কপ২৬: ১৯ বছরে বন রক্ষায় বিশ্বনেতাদের প্রতিশ্রুতি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ, ভারত
আগামী ১৯ বছরের মধ্যে বনাঞ্চলকে রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিতে যাচ্ছে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশ। তবে অঙ্গীকারকারী দেশের তালিকায় নেই বাংলাদেশ বা ভারতের নাম।
সারা বিশ্বের বনাঞ্চল ধ্বংস রোধ করে বনাঞ্চলের পরিধি বাড়াতে গ্লাসগোতে জলবায়ু সম্মেলনে বিশ্ব নেতারা যে প্রতিশ্রুতি দিতে যাচ্ছেন তাকে প্রাথমিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন বিজ্ঞানী এবং পরিবেশবাদীরা।
জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির একজন ঊর্ধ্বতন উপদেষ্টা চার্লস ম্যাকনিল এই ঘোষণাকে একটি শুভ সূচনা বলে বর্ণনা করেছেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব থেকে বিশ্বকে রক্ষা করতে জলবায়ু সম্মেলনে সমবেত হওয়া একশোরও বেশি দেশের নেতা আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বন ধ্বংসের প্রক্রিয়া রোধ করে নতুন বনাঞ্চল সৃষ্টির অঙ্গীকার করছেন।
আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হবে যা কিনা হতে যাচ্ছে কপ২৬ জলবায়ু সম্মেলনের প্রথম কোন বড় সমঝোতা।
আরও পড়তে পারেন:
- জলবায়ু পরিবর্তন বা ক্লাইমেট চেঞ্জের সহজ-সরল ব্যাখ্যা
- গ্লাসগোর কপ২৬ সম্মেলনে কী হবে এবং কেন এ সম্মেলন জরুরি?
- বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে: বলছে জাতিসংঘ
বন রক্ষার জন্য সরকারি ও বেসরকারি সূত্র থেকে ১৯০ কোটি ডলারের তহবিল যোগানোর প্রতিশ্রুতিও থাকছে এই চুক্তিতে।
বন রক্ষার এই অঙ্গীকারে যেসব দেশ সই করতে যাচ্ছে, তাদের মধ্যে রয়েছে ব্রাজিল এবং ইন্দোনেশিয়া।
এসব দেশে অরণ্যের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যেই কেটে উজাড় করে ফেলা হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়া থেকে বাংলাদেশ এবং ভারতের নাম স্বাক্ষরকারী দেশের তালিকায় নেই।
তবে গ্লাসগো সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের এই সমঝোতাকে স্বাগত জানালেও বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন, ২০১৪ সালে করা একই রকম একটি চুক্তির থাকার পরও বন রক্ষায় তেমন কোন সাফল্য আসেনি।
- বিশ্বে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার দিন বেড়েছে দ্বিগুণ
- সবচেয়ে বেশি কার্বন নির্গমনকারী দেশগুলো কি কথা রেখেছে?
প্রতিশ্রুতি দেয়ার চাইতে তারা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন।
পরিবেশবাদী সংস্থা গ্রিনপিসের ব্রাজিল প্রধান ক্যারোলিনা পাসকালি বলছেন, বন বিনাশ রোধের লক্ষ্যে যে সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে, তা খুবই ধীর।
এর মাধ্যমে আগামীতে আরও এক দশক ধরে বন উজাড় করার সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বৃক্ষরাজি ধ্বংসের মধ্য দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের গতি আরও ত্বরান্বিত হচ্ছে, কারণ গাছপালা বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড টেনে নেয় বলে বাতাসে কার্বন গ্যাসের ভারসাম্য রক্ষা করা সহজ হয়।
বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর:
- এবার আগেভাগেই শীত নামবে, বলছে আবহাওয়া অধিদপ্তর
- ক্যাচ মিস ছাড়াও বাংলাদেশের ভরাডুবির আরও তিনটি কারণ
- সুন্দরবনের জলদস্যুতা ছেড়ে আত্মসমর্পণকারীদের জীবন কীভাবে চলছে















Click it and Unblock the Notifications