মিনিয়াপোলিসে ফের গুলিতে মৃত্যু, ইমিগ্রেশন অপারেশন নিয়ে তোলপাড় আমেরিকা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসন দমন অভিযানকে ঘিরে ফের ছড়াল রক্ত। মিনিয়াপোলিসে শনিবার সকালে আমেরিকার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) বাহিনীর গুলিতে নিহত হলেন ৫১ বছরের এক ব্যক্তি। মিনেসোটা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে ও কীভাবে গুলির সূত্রপাত তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ঘটনার পরেই মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়াল্জ ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ও কড়া ভাষায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন "আরও এক ভয়াবহ ঘটনা। মিনেসোটা আর সহ্য করতে পারছে না। প্রেসিডেন্টকে এই অভিযান বন্ধ করতেই হবে। হাজার হাজার অনভিজ্ঞ ও সহিংস অফিসারদের এখান থেকে সরানো হোক।"

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের মুখপাত্র জানান, পরিস্থিতি "এখনও উন্নয়নশীল" নিহতের কাছ থেকে একটি অস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি, যদিও তার ব্যবহারের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। চলতি মাসের শুরু থেকেই টুইন সিটিজ অঞ্চল উত্তপ্ত। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ৩৭ বছরের এক মহিলাকে গুলি করে হত্যা করেছিল আইসিই বাহিনী। সেই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই পথে নেমে আসে হাজার মানুষ। নিহত রেনে নিকোল ম্যাকলিন গুড কে ঘিরে তৈরি হয় মানবিক আবেগ, তিনি ছিলেন লেখক, কবি, স্ত্রী ও ছয় বছরের সন্তানের মা।
ফেডারেল প্রশাসনের দাবি, ওই মহিলা গাড়ি চালিয়ে আইসিই অফিসারদের আঘাত করতে চেয়েছিলেন, আত্মরক্ষার জন্যই গুলি চালানো হয়। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিক গোষ্ঠী দাবিটি মানতে নারাজ। মিনিয়াপোলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রেই স্পষ্ট বলেন, ভিডিও পর্যালোচনায় গুলি চালানোর কোনও প্রয়োজনীয়তা দেখা যায়নি। তাঁর অভিযোগ দুই হাজারের বেশি ফেডারেল অফিসার শহরজুড়ে মোতায়েন, ফলে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি বাড়ছে, পরিবার ভেঙে যাচ্ছে, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে প্রশাসনের বিশ্বাসহানি ঘটছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে জোরদার করা অভিবাসন অভিযান ইতিমধ্যেই দেশে বিতর্কের কেন্দ্রে। মানবাধিকার লঙ্ঘন, জাতিগত বৈষম্য, অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ এই অভিযোগগুলো দীর্ঘদিনের। জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর শহর মিনিয়াপোলিসে ঘটতে থাকা এসব ঘটনা বিশেষ সংবেদনশীল মাত্রা তৈরি করেছে।
এদিকে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির বক্তব্য অভিযানে যুক্ত অফিসাররা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, ও শৃঙ্খলাভঙ্গ হলে তদন্ত হবে। তবে সমালোচকদের দাবি দ্রুত মোতায়েন ও সংখ্যায় অতিরিক্ত ফেডারেল বাহিনীই সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
দু'সপ্তাহে দুই মৃত্যুর পর এখন প্রশ্ন অভিযান চলবে না বন্ধ হবে? গভর্নর ও স্থানীয় প্রশাসনের চাপ, রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের দাবি ও ফেডারেল সরকারের অবস্থানের মধ্যে তৈরি হয়েছে স্পষ্ট সংঘাত। মানুষের আতঙ্ক, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি এই তিনের জটের মধ্যে মার্কিন অভিবাসন নীতি আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে।
-
বিশ্বখ্যাত আইটি সংস্থায় একলপ্তে ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাই, ভারতে কাজ গেল ১২ হাজার জনের -
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
কেন্দ্রের তরফে আমলাদের রদবদল, প্রায় তিন ডজন শীর্ষ আধিকারিকের নতুন দায়িত্ব ঘোষণা -
ইরান নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা, কী ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
কালবৈশাখীর দাপট অব্যাহত! বৃষ্টির সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়ছে গরম, কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া? জানুন -
২৯৪ আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করল কংগ্রেস, শ্রীরামপুরে লড়ছেন শুভঙ্কর সরকার -
এবার একটা বড় খেলা হবে, নানুরে মন্তব্য মমতার -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই ফের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করলেন নরেন্দ্র মোদী, কী নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী? -
NASA-র বড় পরিকল্পনা! ৫০ বছর পর ফের চাঁদের পথে মানুষ, কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই নতুন মিশন? জানুন -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি












Click it and Unblock the Notifications