অপরাধ বরদাস্ত নয়, আতিক আহমেদকাণ্ডে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ যোগী সরকারের
মাফিয়া রাজ থেকে বেরিয়ে এসে রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন আতিক আহমেদ এবং তাঁর ভাই আশরফ। গতকাল প্রকাশ্যে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
উত্তর প্রদেশে মাফিয়ারাজ দমনে মরিয়া যোগী আদিত্যনাথ সরকার। তারমধ্যেও একের পর এক এনরকাউন্টার এবং খুনের ঘটনা ঘটে চলেছে। গতকাল একেবারে নজির বিহীনভাবেই খুন করা হয়েছে আতিক আহমেদ এবং তাঁর ভাইকে। একসময় মাফিয়া রাজ চালালেও এখন তাঁরা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সাংবাদ মাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখার সময়ই তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

সূত্রের খবর আতিক আহমেদের উপর গুলি চালানোর সময় শোনা গিয়েছিল জয় শ্রীরাম ধ্বনি। তারপরেই ১০ থেকে ১২ রাউন্ড গুলি চলে। একপ্রকার গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছিল আতিক আহমেদ এবং তাঁর ভাই আশরাফ আহমেদকে। এই ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা উত্তর প্রদেশে। প্রয়াগরাজ জুড়ে জারি করা হয়েছে হাই এলার্ট।

গতকাল রাতেই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডেকেছিলেন যোগী আদিত্যনাথ। তারপরেই পুলিশ আধিকারীকদের কড়া নির্দেশ দেন তিনি। সেই সঙ্গে একটি তদন্তকারী কমিশনও তৈরি করে দিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ। তাতে তিন সদস্যের বিচারবিভাগীয় প্রতিনিধি রয়েছেন। তাঁরা পুরো ঘটনার তদন্তের উপর নজরদারি চালাবে।

দুদিন আগেই আতিক আহমেদের গ্যাংস্টার ছেলেকে এনকাউন্টারে হত্যা করা হয়েছে। উত্তর প্রদেশের ঝাঁসিতে লুকিয়ে থাকা আতিক আহমেদের ছেলে আসাদকে এনকাউন্টারে হত্যা করেছে পুলিশ। সেই নিয়েও পুলিশ আধিকারীকদের কাছে জবাব তলব করেন যোগী আদিত্যনাথ। তারপরের দিনেই আতিক আহমেদকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর প্রদেশে।
২০০৫ সালে বিএসপি বিধায়র রাজু পাল হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আতিক আহমেদ। সেই সঙ্গে চলতি বছরে ফেব্রুয়ারি মাসে উমেল পাল হত্যাকাণ্ডেও নাম জড়িয়েছিল আতিক আহমেদের। সেই ঘটনার পর যোগী আদিত্যনাথ কড়া নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন কোনও ভাবেই অপরাধীদের রেয়াত করা হবে না। তাঁদের যোগ্য শাস্তি দেওয়া হবে। তারপরেই আতিক আহমেদ এবং তাঁর ভাইকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে।












Click it and Unblock the Notifications