Uttarkashi Tunnel Collapse: তৈরি অ্যাম্বুলেন্স-চিনুক কপ্টার,সুড়ঙ্গে নিয়ে যাওয়া হল স্টেচার-অক্সিজেন
প্রায় শেষ পর্যায়ে উদ্ধারকাজ। টানেলের পাইপ তৈরি। এবার ধাপে ধাপে শ্রমিকদের বের করে আনার পালা। ইতিমধ্যেই টানেলের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ৪১টি অ্যাম্বুলেন্স। তৈরি রাখা হয়েছে অক্সিজেন সিলিন্টার। সরু পাইপের মধ্যে দিয়ে স্টেচারে করে বের করে আনা হবে তাঁদের।
ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি। রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভিকে সিং। প্রধানমন্ত্রীর প্রাক্তন উপদেষ্টা রয়েছেন েসখানে। টানেলে আটকে থাকা ৪১ জন শ্রমিকের পরিবারকেও নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেখানে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে সবরকম লইফ সাপোর্ট সিস্টেম।

বিশেষজ্ঞরা জানিেয়ছেন ১৭দিন যেহেতু শ্রমিকরা আইসোলেশনের মধ্যে রয়েছেন সেহেতু সেখান থেকে বেরিয়ে আসার পর তাঁদের নানা রকম প্রতিক্রিয়া হতে পারে। কারণ তাঁরা এতোদিন একটা মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন। সেকারণে আগে থেকেই চিকিৎসকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এমনকী লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমও তৈরি রাখা হয়েছে। বায়ুসেনার চিনুক কপ্টারকে তৈরি রাখা হয়েছে। তাতে করে প্রয়োজনে শ্রমিকদের এয়ারলিফট করে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। সেকারণে সবরকম প্রস্তুতি সেরে রাখা হয়েছে। পরিবারের লোকেরা অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন।
ইতিমধ্যেই সুড়ঙ্গের ভেতরে পাইপ দিয়ে ঢুকে দেখেছেন এনডিআরএফের কর্মীরা। স্ট্রেচারে করে তাঁদের একে একে বের করে আনা হবে। এক একজকে বের করতে তিন থেকে চার মিনিট সময় লাগবে। কাছেই একবার বের করা শুরু হয়েগেলে ৩ থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগবে। এদিকে অন্ধকার নামতে শুরু করেছে উত্তরাখণ্ডে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ঠান্ডাও। সেকারণে শ্রমিকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে কাজ করা হচ্ছে। কোনও রকম তাড়াহুড়ো না করে কাজ করতে চাইছেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications