে জন্মাতেই আনন্দে নেচে উঠল গোটা পরিবার। কারণ বিগত ১৩৭ বছরে এই প্রথম মেয়ে জন্মাল এই পরিবারে। তা জেনেই আনন্দে আত্মহারা হয়েছে গোটা পরিবার। [আরও পড়ুন : চার পা নিয়ে জন্মাল শিশু, ভারতের কোথায় ঘটল এমন বিরল ঘটনা]

    বাড়ির পাশেই হাইওয়েতে সেই খুশি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে ২৪ ফুট চওড়া বিল বোর্ডে ফলাও করে এই খবর সকলকে জানানো হয়েছে। তবে তা উইল ও তাঁর স্ত্রী কেলেন সেটল লাগাননি। সহকর্মীরা মজা করে বিল বোর্ড লাগিয়েছেন। [আরও পড়ুন : যৌন 'ফ্যান্টাসি' লিখে পরীক্ষার খাতা ভরাল দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র]

    ১৩৭ বছরে এই প্রথম মেয়ে জন্ম নিল পরিবারে, কোথায় ঘটল এমন ঘটনা

    উইল সেটল জানিয়েছেন, মেয়ে হওয়ার খবর পাওয়ার পরে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। উইল নিজে একটি বিজ্ঞাপন সংস্থায় কাজ করেন। সেখানকার বসই উইলকে জানান, রাস্তায় তাঁর জন্য দারুণ জিনিস অপেক্ষা করছে। পথে যেতেই বিলবোর্ডটি চোখে পড়ে সকলের। [আরও পড়ুন : এটিএম লুঠ করল দারোগা, কোথায় ঘটল এমন ঘটনা!]

    উইল জানিয়েছেন, এখন মেয়ে জন্মের পর অনেক বেশিক্ষণ বাড়িতে থাকছেন। বেশি কাজে বেরোচ্ছেন না। অফিসের সহকর্মী থেকে শুরু করে বস সকলেই উইলকে এজন্য বিশেষ জোর করছেন না।

    বিগত ১৩৭ বছরে কোনও প্রজন্মেই মেয়ে জন্মায়নি সেটল পরিবারে। পরের পর প্রজন্ম ধরে শুধুই ছেলে জন্মেছে। এতদিন পর যখন মেয়ে এসেছে পরিবারে তখন আর হাসি ধরছে না পরিবারের সকলের মুখে। নতুন মেয়ের নাম রাখা হয়েছে কার্টার লুইস সেটল। তাকে নিয়েই মেতে রয়েছে গোটা সেটল পরিবার।

    English summary
    A baby girl has been born into the Settle family in America for the first time in 137 years, the family has said.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more