Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

NEET-UG Exam: মোদীর রাজ্যে টাকার বিনিময়ে নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের সমাধান, আটক শিক্ষক সহ আরও দুই

পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষা‌ দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূল সরকারকে বার বার আক্রমণ করে বিজেপি শিবির। এবার খোদ নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহের রাজ্যেই শিক্ষাক্ষেত্রে বেনিয়মের বিতর্ক দেখা দিল। টাকার বিনিয়মে নেট পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল খোদ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে তো‌লপাড়।

গুজরাতের পঞ্চমহল জেলার গোধরায় একজন স্কুল শিক্ষক এবং অন্য দু'জনের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। নিট ইউজি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছয় পরীক্ষার্থীকে ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তাদের প্রশ্নপত্র সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা এক শিক্ষক। কিন্তু জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় ধরা পড়ে গেলেন অভিযুক্তরা।

NEET-UG Exam

একটি এফআইআর অনুসারে, জেলা কালেক্টর গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরে মেডিক্যাল কলেজে প্রবেশিকা পরীক্ষার কেন্দ্রে পুলিশকে নিয়ে হানা দেন। নিট ইউজি পরীক্ষা হিসাবে মনোনীত একটি গোধরা স্কুলে একটি স্কুলে অসাধু চক্রটি কাজ করছিল।অভিযোগ, ৬ জন নিট পরীক্ষার্থীকে ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র সমাধান করে দেওয়ার টোপ দিয়েছিলেন

এফআইআর অনুযায়ী, নিট পরীক্ষায় দুর্নীতিচক্রের খবর পেয়ে রবিবার গোধরার ওই স্কুলে পৌঁছে যান পঞ্চমহলের জেলাশাসক। সেখানেই তুষার ভট্ট নামে পদার্থবিদ্যার এক শিক্ষক এবং পরশুরাম রায় ও আরিফ ভোরা নামে দুই ব্যক্তিকে হাতে না হাতে ধরে। যাদের নামে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তিন জনের বিরুদ্ধেই মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তুষার ওই কেন্দ্রে নিট পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন।

জেলার অতিরিক্ত কালেক্টর এবং জেলা শিক্ষা অফিসারের একটি দল পরীক্ষার দিন স্কুলে পৌঁছে ভট্টকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। যখন তারা তার মোবাইল ফোন চেক করে, তারা ১৬ জন পরীক্ষার্থীর একটি তালিকা উদ্ধার করে। সেই তালকিয়া কয়েকজন পরীক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর এবং পরীক্ষার কেন্দ্র সহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছিল যা তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠানো হয়েছিল।

জেলা শিক্ষা অফিসার কিরিট প্যাটেল জানিয়েছেন, তালিকা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, ভাট বলেছিলেন যে এরা এমন প্রার্থী যারা তার কেন্দ্রে নিট পরীক্ষা দেবেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে এই ছয়জন পরীক্ষার্থীর প্রশ্নপত্র সমাধান করার জন্য প্রত্যেককের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের গাড়ি থেকে ৭ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়। যেগুলি তিনি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অগ্রিম হিসাবে নিয়েছিলেন।

কয়েকদিন আগে পরীক্ষার খাতায় জয় শ্রীরাম ‌লিখে নম্বর দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল উত্তরপ্রদেশে। শুধু বাংলা নয় শিক্ষা নিয়ে দুর্নীর্তি গোটা দেশের উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+