সুতোয় ঝুলছে কর্নাটকের জেডিএস-কংগ্রেস জোট সরকারের ভবিষ্যৎ, মজা দেখছে বিজেপি
এই আছে এই নেই্য এমনই অবস্থা কর্নাটকের কংগ্রেস–জেডিএস জোট সরকারের। দুই কংগ্রেস বিধায়ক পদ ছাড়ার পর থেকেই যেন টানা পোড়েন আরও বেড়ে গিয়েছে। এমনিতে সম্পর্ক যে দুই শরিকের ভাল ছিল তা নয়।
এই আছে, এই নেই। এমনই অবস্থা কর্নাটকের কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকারের। দুই কংগ্রেস বিধায়ক পদ ছাড়ার পর থেকেই যেন টানাপোড়েন আরও বেড়ে গিয়েছে। এমনিতে সম্পর্ক যে দুই শরিকের ভালো ছিল তা নয়। প্রথম থেকেই গণ্ডগোল চলছিল। অসন্তোষ বাড়তে বাড়তে এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। আর এই সুযোগের সদ্ব্যবহারে মরিয়া হয়ে উঠেছে বিজেপি। তলে তলে দল ভাঙানোর প্রক্রিয়ায় একটু গতি বাড়িয়েছে গেরুয়া শিবির।

কারণ কর্নাটক বিধানসভা ভোটে বৃহত্তম দল হয়েও সরকার গড়তে না পারার একটা রাগ বরাবরই রয়ে গিয়েছিল ইয়েদুরাপ্পাদের। তাই দুই কংগ্রেস বিধায়ক পদ ছাড়ার পর থেকেই যেন মরিয়া হয়ে উঠেছেন তাঁরা। কীভাবে সমীকরণ বদলানো যায় তার হিসেব নিকেশ শুরু হয়ে গিয়েছে বিজেপি শিবিরে। তাই দুই কংগ্রেস বিধায়ক পদ ছেড়েছেন জানতে পেরেই ইয়েদুরাপ্পা একটু ব্যাঙ্গের সুরেই বলেছিলেন, জোট সরকার নিজের ভারেই ভেঙে পড়বে। ইয়েদুরাপ্পার এই ইঙ্গিত কিন্তু সুবিধেজনক নয়।
দুই কংগ্রেস পদ ছাড়ার পর কর্নাটক বিধানসভায় এখন কংগ্রেসের আসন গিয়ে ঠেকেছে ৭৭-এ। আর জেডিএসের ৩৭। অর্থাৎ জোট সরকারের কাছে এখন আছে ১১৪টি আসন। ২২৪ আসনের কর্নাটক বিধানসভার ম্যাজিক ফিগার ১১৩। সেখানে বিজেপির একারই রয়েছে ১০৫টি আসন। বিএসপির রয়েছে একজন এবং নির্দল বিধায়ক রয়েছেন একজন। একেবারের কানায় কানায় আসন সংখ্যা।
কংগ্রেসে ভাঙন ধরাতে পারলে কর্নাটকে জোট সরকারের পতন নিশ্চিত। বিজেপির সরকার গড়তে মুহূর্ত সময় লাগবে না। যদিও পদত্যাগী দুই কংগ্রেস নেতা এখনই দল ছাড়ার বিষয়ে কোনও কথা জানাননি। তবে বিজেপি যে সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
কর্নাটকে জোট সরকার গঠনের আগেও বিজেপি কংগ্রেসের বিধায়কদের ভাঙানোর সবরকম চেষ্টা চালিয়েছিল। লোকসভা ভোটে কর্নাটকে কংগ্রেস এবং জেডিএসের ভরা ডুবির পরেও একবার জোট সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল বিজেপি। কুমারস্বামী নিজেও একাধিকবার বিজেপির বিরুদ্ধে এই ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ করেছলেন। এই পরিস্থিতিতে কঠিন পরীক্ষা এখন জোট টিকিয়ে রাখা।












Click it and Unblock the Notifications