'নিরপেক্ষ তদন্ত হবে, ১৪টি টিম একসঙ্গে কাজ করছে', আশ্বাস দিল্লি পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানার
'নিরপেক্ষ তদন্ত হবে, ১৪টি টিম একসঙ্গে কাজ করছে', আশ্বাস দিল্লি পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানার
কোনও রকম প্রভাব খাটানোর প্রশ্নই নেই। একেবারে নিরপেক্ষ তদন্ত হবে। ১৪টি টিম ঘটনার তদন্ত করছে। আশ্বস্ত করলেন দিল্লির পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানা। তিনি জানিয়েছেন জাহাঙ্গিরপুরীতে হনুমান জয়ন্তীর দিন যাঁরা অশান্তি পাকিয়েছে তাঁদের খুঁজে বের করে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। কোনও রকম রেয়াত করা হবে না।

নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস
দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীতে হনুমানজয়ন্তীর সংঘর্ষের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিলের দিল্লির পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানা। এই ঘটনায় যেই দোষী হোক না কেন তাঁকে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।করোনও রকম পক্ষপাতিত্বের বা প্রভাবের সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দিলেন পুলিশ কমিশনার। ঘটনার দিনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কড়া হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার কথা বলেছিলেন তিনি।

১৪টি টিম একসঙ্গে কাজ করছে
জাহাঙ্গিরপুরীর ঘটনার তদন্ত করছে দিল্লি পুিলশের ১৪টি টিম। রাকেশ আস্থানা জানিয়েছেন ঘটনার তদন্ত ভীষণভাবেই নিরপেক্ষ হবে। ঘটনার তদন্তে কোনও রকম জাতি-ধর্ম-বর্ণ দেখা হবে না। যে ধর্মেরই হোক না কেন দোষী তাঁকে শাস্তি দেওয়া হবে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারমধ্যে ৮ জনের আগেই পুলিশের খাতায় নাম রয়েছে। দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ ঘটনার তদন্ত করছে। সেই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার ডিজিটাল নথিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নজরে সোশ্যাল মিডিয়া
দিল্লি পুলিশের নজরে রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াও। জাহাঙ্গিরপুরীর ঘটনার নেপথ্য কোনও উস্কানি কাজ করেছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ ঘটনার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল। তাতে দেখা গিয়েছে তরোয়াল হাতে আল্লা হু আকবর স্লোগান দিচ্ছে একদল যুবক। আর হুঙ্কার দিচ্ছে শোভাযাত্রা দেখে। রাকেশ আস্থানা বলেছেন যদি কেউ কোনও খবর পান তাহলে দিল্লি পুিলশের হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে জানাতে পারেন। পুিলশ সঙ্গে সঙ্গে সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।

শান্তি রক্ষার চেষ্টা
জাহাঙ্গিরপুরী এখনও থমথমে। পুলিশ সেখানে শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করছে। মাইকে করে সমানে সেখানে প্রচার চালানো হচ্ছে। কোনওরকম গুজবে যাতে কেউ কান না দেন সেজন্য বারবার মাইকে করে প্রচার করছে পুলিশ। সেই সঙ্গে এলাকায় প্যাট্রোলিং বাড়ানো হয়েছে। সারাদিনই সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এলাকার বাসিন্দারা যাতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন সেই দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications