তেলাঙ্গানায় গণধর্ষণস্থলের কাছে ৪ অভিযুক্তের এনকাউন্টার!ঘটনা পুনর্নিমাণে কেন বেছে নেওয়া হল 'ভোররাত'
তেলাঙ্গানার সামসাবাদের ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়ক। এই সেই জায়গা যেখানে বীভৎস পাশবিক অত্যাচার চালানো হয় ২৬ বছরের তরুণী পশু চিকিৎসকের ওপর। নারকীয় গণধর্ষণের পর ২৭ নভেম্বরের রাতে তাঁকে জীবন্ত জ্বালিয়ে খুন করে ৪ অভিযুক্ত। আর ৬ ডিসেম্বর সেই একই জায়গায় ভোররাতের এনকাউন্টারে নিকেশ করা হয় ওই ৪ জনকে। ঘটনা নিয়ে উঠতে আসছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

কী ঘটেছে ৬ ডিসেম্বর?
৬ ডিসেম্বর ভোররাতে তেলাঙ্গানা পুলিশ ৪ অভিযুক্তকে নিয়ে তেলাঙ্গানার সামসাবাদের সেই জায়গায় পৌঁছয় যেখানে ২৭ নভেম্বর রাতে হয় নারকীয় গণধর্ষণ। ভোরে অভিযুক্তদের নিয়ে গিয়ে নিয়মমাফিক ঘটনার পুনর্নিমাণের প্রক্রিয়া শুরু করে পুলিশ।
|
এনকাউন্টার কেন করতে বাধ্য হয় পুলিশ?
যখন ঘটনার পুননির্মাণ করার দিকে এগোচ্ছিল পুলিশ, তখন আচমকাই পুলিশের অস্ত্র কেড়ে সেখান থেকে পালাবার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। মুহূর্তে পুলিশ তাদের রোখবার চেষ্টা করে। পুলিশের নির্দেশ না শোনায় ৪ জনকে এনকাউন্টার করতে বাধ্য হয় তেলাঙ্গানা পুলিশ। এমনই দাবি সরকারি সূত্রের।

কেন বেছে নেওয়া হল ভোররাতের আধো অন্ধকারকে?
তেলাঙ্গানা ধর্ষণকাণ্ডের পুননির্মাণের জন্য কেন ভোররাতেই পুলিশ সামসাবাদের ঘটনাস্থহলে ৪ অভিযুক্তকে নিয়ে গেল? কেন সকালের দিকে তাদের সেখানে নেওয়া হল না? এমন প্রশ্ন বহু মহল থেকেই উঠতে শুরু করে দিয়েছে। জার জবাবে সূত্রের দাবি, রাজ্য জুড়ে ক্রমাগত অভিযুক্তদের সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি উঠছিল। আর সেই দাবি ঘিরে পুলিশ অভিযুক্তদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত ছিল। সকালের দিকে ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল তেলাঙ্গানা প্রশাসনের। কারণ আপাতত অভিযুক্তরা বিচারাধীন ও তাদের দায়িত্ব প্রশাসনের হাতে ছিল। তাই ভোররাতে জনসমাগম বেশি হবেনা ভেবেই সেই সময়কে বেছে নেওয়া হয় বন্দিদের নিরাপত্তার খাতিরে বলে সূত্রের দাবি।

১০ দিনের মাথায় এনকাউন্টার
হায়দরাবাদের ৪৪ নং জাতীয় সড়কের যেখানে তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়েছে ঠিক সেখানেই গণধর্ষণে অভিযুক্ত ৪ যুবকের এনকাউন্টার হয়ে যায়। মূল ঘটনার ১০ দিনের মাথায় এমন এনকাউন্টার নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য তেলাঙ্গানা জুড়ে।












Click it and Unblock the Notifications