কমানো হোক লোকসভা ও বিধানসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার বয়স! কত বছরে ভোটের লড়াইয়ে নামার পরামর্শ সংসদীয় কমিটির
দেশের কমবয়সী অর্থাৎ যুবক-যুবতীদের গণতন্ত্রে জড়িত হওয়ার সুযোগ করে দিতে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ন্যূনতম বয়স কমানোর সওয়াল সংসদীয় কমিটির। বর্তমান কাঠামোয় লোকসভা ও বিধানসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গেলে বয়স হতে হয় ২৫ বছর। অন্যদিকে বিধান পরিষদ ও রাজ্যসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গেলে লাগে ৩০ বছর বয়স।
১৮ বছর বয়সে দেশের তরুণ-তরুণীরা ভোটাধিকার পেয়ে থাকে। সেই ১৮ বছর বয়সেই যাতে তরুণ-তরুণীরা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে তার জন্য সংসদীয় কমিটি সুপারিশ করেছে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে লোকসভা ও বিধানসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার বয়স ২৫ থেকে কমিয়ে ১৮ করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। কমিটি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, এই দৃষ্টিভঙ্গী বিশ্বব্যাপী নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডার মতো দেশের সংসদীয় ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণের পরে আমাদের দেশের ওই সংসদীয় কমিটি মনে করে জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য সর্বনিম্ন বয়স ১৮ হওয়া দরকার। তাদের মতে উল্লিখিত দেশগুলির উদাহরণ দেখিয়ে বলা হয়েছে, তরুণরা ওই সময় নির্ভরযোগ্য ও দায়িত্বশীল হতে পারে। তরুণদের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনাও বেশি।
বিজেপি সাংসদ সুশীল মোদী এই সংসদীয় কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন। বিভিন্ন দলের সাংসদরা এই কমিটিতে রয়েছেন। তাঁরা মনে করছেন, নির্বাচনের লড়াইয়ের বয়স কম করলে তরুণ-তরুণীরা গণতন্ত্রে জড়িত হওয়ার সমান সুযোগ পাবে।

তবে নির্বাচন কমিশন এব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করে। তারা লোকসভা ও বিধানসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে বয়স কমানোর পক্ষে নয়। তারা দেখেছে ১৮ বছর বয়সীদের কাছে প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা এবং পরিপক্কতা আশা করা অবাস্তব। সেই কারণে বর্তমানে দেশে ভোটদান ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যে ন্যূনতম বয়স রয়েছে তাই উপযুক্ত।
এব্যাপারে সংসদীয় কমিটি মনে করে, তরুণদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়াতে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের ব্যবস্থাগ্রহণ করা উচিত। এব্যাপারে ফিনল্যান্ডের উদাহরণও দিয়েছে কমিটি। সে দেশের নাগরিকত্ব শিক্ষার মতো অন্য দেশের সফল মডেলগুলি বিবেচনা করতে পারে এবং সেই অনুয়াযী মানিয়ে নিতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications