হু হু করে বাড়ছে অজয় নদের জলস্তর, বাড়ছে বিপদের শঙ্কা! মমতার দিকে চেয়ে গোটা গ্রাম
কাঁকসার শিবপুর থেকে বীরভূমের জয়দেব যাওয়ার যোগাযোগের একটি মাধ্যম হলো অজয় নদের উপর অস্থায়ী সেতু। বালি মাটি দিয়ে তৈরি সেই সেতু প্রতি বছর বর্ষার সময় অজয় নদের জলে ভেসে যায়। অস্থায়ী সেতু ভেসে যেতেই সমস্যায় পড়তে হয় এলাকার মানুষকে।
দুই জেলার মধ্যে সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে পড়ে। পরে অজয় নদে জলস্তর বেড়ে যাওয়ার ফলে দুই জেলার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য বীরভূম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানুষের যাতায়াতের ব্যবস্থার জন্য নৌকার ব্যবস্থা করা হয়। সাধারণ মানুষের এই সমস্যার কথা শুনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্থায়ী ভাবে ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেন।

সেই মত দ্রুততার সাথে শুরু হয় ব্রিজ নির্মাণের কাজ। সেই ব্রিজ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। শীঘ্রই সেই ব্রিজ সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। যদিও গত কয়েকদিন ধরে নিম্নচাপের ফলে বিহার ও ঝাড়খন্ডে বৃষ্টির ফলে অজয় নদের জলস্তর বাড়ায় কাঁকসার শিবপুর থেকে জয়দেব যাওয়ার অস্থায়ী সেতু প্রতি বছরের মত ভেসে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
ওই সেতুর বেশ কয়েক জায়গায় মাটি ছেড়ে গিয়েছে। ফলে এক প্রকার ঝুঁকি নিয়েই চলছে ভারী যান চলাচল। হটাৎ করে সেতু জলের তোড়ে ভেসে গেলে সমস্যায় পড়তে হবে দুই জেলার মানুষকে। সেই আতঙ্কেই ভুগছেন দুই জেলার মানুষ।
কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভবানী ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন,এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
দুই জেলার প্রশাসন যথেষ্ট সতর্ক রয়েছে।বিপদ বুঝলেই ওই সেতু দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।যদিও ওই অস্থায়ী সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ বীরভূম জেলা প্রশাসন করে।তবে পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসনও এই বিষয়ে নজরদারি রাখে সর্বদা।তবে স্থায়ী ব্রিজ দিয়ে যান বহন চলাচল শুরু হয়ে গেলে এই বিষয় নিয়ে আর কোনো চিন্তা থাকবে না.
এই বিষয়ে মঙ্গলবার বিকালে কাঁকসা থানার মলানদীঘি ফাঁড়িতে প্রশাসনিক একটি বৈঠক করা হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।অন্যদিকে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার জানিয়েছেন,দ্রুত স্থায়ী ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত শুরু হয়ে যাবে।মুখ্যমন্ত্রীর চেষ্টায় দুই জেলার একটা বড় সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications