'অন্যের ঘরে বাসন মাজারও কাজ করেছেন', মা'কে নিয়ে আরও কী লিখেছিলেন ছেলে মোদী
'অন্যের ঘরে বাসন মাজারও কাজ করেছেন', মা'কে নিয়ে আরও কী লিখেছিলেন ছেলে মোদী
মা শুধুই বাচ্চার জন্ম দেন না! পাশাপাশি বুদ্ধি, ব্যক্তিত্ব এবং আত্মবিশ্বাসকেও বাড়াতে সাহায্য করে। আমার জীবনে ও চরিত্রে যা কিছু ভালো, তাঁর কৃতিত্ব আমার মাকে যায়! আর তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই... এহেন লাইন মা'কে নিয়ে লিখেছিলেন ছেলে নরেন্দ্র মোদী। হীরাবেনের শর্তবর্ষে ১৮ জুন, ২০২২ সালে একটি ব্লগ লিখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আর সেখানেই এই বার্তা লিখেছিলেন তিনি। যদিও আজ হীরাবেন নেই! কিন্তু ছেলে নরেন্দ্র'র সেই ব্লগ রয়েছে এখনও। মা হীরাবেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে যুক্ত এমন কিছু গল্প এই প্রতিবেদনে আলোচনা করা হল-

সকাল ৪টের সময় ওঠা এবং নিজে হাতে সব কাজ করা
ব্লগে মোদী লিখছেন, আমার বাবা সকাল চারটের সময়ে কাজে বেরিয়ে যেতেন। তাঁর ছোট চায়ের দোকান খোলার আগে অবশ্যই একটি মন্দিরে যেতেন। সেখানে প্রণাম না করে কখনই দোকান খুলতেন না বলে লিখছেন প্রধানমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, তিনি ব্লগে আরও লিখছেন, মা ছিলেন সমান সময়নিষ্ঠ। উনিও বাবার সঙ্গে উঠতেন। সকালের মধ্যেই একাধিক কাজ সেরে ফেলতেন। আনাজ কাটা থেকে শুরু করে ডাল রান্না পর্যন্ত মায়ের বিরাম ছিল না। উনি কখনই আমাদের থেকে সাহায্য চাইতেন না। কিন্তু সবসময়ে আমার মনে হতো অনাকে সাহায্য করি। বাড়ি থেকে সব নোংরা কাপড় নিয়ে পুকুরে ধুয়ে দিতাম। জামাকাপড় ধোয়া আর খেলা, দুটোই হতো একসাথে।

সমস্ত পরিস্থিতি সহনশীল
সংসারের খরচ চালাতে মা কিছু ঘরে কাজ করতেন। অতিরিক্ত উপার্জনের জন্য তিনি চরকা চালাতেন এবং সুতা কাটতেন। ব্লগে লিখছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি আরও বলছেন, মা অন্যের উপর নির্ভর করা বা অন্যকে তার কাজ করার জন্য অনুরোধ করা পছন্দ করতেন না। বর্ষার সময়ে আমাদের ঘরে থাকা সমস্যার হতো। ছাদের ফুটো থেকে জল ঘরে পড়ত! আর মা সেই জল ধরে রাখতে বাসন রেখে দিতেন। এমন পরিস্থিতি সবসময়ে মা সহনশীল ছিলেন বলে ব্লগে উল্লেখ প্রধানমন্ত্রীর। ধরে রাখা জল বেশ কিছুদিন পর্যন্ত রেখে দিতেন এবং তা ব্যবহার করতেন। জল সংরক্ষণে এর থেকে বড় উদাহারণ আর কি হতে পারে...।

১৮ ঘন্টা কাজ করার ক্ষমতা মায়ের কাছ থেকে পেয়েছেন
ব্লগে প্রধানমন্ত্রী লিখছেন, আবার বাবা প্রচন্ড পরিশ্রম করতেন। মাও গোটা দিন কাজ করতেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দিনে ১৮ ঘন্টা কাজ করে থাকেন। আর এই কাজ করার অনুপ্রেরণা তাঁর মায়ের কাছ থেকেই পেয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। অন্যদিকে মা পড়াশুনা জানতেন না... কিন্তু আমার বাবা দামোদর মোদী প্রত্যেকদিন ধার্মিক বই পড়ে শোনাতেন। শিবরাত্রী-শ্রাবণ মাসে মন্দিরে যেতেন। প্রত্যেক সফল পুরুষের পিছনে থাকে একজন মহিলা। আর নরেন্দ্রের জীবনে সেই মহিলা তাঁর মা। সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন, পরিশ্রম করেছেন, কখনো টাকা ধার করেননি এবং শিশুদের এমন শিক্ষা দিয়েছেন, যাতে তারা স্বাবলম্বী হয়।

পাঁচ কিংবা ১ টাকা! পরিবার চালাতে জানতেন
ব্লগে মোদী আরও লিখছেন, আমাদের বড় ভাই যখন বাইরে থেকে কারো দেওয়া কিছু নিয়ে আসতেন, তখন মা তাকে ধমক দিয়ে সেই জিনিস ফিরিয়ে দিতে পাঠাতেন। মায়ের মধ্যে একটা সততার গুণাবলী ছিল! যা তিনি তাঁর সন্তানদের মধ্যে দিয়েছিলেন। মা হীরাবেন অস্ত্র ব্যবস্থাতে মজবুত ছিলেন। খরচের জন্য পাঁচ টাকাই হোক বা এক টাকা, সে জানত কীভাবে সংসারের খরচ চালাতে হয়। কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে সংসার চালাতে হয় তা তিনি জানতেন বলে দাবি করা হয়েছে ওই ব্লগে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর মাকে নিয়ে ব্লগে একাধিক আরও বিষয় তুলে ধরেছেন।
-
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ চরমে, গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি মার্কিন যুদ্ধবিমানে হামলা, নিখোঁজ চালক -
অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা বহরমপুরে, কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ -
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই মাথায় হাত শাহবাজ শরিফের, এপ্রিলেই আমিরশাহীকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ শোধ দিচ্ছে পাকিস্তান -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
জ্বালানি সংকট! বাংলাদেশে অফিস ও দোকানের সময় কমানোর পাশাপাশি বিয়ের আলোকসজ্জাতেও বিধিনিষেধ -
বামফ্রন্টের ইস্তেহার প্রকাশ! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, প্রতি পরিবারে স্থায়ী চাকরি সহ একাধিক প্রতিশ্রুতির ঘোষণা বিমান বসুর -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায়











Click it and Unblock the Notifications