Abuja: প্রতিবাদের মাশুল! ২৯ জন কিশোর-কিশোরীর মৃত্যুদণ্ড সময়ের অপেক্ষা?
Abuja: প্রতিবাদের মাশুল দিতে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে ২৯ জন কিশোর-কিশোরীর। কারও বয়স ১৪, কারও বয়স ১৭। দেশের জীবনযাত্রায় ব্যয়-সঙ্কট নিয়ে আন্দোলনে নেমেছিলেন তাঁরা। এটাই ছিল তাঁদের অপরাধ। তাই সাজাস্বরূপ দেওয়া হতে পারে মৃত্যুদণ্ড। নাইজেরিয়ার আদালতে (Abuja) চলছে তাদের বিচার।
দেশ জুড়ে মূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক সমস্যা তৈরি হয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই। কস্ট অফ লিভিং বা ব্যয়-সঙ্কটের সমস্যাও বাড়ছে দিনে দিনে। অর্থাৎ আয়ের সঙ্গে মূল্যবৃদ্ধির সামঞ্জস্য না থাকায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

ছবি সৌজন্য- পিটিআই
এই ইস্যুতেই গত শুক্রবার ৭৬ জন প্রতিবাদে পথে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে সম্পত্তি নষ্ট সহ একাধিক অভিযোগ ওঠে।যে কিশোর-কিশোরীদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের বয়স ১৪ থেকে ১৭। আদালতে পেশ করার সময় তাদের মধ্যে কয়েকজন জ্ঞানও হারায়।
এই প্রতিবাদের সুর অনেকদিন ধরেই চড়ছে। গত অগস্ট মাসে অন্তত ২০ জনকে গুলিবিদ্ধ হতে হয় এই প্রতিবাদে নেমে। আহত হন শতাধিক। মূলত কর্মসংস্থান সহ একাধিক দাবি নিয়ে চলছে এই আন্দোলন।
উল্লেখ্য, ১৯৭০ সালে নাইজেরিয়ায় অপ্রাপ্তবয়স্কদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিষয়টি আইনভুক্ত হয়। তবে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সেই সাজা দেওয়া হয়নি কাউকে।
আবুজার এক আইনজীবী আকিনতাও বালোগুন জানিয়েছেন, এই শিশু অধিকার আইন বলে, শিশুদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যায় না। তাই হাইকোর্টে শিশুদের পেশ করা যায় না। তবে শাস্তি তখনই দেওয়া যাবে, যদি আদালত প্রমাণ করতে পারে যে অভিযুক্তদের বয়স ১৯-এর উপরে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, আদালত ১০ মিলিয়ন দিয়ে জামিন নেওয়ার শর্ত দিয়েছে, এছাড়াও এমন কিছু শর্ত দিয়েছে, যা মানা অসম্ভব। এক সংগঠনের কর্ত্রী ইয়েমি আদামোলেকুন বলেন, হাইকোর্টের বিচারপতির লজ্জা হওয়া দরকার। তিনি নিজে একজন মহিলা এবং একজন মা।
উল্লেখ্য, আফ্রিকার ক্রুড অয়েলের অন্যতম উৎস হওয়া সত্ত্বেও নাইজেরিয়া এখনও বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ। বারবার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎসকরাও প্রতিবাদে পথে নেমেছেন একাধিকবার। এত অভাব সত্ত্বেও সে দেশে একাংশের মানুষ বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন।












Click it and Unblock the Notifications