Supreme Court on Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের সার্ভে হবে শর্তসাপেক্ষে, এএসআইকে সুপ্রিম-নির্দেশ
জ্ঞানবাপী মসজিদের সার্ভেতে স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট জ্ঝানবাপী মসজিদের সমীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তবে শর্ত মেনে এই সমীক্ষা চালাতে হবে বলে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া বা এএসআইকে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
বারাণসীর জ্ঞানভাপী মসজিদের বিতর্ক ঘোচাতে সুপ্রিম কোর্ট সমীক্ষার পন্থাকেই সমর্থন করেছে। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতে এদিন অস্বীকার করে ভারতের শীর্ষ আদালত। শুধু এই সমীক্ষা এএসআইকে চালাতে হবে কোনও খনন না করে। কোথাও কোনও খননকার্য চালানো যাবে না।

প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এদিন জানান, আমরা হাইকোর্টের আদেশ পুনর্ব্যক্ত করছি। হাইকোর্ট অর্ডারে জানিয়েছিল সাইটে কোনও খনন করা যাবে না। সেই সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টও অনড় থাকছে। সার্ভে রিপোর্টটি হাইকোর্টে ফেরত পাঠাতে হবে। এদিন হাইকোর্টের রায়ের বিরোধিতা করে আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটির আবেদনের শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে।
সর্বোচ্চ আদালত এদিন উপাসনের স্থান আইন ১৯৯১ পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে, ১৯৪৭-এর বিদ্যমান আইন উপাসনালয়ের চরিত্র পরিবর্তন করতে নিষেধ করে। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট যে স্থানের ধর্মীয় চরিত্র যা ছিল, তা অক্ষত রাখতে হবে। অর্থাৎ সমীক্ষার নির্দেশ একপ্রকার অর্থহীন।
মসলিম বডির আইনজীবীর এই কথার জবাবে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, একজনের কাছে যা অর্থহীন, তা অন্যের কাছে বিশ্বাস। তাই আমরা এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে পারি না। মসজিদ পরিচালনা কমিটির পক্ষে উপস্থিত হয়ে সিনিয়র অ্যাডভোকেট হুজেফা আহমাদি তাঁর যুক্তি সাজিয়েছিলেন।
তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন, ইতিহাস খনন করা, উপাসনের স্থান সংক্রান্ত আইন লঙ্খন করা এবং ভ্রাতৃত্ব ও ধর্মনিরপেক্ষতার উপর প্রভাব ফেলছে এএসআইয়ের বর্তমান কর্মকাণ্ড। এএসআই কর্তৃপক্ষ ৫০০ বছর আগে যা ঘটেছিল, সেই ইতিহাসে যেতে চায় এবং অতীতের ক্ষতগুলি আবার তুলে আনতে চায়।












Click it and Unblock the Notifications