হ্যান্ড গ্রেনেড নয়, কাশ্মীরের মানুষ ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন! তুষারস্নাত হয়ে বার্তা রাহুলের
কাশ্মীরকে নিজের বাড়ি বলে ব্যাখ্যা করে রাহুল বলেন, যদি তিনি তাঁর বাড়িতে যান, তবে প্রতিবেশীদের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাওয়াই উচিত হবে।
কাশ্মীরের সব পথ এসে মিশে গিয়েছিল রাহুলের ভারত জোড়ো যাত্রায়। সেখানে তঁকে সাবধান করা হয়েছে এভাবে পথ পরিক্রমা করতে। সতর্ক করা হয়েছিল হামলা হতে পারে। কিন্তু সেসব তোয়াক্কা না করে রাহুল পায়ে হেঁটে পৌঁছেছেন গন্তব্যে। আর রাহুল যাত্রা শেষে জানিয়ে দিয়েছেন হ্যান্ড গ্রেনেডের বদলে হৃদয়ভরা ভালোবাসা দিয়েছেন কাশ্মীরের মানুষ।

ভারত জোড়ো যাত্রা এদিনই শেষ হয়েছে কাশ্মীরে। শ্রীনগরে ব়্যালি শেষ করে শের-ই-কাশ্মীর স্টেডিয়ামে এক সমাবেশে রাহুল বলেন, কাশ্মীরের মানুষ তাঁকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন! সেইসঙ্গে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন বিজেপিকে। তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের ভূমিতে বিজেপির কোনও সদস্য এভাবে হাঁটতে পারবেন না। তাঁরা ভয় পান বলেও খোঁচা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী।
শ্রীনগরে এই যাত্রা শুরুর মুখে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে বলেন, সারা ভারত ও জম্মুতে তিনি হেঁটে যাত্রা করতে পারেন, কিন্তু কাশ্মীরে শেষ চারদিন যানবাহন ব্যবহার করাই শ্রেয়। এমনকী তাঁকে বলা হয়েছিল তিনি যদি পায়ে হেঁটে যান তবে তাঁকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোড়া হতে পারে। কিন্তু কাশ্মীরের মানুষ আমাকে হৃদয়ভরা ভালোবাসা দিয়েছে।
এরপর তিনি কাশ্মীরকে নিজের বাড়ি বলে ব্যাখ্যা করেন। রাহুল বলেন, যদি তিনি তাঁর বাড়িতে যান, তবে প্রতিবেশীদের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাওয়াই উচিত হবে। আর তিনি সমস্ত সতর্কতামূলক মন্তব্যের তোয়াক্কা না করে হেঁটেই পরিক্রমা শেষ করেছেন ভারত জোড়ো যাত্রার।
এরপর তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলান যাঁরা আমাকে ঘৃণা করে, তাঁদের একটা সুযোগ দেওয়া উচিত। যাতে তাঁরা আমাকে ভালোবাসতে পারে। আর তা যদি না পারে বড়জোর আমার সাদা টি সার্ট তাঁরা লাল রক্ষে বদলে দিতে পারেন। কিন্তু কাশ্মীর তাণকে গ্রেনেড নয়, ভালোবাসা দিয়েছে।
সোমবার মহাত্মা গান্ধীর প্রয়াণ দিবসে জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরে রাজ্য কংগ্রেসের সদর দফতরে গিয়ে শেষ হয় রাহুল গান্ধীর ভারত পরিক্রমা। তারপর শ্রীনগরে শের-ই-কাশ্মীর স্টেডিয়ামে একটি সমাবেশ হয়। প্রবল তুষারপাতের মধ্যেই বিরোধী ঐক্য জোরদার হয়। তুষারপাত উপেক্ষা করে রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রার সমাপনীতে রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল প্রশ্নাতীত।
রাহুল গান্ধী সোমবার ভারী তুষারপাতের মধ্যেই সমাবেশে ভাষণ দেন। ২০২২-এ ৭ সেপ্টেম্বর যে যাত্রার সূচনা হয়েছিল, তা শেষ হয় ১৪৫ দিনের মাথায়। ১২টি রা্জ্য ও দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্য দিয়ে ৪০৮০ কিলোমিটার পথ পরিক্রমা করেন তিনি। এই পথে ১২টি জনসভা ও ১০০টিরও বেশি স্ট্রিট কর্নার করেন। ১৩টি প্রেস কনফারেন্স ছাড়াও এই পথ পরিক্রমার ২৭৫টিরও বেশি কথোপকোথন এবং ১০০টিরও বেশি আলোচনায় অংশ নেন।
-
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায়












Click it and Unblock the Notifications