ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

অমানবিক! বৃদ্ধা মাকে ব্যাপক মারধর 'শিক্ষক' ছেলের, তার ফল যা হল

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    প্যারালাইসিসের শিকার মা। আর ৮২ বছরের অসুস্থ বৃদ্ধা মায়ের ওপর চলল অত্যাচার। কে মারল ? এ প্রশ্নের উত্তর আরও বেশি মর্মান্তিক। নিজের গর্ভে ধারণ করা ছেলের হাতেই শেষ বয়সে মারধর খেতে হল এই মাকে। না! ছেলে অশিক্ষিত নয়। পেশাগতভাবে সে শিক্ষক!

    অমানবিক! বৃদ্ধা মাকে ব্যাপক মারধর 'শিক্ষক' ছেলের, তার ফল যা হল

    রাজস্থানের আলওয়াড়ের ছেলে যোগেন্দ্রর হাতে মায়ের মারধর খাওয়ার এই মর্মান্তিক ঘটনা স্তম্ভিত করেছে অনেককেই। আর ছেলের হাতের চড় থাপ্পড়, ঘুষি খেয়ে অসুস্থ মা আর 'যন্ত্রণা' সহ্য করেত পারেননি। মারা গিয়েছেন তিনি। 'শিক্ষক' যোগেন্দ্রর এই পৈশাচিক কাণ্ড তার ভাগ্নে ভিডিও রেকর্ড করে নেয় সেই সময়। আর সেই ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এদিকে, নৃশংস এই ঘটনার দায়ে পুলিশ যোগেন্দ্রকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে গোটা ঘটনায় তারা তদন্ত করছে।

    ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, প্যারালাইসিসের শিকার মাকে নিজে ধরে এনে নিয়ে যেতে যেতে মারধর করতে শুরু করে ছেলে যোগেন্দ্র। প্রসঙ্গত, এই ঘটনা মনে করিয়ে দেয় রাজস্থানেরই আরেক মর্মান্তিক 'হত্যাকাণ্ডের 'কথা। সেখানে এক অধ্যাপক অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে ছাদে নিয়ে গিয়ে ঠেলে ফেলে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। যে ঘটনায় বৃদ্ধা মা মারা যান।

    ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, প্যারালাইসিসের শিকার মাকে নিজে ধরে এনে নিয়ে যেতে যেতে মারধর করতে শুরু করে ছেলে যোগেন্দ্র। প্রসঙ্গত, এই ঘটনা মনে করিয়ে দেয় রাজস্থানেরই আরেক মর্মান্তিক 'হত্যাকাণ্ডের 'কথা। সেখানে এক অধ্যাপক অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে ছাদে নিয়ে গিয়ে ঠেলে ফেলে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। যে ঘটনায় বৃদ্ধা মা মারা যান।

    English summary
    #Rajasthan: Teacher thrashed his 82-year-old paralytic mother in Alwar's Shahjahanpur, incident captured on camera by man's nephew; woman died soon after. Police say, 'Went to man's house but he was not there. It is being said that video is of 18 Jan, investigation is underway.'

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more