প্রাক্তন অধ্যাপক হাইকোর্টে বেকসুর খালাস, এনআইএ আবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ শুনানি
বোম্বে হাইকোর্টের দিল্লির প্রাক্তন অধ্যাপকের বেকসুর খালাসের বিরোধিতায় এনআইএ আবেদনের বিশেষ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে
শুক্রবার বোম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক জিএন সাইবাবা এবং অন্য পাঁচজনকে বেকসুর খালাস করেছে। এরপরেই এনআইএ সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে। এনআইএ-র ভিত্তিতে এনআইয়ের আবেদনের ভিত্তিতে ১৫ অক্টোবর অর্থাৎ শনিবার সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ অধিবেশন।

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক জিএন সাইবাবা এবং অন্য পাঁচজনকে বেকসুর খালাস করেছে বোম্বে হাইকোর্ট। এরপরেই এনআইএ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এমআর শাহ এবং বেলা ত্রিবেদীর বেঞ্চ ১৫ অক্টোবর এনআইয়ের আবেদনের ভিত্তিতে শুনানি হবে বলে জানানো হয়েছে।
২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপককে গ্রেফতার করা হয়। ২০১৭ সালের ৭ মার্চ মাওবাদীদের সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে অধ্যাপক জিএন সাইবাবাকে গাদচিরোলির দায়রা আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সাইবাবা বোম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। পাঁচ বছর ধরে এই মামলা চলার পর বোম্বে হাইকোর্টে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন এই অধ্যাপককে বেকসুর খালাস করে। প্রাক্তন অধ্যাপক সাইবাবার শারীরিক অবস্থা উদ্বেগ জনক। তাঁর শরীরের ৯০ শতাংশ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কাজ করে না। তিনি হুইলচেয়ারে বন্দি। ৯ মে ২০১৪ সালে যখন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ছোটবেলাতেই তিনি পোলিও আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁর বাম হাত প্রায় কাজ করে না। তবে গ্রেফতারের সময় তিনি হুইলচেয়ার ব্যবহার করতেন না।
বিচারপতি রোহিত দেও এবং অনিল পানসারের নাগপুর হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন ইউএপিএ অধীনে উপযুক্ত প্রমাণ নেই। ২০১৭ সালের ৭ মার্চ সাইবাবা, মহেশ তিরকি, পান্ডু নরোটে, হেম মিশ্র, প্রশান্ত রাহি এবং বিজয় তিরকির সাথে গাদচিরোলির একটি দায়রা আদালত ইউএপিএ ধারা এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছিল। বিজয়কে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অন্যদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিজয় বর্তমানে জামিনে মুক্ত। নাগপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় চলতি বছরে অগাস্ট মাসে ৩৩ বছরের নারোটের মৃত্যু হয়। ২০১৪ সালে তাঁদের মহারাষ্ট্রের গাদচেরেলি থেকে গ্রেফতার করা হয়।
সাইবাবা নাগপুরের কেন্দ্রীয় কারাগারে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর প্রতিবাদে অনির্দিষ্ট কালের জন্য অনশনে যাওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। সেই সময় নাগপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের শৌচালায় ও স্নানগরের সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। শনিবার তাঁর স্ত্রী ও ভাই মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখে নাগপুরের কেন্দ্রীয় কারাগারের স্নানঘর ও শৌচালয় থেকে সিসিটিভি সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
-
ভোটের ময়দানে প্রস্তুত বিজেপি! আরও ১৩টি কেন্দ্রে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা পদ্ম-শিবিরের, কোথায় কে? জেনে নিন -
ষষ্ঠ সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন! কতজনের নাম রয়েছে? বাদের খাতায় কত জন? -
বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে ভোটের আগে বিতর্ক, তৃণমূল প্রার্থীর শংসাপত্র নিয়ে হাই কোর্টে বিজেপি প্রার্থীর চ্যালেঞ্জ -
শোকস্তব্ধ বিজয়গড়! ছেলের শোকে ভেঙে পড়েছেন রাহুলের মা, কেমন আছেন পরিবারের বাকিরা? -
মমতা আইনের ঊর্ধ্বে নন, কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে মন্তব্য শুভেন্দুর, তুললেন গুরুতর অভিযোগ -
তৃণমূলের ধাক্কা! মুখ্যসচিব-সহ আধিকারিক অপসারণের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ করল হাই কোর্ট, কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল -
আজও বাংলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, কোন জেলাগুলি ভিজবে? কী বলছে হাওয়া অফিস? জানুন আবহাওয়ার লেটেস্ট আপডেট -
সকালেই বিজ্ঞপ্তি, রাতের মধ্যেই মনোনয়ন জমা, রাজ্যে ভোটের আবহে তৎপর প্রার্থীরা -
নজরে পুরসভাগুলি, ভবিষ্যৎ মনে করিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের কড়া নির্দেশিকা কাউন্সিলরদের জন্য -
ইরানের হুমকি! এপ্রিলের শুরু থেকেই হামলা হতে চলেছে গুগল-অ্যাপল সহ ১৮টি মার্কিন কোম্পানিতে -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
বিশ্বখ্যাত আইটি সংস্থায় একলপ্তে ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাই, ভারতে কাজ গেল ১২ হাজার জনের












Click it and Unblock the Notifications