২৪ ঘন্টার মধ্যে ইরানে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা! মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তি সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা ক্রমশ ঘনিয়ে আসছে। ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে তীব্র উত্তেজনার আবহে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক সামরিক ঘাঁটি থেকে নিজেদের কিছু কিছু সেনা এবং কর্মী সরিয়ে নিতে শুরু করেছে আমেরিকা। গতকাল এক মার্কিন আধিকারিক জানিয়েছিলেন যে, বাড়তে থাকা আঞ্চলিক উত্তেজনার কথা মাথায় রেখেই এই সতর্কতামূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগেও ইরানের এক শীর্ষ সরকারি কর্তা দাবি করেছিলেন যে, আমেরিকা যদি ইরানের ওপর হামলা চালায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হানা হবে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং তুরস্ক-সহ একাধিক প্রতিবেশী দেশকে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
আর এই মুহূর্তে ইরান কার্যত অগ্নিগর্ভ। গত দু'সপ্তাহ ধরে চলতে থাকা সরকার-বিরোধী আন্দোলন ক্রমশ হিংসাত্মক রূপ নিয়েছে। অর্থনৈতিক সমস্যা থেকে শুরু হয়ে এই বিক্ষোভ এখন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরান সরকার আন্দোলন দমনের জন্যে কড়া পদক্ষেপ নিলেও পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি যে, এখনও পর্যন্ত বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের কারণে নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ৫৭ জন ছাড়িয়ে গিয়েছে।
আর এই আবহেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার ইরানের বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। যদিও হোয়াইট হাউস সূত্রে ইঙ্গিত যে, আমেরিকা আপাতত পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরানে হত্যাকাণ্ড কমেছে এবং বড় মাপের ফাঁসির কোনও পরিকল্পনা এখন নেই। যদিও ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি (Abbas Araghchi)-ও স্পষ্ট করেছেন যে, ফাঁসি দেওয়ার কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে আবার, কূটনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। ইউরোপের দুই আধিকারিক জানিয়েছেন যে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। কাতারের আল উদেইদ (Al Udeid) ঘাঁটি থেকে কিছু মার্কিন সেনা এবং কর্মীও সরানো হয়েছে। ব্রিটেনও কাতারে থাকা নিজেদের ঘাঁটি থেকে কিছু কর্মী প্রত্যাহার করছে বলে জানা গিয়েছে।
ইরান অবশ্য সরাসরি আমেরিকা এবং ইজরায়েলের দিকেই আঙুল তুলেছে। তেহরানের অভিযোগ যে, বিদেশি শক্তির মদতেই এই অশান্তি ছড়ানো হয়েছে। তবে পশ্চিমি কূটনীতিকদের মতে, এত বড় বিক্ষোভ হওয়ার সত্ত্বেও এখনই ইরান সরকারের কোনোরকম পতনের সম্ভাবনা নেই। এখনও সেনা এবং নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যে কোনও মুহূর্তে বড় সংঘাত শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কায় রয়েছে আন্তর্জাতিক মহল। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।
-
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
বিশ্বখ্যাত আইটি সংস্থায় একলপ্তে ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাই, ভারতে কাজ গেল ১২ হাজার জনের -
এবার একটা বড় খেলা হবে, নানুরে মন্তব্য মমতার -
কালবৈশাখীর দাপট অব্যাহত! বৃষ্টির সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়ছে গরম, কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া? জানুন -
মমতা বনাম শুভেন্দু লড়াইয়ে যোগ শাহের, ভবানীপুরে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর -
কেন্দ্রের তরফে আমলাদের রদবদল, প্রায় তিন ডজন শীর্ষ আধিকারিকের নতুন দায়িত্ব ঘোষণা -
বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনে ফের ব্যর্থ ইতালি, এই প্রথম কোনও চ্যাম্পিয়ন দল ফুটবলের সেরা আসরে নেই টানা তিনবার -
বাণিজ্যিক গ্যাসে ফের মূল্যবৃদ্ধি, শহর ভেদে বাড়ল সিলিন্ডারের দাম -
NASA-র বড় পরিকল্পনা! ৫০ বছর পর ফের চাঁদের পথে মানুষ, কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই নতুন মিশন? জানুন -
বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিল ব্রাজিল, জয় ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কেউ নাম বাদের ভয়ে ভীত, কেউ চাইছেন এবারের 'গুরুত্বপূর্ণ' ভোটে অবদান রাখতে, নির্বাচনের আগে পরিযায়ী শ্রমিকরা যেকরেই হোক ফিরছেন বাংলায়











Click it and Unblock the Notifications