গুজরাতে ১,১২৫ কোটি মূল্যের ২২৫ কেজির মাদক উদ্ধার, আটক ছয়
গুজরাতে ১,১২৫ কোটি মূল্যের ২২৫ কেজির মাদক উদ্ধার, আটক ছয়
গুজরাতের সন্ত্রাসদমন শাখার পুলিশ ব্যাপক পরিমাণে মাদক উদ্ধার করল। মঙ্গলবার গুজরাতের ভদোদরা শহরের কাছে একটি কারখানার অভিযানের সময় সন্ত্রাস দমন শাখার পুলিশ ১,১২৫ কোটি মূল্যের মেফেড্রোন উদ্ধার করেছে। গুজরাতের সন্ত্রাস দমন শাখার পুলিশ সূত্রের খবর, উদ্ধার হওয়া মেফেড্রোনের পরিমাণ প্রায় ২২৫ কেজি। ঘটনায় পুলিশ ছয় জনকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে।

গুজরাতের সন্ত্রাস দমন শাখার পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট সুনীল যোশী জানিয়েছেন, একটি নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ভদোদরায় একটা করাখানায় অভিযান চালায়। ওই কারখানার সঙ্গে একটি গুদামও ছিল। সেখানেই ২২৫ কেজির মেফেড্রোন পাওয়া গিয়েছে। যার আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য ১,১২৫ কোটি টাকা। তিনি জানিয়েছেন, বাজেয়াপ্ত মাদক ভারোচ জেলায় একটি রাসায়নিক কারখানায় তৈরি করা হয়েছিল। সেখান থেকেই ভদোদরার ওই কারখানাতে নিয়ে আসা হয় মাদকগুলো। এই কারখানা থেকেই বিভিন্ন জায়গা মাদক পাচারের পরিকল্পনা ছিল বলে পুলিশ সূত্রের খবর।
জানা গিয়েছে কারখানাটি সুরাট ভিত্তিক ব্যবসায়ী মহেশ বৈষ্ণব ও ভদোদরা ভিত্তিক ব্যবসায়ী পীযূষ প্যাটেলের। গুজরাতের সন্ত্রাস দমন শাখার পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট সুনীল যোশী জানিয়েছেন, ভারোচের একটি প্ল্যান্টের সঙ্গে এই মাদক পাচারের যোগ পাওয়া গিয়েছে। ওই প্ল্যান্টের মোট তিন জন মালিক রয়েছেন। তাঁদের সকলকেই আটক করা হয়েছে। এছাড়াও দীনেশ ধ্রুব নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বৈষ্ণব ও রাকেশ মাকানির সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন ধ্রুব নামের ওই ব্যক্তি। পুলিশ সূত্রের খবর, রাকেশ মাকানি, বিজয় ভাসোয়া ও দিলীপ বাঘাসিয়ার ভারোচের একটি প্ল্যান্টের মালিক। ওই প্ল্যান্টেই এই মাদকগুলো তৈরি করা হয়েছিল। যোশী জানিয়েছেন, বৈষ্ণব ভদোদরার কারখানায় মাদক তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন। সেই কারণেই ভদোদরার কারখানার মালিকের সঙ্গে ভারোচের প্ল্যান্টের মালিকের বৈঠক করান।
ভদোদরার এই কারখানা থেকে সারা দেশে মাদক পাচারের পরিকল্পনা ছিল বৈষ্ণবের। গুজরাতের সন্ত্রাস দমন শাখার পুলিশের বিবৃতি অনুসারে বৈষ্ণব ভারোচ থেকে সালভিতে সুবিধার জন্য তরল মেফেড্রোন নিয়ে এসেছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেরায় অভিযুক্তরা স্বীকার করেছে, প্রায় ১৫ কেজি মেফেড্রোন নিয়ে আসা হয়েছিল। পাশাপাশি দীনেশ ধ্রুবকে ১৫ কেজি তরল মেফেড্রোন ও মুম্বই থেকে আসা দুই ব্যক্তিকে একই পরিমাণ মাদক পাচারের উদ্দেশে সরবরাহ করা হয়েছিল। বাকি মেফেড্রোন পুলিশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর ধ্রুব আগেও মাদক পাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল। ১২ বছরের জেল হয়েছিল। জেল থেকে বেরিয়ে ফের মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ।












Click it and Unblock the Notifications