বৃষ্টি-বজ্রপাতে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু মহারাষ্ট্রে, ধস একাধিক বাড়িতে
বৃষ্টি-বজ্রপাতে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু মহারাষ্ট্রে, ধস একাধিক বাড়িতে
কলকাতায় সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জমা জলে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে বেশ কিছু মানুষ মারা গিয়েছেন। একই ভাবে ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত ও বন্যায় মহারাষ্ট্রের কমপক্ষে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মারাঠওয়াড়া অঞ্চলে বৃষ্টির ফলে বন্যা বিধ্বস্ত অঞ্চলে এনডিআরএফ এবং হেলিকপ্টার মোতায়েনের পর ৫৬০ জনেরও বেশি লোককে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই অঞ্চলে ২০০ টিরও বেশি গবাদি পশু মারা গিয়েছে। রোববার ও সোমবার মারাঠওয়াড়ায় প্রবল বৃষ্টিতে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই প্রথম মহারাষ্ট্রের এমন একটি অঞ্চলে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে যা বার্ষিক খরা-জর্জরিত অঞ্চল বলে পরিচিত। মুম্বাইয়ে মঙ্গলবারও ভারী বৃষ্টি হয়েছে।

কী বলছে দেশের আবহাওয়া দফতর?
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) আগামী ২৪ ঘণ্টায় মারাঠওয়াড়া, মুম্বাই এবং মহারাষ্ট্রের উপকূলীয় কোঙ্কন অঞ্চলের বেশ কয়েকটি জায়গাতে আবারও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। মহারাষ্ট্রের মারাঠওয়াড়া অঞ্চল যেখানে ইতিমধ্যেই বৃষ্টির ফলে বন্যা হয়েছিল।

কোথায় কোথায় বন্যা?
মহারাষ্ট্রের আটটি জেলা, অরঙ্গাবাদ, লাতুর, ওসমানাবাদ, পারভানি, নান্দেদ, বিড, জলনা এবং হিংগোলি অঞ্চল ইতিমধ্যেই বৃষ্টি ও বন্যা বিধ্বস্ত। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে বলা হয়েছে মাঞ্জারা বাঁধের জলসীমায় ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে কর্তৃপক্ষকে মঙ্গলবার জলাশয়ের সমস্ত ১৮ টি গেট খুলে দিতে হশ৷ যার ফলে বিড জেলার কয়েকটি গ্রামে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে৷ পার্শ্ববর্তী কিছু জেলায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন মাঞ্জারা বাঁধের ১৮ টি এবং মজলগাঁও বাঁধের ১১ টি গেট খুলে দিতে বাধ্য হয়েছে যার ফলে বাঁধগুলি থেকে যথাক্রমে ৭৮,৩৯৭ কিউসেক এবং ৮০৫৩৪ কিউসেক জল বেরিয়েছে৷

কী বলছেন মহারাষ্ট্রের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের একজন আধিকারিক?
মহারাষ্ট্রের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের একজন আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে রাজ্যে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এবং ১৩৬ জন আহত হয়েছেন। এই ১৩ জনের মৃত্যুে ১২ জন মারাঠওয়াড়া এবং বিদর্ভ অঞ্চল থেকে এবং একজন উত্তর মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার লোক বলে জানা গিয়েছে। তিনটি ইয়াওয়াতমাল জেলায় (বিদর্ভে যেখানে একটি বাস ভেসে গিয়েছিল), বিড, ওসমানাবাদ, পরভানি (মারাঠওয়াড়া) থেকে দুটি এবং জালনা, লাতুর (মারাঠওয়াড়া) এবং বুলধানা (বিদর্ভ) থেকে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে দুর্যোগ বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে নাসিক জেলায়ও বজ্রপাতে একজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications