বাদল অধিবেশনে শৃঙ্খলা ভঙ্গের শাস্তি শীতকালীন অধিবেশনে, প্রতিবাদে শেষে অনশনে বসছেন সাসপেন্ড ১২ সাংসদ

বাদল অধিবেশনে শৃঙ্খলা ভঙ্গের শাস্তি শীতকালীন অধিবেশনে, প্রতিবাদে শেষে অনশনে বসছেন সাসপেন্ড ১২ সাংসদ

বাদল অধিবেশনে শাস্তি শীতকালীন অধিবেশনে। ১২ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়। এই নিয়ে প্রথম দিন থেকে উত্তাল হয়ে উঠেছিল সংসদের দুই কক্ষ। কিন্তু লাগাতার বিক্ষোভ দেখিয়েও কোনও লাভ হয়নি। শেষে অনশনে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। এক দিনের প্রতিকি অনশন করবেন সাংসদরা এমনই জানিয়েছেন তাঁরা।

সাসপেন্ড ১২ সাংসদ

সাসপেন্ড ১২ সাংসদ

শীতকালীন অধিবেশন শুরু হয়েছিল ২৯ নভেম্বর থেকে। প্রথম দিনেই একের পর এক বড় পদক্ষেপ করে মোদী সরকার। প্রথমে কৃষি আইন বাতিলের প্রস্তাব সংসদের দুই কক্ষে পাস করানো হয়। তারপরেই ১২ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করা হয়। বাদল অধিবেশনে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধে তাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানানো হয়। ভেঙ্কাইয়া নাইডু নিজে জানিয়েছেন এই নিয়ে তিনি কোনওকথা বলতে চাননা। কারণ যাঁরা শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন তাঁরা কেউ অনুতপ্ত নন।

সাসপেনশন প্রত্যাহারের বিক্ষোভ

সাসপেনশন প্রত্যাহারের বিক্ষোভ

তারপর থেকেই সংসদের দুই কক্ষ দফায় দফায় উত্তাল হয়েছে। ১২ জন সাংসদকে সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত একেবারেই অনৈতিক বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা। বাদব অধিবেশনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের শাস্তি কেন শীতকালীন অধিবেশনে পেতে হবে এই নিয়ে সরব হয়েছেন তাঁরা। রাজ্যসভার চেয়ারম্যানকে এই নিয়ে বারবার অনুরোধ জানানো হয়েছে সাসপেনশন প্রত্যাহের জন্য কিন্তু তিনি কিছুতেই তাতে রাজি হননি। বারবর ভেঙ্কাইয়া নাইডু বলেছেন যেভাবে সংসদের অপমান তাঁরা করেছেন সেটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায়না। তার জন্য তাঁরা একেবারেই অনুতপ্ত নন।

অনশনে বসছেন সাংসদরা

অনশনে বসছেন সাংসদরা

ধরনা, বিক্ষোভ দেখিয়েও যখন কাজ হচ্ছে না তখন অনশনে পথে প্রতিবাদ জানাতে চলেছেন তাঁরা। রাজ্যসভায় সাসপেন্ড হওয়া সাংসদরা এবার অনশনে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রায় প্রতিদিনই সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ধরনা প্রদর্শন করছেন তাঁরা। এবার বিশেষ নজর টানতে একদিনের প্রতিকি অনশনে বসতে চলেছেন তাঁরা।
তাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ শান্তা ছেত্রী, দোলা সেন সহ মোট ১২ জন সাংসদই থাকবেন। যদিও গত বৃহস্পতিবার বিপিন রাওয়াতের প্রয়াণের কারণে ধরনা প্রত্যাহার করেছিলেন সাংসদরা।

অনড় স্পিকার

অনড় স্পিকার

বিরোধীদের লাগাতার আন্দোলন চললেও সরকার কিন্তু মাথা নোয়ায়নি। ক্ষমা না চাইলে কারও সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিেয়ছেন স্পিকার। বিরোধীরা চিঠি দিয়ে রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে শাস্তি মকুবের দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেটাও গ্রহণ করেননি স্পিকার হয়নি। সাসপেন্ড হওয়া প্রত্যেক সাসংদকে আলাদা ভাবে চিঠি লিখে ক্ষমা চাইতে হবে বলে জানানো হয়েছে।তাতে আবার রাজি হননি বিরোধীরা। এই নিয়ে জোর শোরগোল পড়ে গিয়েছে সংসদ অধিবেশনে। দেখতে দেখতে ১০ দিন পেরিয়ে গেল। হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন পড়ে রয়েছে।

খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+