Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ফেব্রুয়ারিতে লাগু হতে চলেছে CAA! কিন্তু কেন এতদিন আটকে ছিল সিএএ প্রণয়ন?

প্রায় সাড়ে চার বছর আগে সংসদে পাশ হওয়ার পর থেকে অকার্যকর রয়ে গিয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯। নিয়ম বা আইন তৈরি করতে গত সেপ্টেম্বর নাগাদ অষ্টমবারের এক্সটেনশন পায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতেই এর নিয়ম লাগু করা হবে। পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে আসা অ-মুসলিমদের দ্রুত নাগরিকত্ব দিতে এই আইন তৈরি করা হয়।

নিয়ম বা আইন তৈরি করতে বারে বারে এক্সটেনশন পেয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কিন্তু সিএএ বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় নিয়মগুলি সম্পর্কে এখনও কিছুই জানা যায়নি। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সিএএ-তে কোনও আবেদনকারী, তাঁর মোবাইল ফোন থেকেও আবেদন করতে পারবেন। অর্থাৎ সিএএ প্রক্রিয়াটিকে অনলাইনই রাখার লক্ষ্য নিয়ে এগনো হচ্ছে।

কেন এতদিন আটকে ছিল সিএএ প্রণয়ন?

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি আধিকারিককে উদ্ধৃত করে পিটিআই জানিয়েছেন, কোনও আবেদনকারীকে ভ্রমণের নথি ছাড়াই ভারতে ঢোকার বছর ঘোষণা করতে হবে। এক্ষেত্রে আবেদনকারীর কাছ থেকে কোনও নথি চাওয়া হবে না। সিএএ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির অধিকাংশ এলাকাকে। তবে সিএএ বাস্তবায়নে দেরি হওয়ার পিছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে।

সিএএ নিয়ে প্রাথমিক বিরোধিতা ও বিক্ষোভ এর বাস্তবায়ন না হওয়ার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও ত্রিপুরার মতো রাজ্যে। এইসব রাজ্যগুলিতে জনসংখ্যাগত পরিবর্তন সিএএ নিয়ে প্রতিরোধকে উসকে দিয়েছিল।

সিএএ আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল। সুপ্রিম কোর্টে এর বৈধতা নিয়ে আবেদন করা হয়েছিল। সিএএ-র বিরোধিতাকারীরা বলেছিলেন এই আইনটি বৈষম্যমূলক। কারণ সেখানে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ও তিব্বতী বৌদ্ধদের মতো বেশ কিছু গোষ্ঠীকে বাদ দিয়েছে।

তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারে বারে সিএএ লাগু করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, এর বাস্তবায়নে রেউ বাধা দিতে পারবে না। সেই পরিস্থিতিতে সরকার বিধি প্রণয়ন করতে, সাধারণের উদ্বেগ দূর করতে এবং নাগরিকত্ব প্রদানের প্রক্রিয়াকে সহজতর করতে একাধিক এক্সটেনশন নিয়েছে।

বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের পরে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই আইন বাস্তবায়নের সময়সীমা দিয়েছেন। ফলে সিএএ কার্যকর হওয়ার এবং বাস্তুচ্যুত মানুষদের তাদের দীর্ঘদিনের লালিত অধিকার বাস্তবায়নের আলো দেখা যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আইনটি ২০১৯-এর ১১ ডিসেম্বর পাশ করানো হয়েছিল। সেই বছরের ১২ ডিসেম্বর তা রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেয়েও যায়। সেই সময় সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল আইনটি ২০২০-র ১০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হবে। সংসদীয় কাজের ম্যানুয়ালে উল্লেখ রয়েছে যদি কোনও মন্ত্রক আইন পাশ করানোর পরে ছয় মাসের মধ্যে আইন প্রণয়নের নিয়ম তৈরি করতে না পারে, তাহলে অধস্তন আইন সংক্রান্ত কমিটির কাছে সময় বাড়াতে অনুরোধ করতে পারে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+