করোনা ভাইরাস ঠেকাতে নতুন প্রযুক্তির প্রয়োগ চিনের! তৈরি ন্যানোম্যাটেরিয়াল
করোনা ভাইরাস চিকিৎসার এখনও পর্যন্ত কোনও ওষুধ বেরোয়নি। করোনা ভাইরাস চিকিত্সায় ও সংক্রমণ ঠেকাতে উন্নত দেশগুলো হিমশিম খাচ্ছে। করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক বা টীকা আবিষ্কারে প্রতিযোগিতায় নেমেছে বড় বড় ওষুধ কম্পানিগুলো। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নানা পরীক্ষা শেষে এসব টীকা কার্যকর প্রমাণ করতে আরো এক বছর বা বেশি সময় লাগতে পারে।

তৈরি ন্যানোম্যাটেরিয়াল
এই পরিস্থিতিতেই এবার চিনের তরফে দাবি করা হল যে করোনা রোধে এক নতুন ধরণের প্রযুক্তি আমদানি করেছে তারা। ওষুধ তৈরি করতে কোনও কম্পাউন্ড নয়, বরং ব্যবহার করছে একপ্রকারের ন্যানোম্যাটেরিয়াল বা ক্ষুদ্রাণু বস্তুকে।

৯৯.৯ শতাংশ ভাইরাস রোধে সমর্থ
দাবি করা হচ্ছে নতুন আবিষ্কৃত এই বস্তুর মাধ্যমে ৯৬.৫ শতাংশ থেকে ৯৯.৯ শতাংশ করোনা ভাইরাস শুষে নিয়ে রোগীকে সুস্থ করে তুলতে সক্ষম হবে। এই পুরো প্রক্রিয়ার জন্য একপ্রকারের ন্যানোম্যাটেলরিয়াল তৌরি করেছে চিনের বৈজ্ঞানিকরা। নতুন এই ন্যানোম্যাটেরিয়ালের প্রকৃতি অনেকটা এনজাইমের মতো বলে জানা যাচ্ছে।

রাশিয়াও করোনার ওষুধ আবিষ্কারের দাবি করেছে
এদিকে রাশিয়া দাবি করছে তারা করোনা রোধে কার্যকর ওষুধ বের করতে সক্ষম হয়েছে। মেলফ্লোকুইন এর ওপর ভিত্তিকরে নতুন এ ওষুধ তৈরি করা হয়েছে। মেলফ্লোকুইন ম্যালেরিয়া চিকিত্সায় ব্যবহার হয়। এই বিষয়ে রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা জানান, চিন ও ফ্রান্সের চিকিৎসকরা যে পদ্ধতিতে রোগীদের চিকিৎসা দিয়েছেন তার ওপর গবেষণা করেই নতুন এ ওষুধ উদ্ভাবন করা হয়েছে।

করোনা রোধের বর্তমান উপায়
তবে এই সব ওষুধ যতদিন না প্রমাণিত হচ্ছে, ততদিন করোনা ভাইরাস থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই করণীয়। প্রথমত, বারবাক হাত ধোয়া। অন্তত ২০ সেকেন্ড অন্তর সাবান ও জল দিয়ে পরিষ্কার করে হাত ধুতে হবে। দ্বিতীয়ত, যদি বারবার হাত ধোয়া সম্ভব নায়, তাহলে ৬০ শতাংশ অ্যালকোহল দেওয়া কোনও স্যানিটাইজার দিয়ে বার বার হাত পরিষ্কার করুন। তৃতীয়ত জনবহুল এলাকায় যাওয়া এড়িয়ে চলুন। চতুর্থত, সর্দি-কাশি, ভাইরাল জ্বর হওয়া কোনও ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।












Click it and Unblock the Notifications