বিরোধিতা সত্ত্বেও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভাসান চরে পাঠাতে শুরু করল বাংলাদেশ সরকার
২০১৬ সালে মায়ানমারের সেনার কোপের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিল ৮ লক্ষ রোহিঙ্গা। সেই সব শরণার্থীরা বর্তমানে বাংলাদেশের কক্সবাজারে থাকে। এবার সেই শরণার্থীদের ভাসান চকে পাঠিয়ে দিচ্ছে সেদেশের সরকার। যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। রাষ্ট্রসংঘও এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য, ভাসান চর এলাকাটি ঘূর্ণিঝড় প্রভাবিত এলাকা।

কক্সবাজারের ক্যাম্পে থাকা মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্য থেকে ১ লক্ষ মানুষকে ভাসান চড়ে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে আপাতত। এর দন্যে সেদেশের সরকার প্রায় ৩১০০ কোটি টাকা ব্যয় করছে। বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে বাসে ও জাহাজে করে দুই দিনের দীর্ঘ যাত্রা শেষে ১ হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গার প্রথম দলটি ইতিমধ্যেই পৌঁছেছে ভআসান চরে।
১৩ হাজার একর আয়তনের দ্বীপ ভাসানচরে সারি সারি লাল ছাউনির বাড়ি দাঁড়িয়ে এই শরণার্থীদের জন্যে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের বিরোধিতা করে আসছে; যদিও বাংলাদেশ সরকার বলছে, এই স্থানে রোহিঙ্গারা স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে নিরাপদে থাকতে পারবে। কক্সবাজারের আশ্রয়শিবিরে গাদাগাদি করে থাকার পাশাপাশি নিরাপত্তার অভাবও প্রকট হয়ে উঠেছিল।
ভাসান চরের ১৭০২ একর জমির চারপাশে উঁচু বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে জোয়ার ও জলোচ্ছাসের ঝুঁকি থেকে রক্ষার জন্য। এখানেই রোহিঙ্গাদের আবাসন ও অন্যান্য স্থাপনার জন্য ৪৩২ একর এবং ভবিষ্যতে প্রকল্পের সম্প্রসারণ ও বনায়নের কাজে ৯১৮ একর এলাকা রাখা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে রোহিঙ্গাদের জন্যে তৈরি এই শেল্টার স্টেশন ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার গতিবেগের ঘূর্ণিঝড়েও টিকে থাকতে সক্ষম।












Click it and Unblock the Notifications